আকাশের বুকে জলতরঙ্গ প্রস্ফুটিত পারিজাত
প্রসূন সারি সারি ! চিন্ময় হীরক দ্যুতি নীলাঞ্জনা মাটির বুকে
পাখীরা ঘুম ঘুম নিজ গেহে , ক্লান্ত পথিক গেয়ে যায় গান সর্বভুক অন্ধকার
নির্জন পথে , শূন্য প্রান্তর আর পাহাড়তলি
বাতাস উতলা বড় , গলে গলে পড়ে লাজহীনা মৈনী নদী আর নারীর মতো
ভাট ফুল পলাসের গায়ে বারেবার !
লাবণ্য প্রভা অচেনা রমণীর মতো ধার ধারেনা সে ফুরিয়ে যাবার
অথবা দহন ফাল্গুন আগমনী দিনের । আলোময় তবুও অন্ধকার
রাশভারী সূর্য নয় তবুও সোনাভান হয় নীলাভ চন্দ্র সুন্দরী কতবার
চাঁদের বুড়ী কাটে সুতো চরকায়, সেই ফাঁকে
প্রেম ফেরী করে ফেরে কৌমুদী চাঁদ রাতে বিরাতের কোন অবসরে !
অশথ গাছের তলায় সূর্য মাথে কানামাছি কানামাছি খেলা
উসখুস দামাল ছেলের দল , শ্রান্ত গেহ কোণে এক্ষণে
ভ্রমর ফুলের কানে কানে বলেছিল কি কথা, মনে নেই কারো
তিতির শালিক ডানায় ডানায় ভালবাসা মেলে ধরে গেছে বানপ্রস্থে
হেথায় গুন গুন গায় গান পুচ্ছ নাচা বাল্মীকি জোনাকির দল
চাঁদ শাখে প্রেম মেলে ধরে রাত জাগানিয়া পাখী
কঙ্কণ হাত বারনারী , বারবধূ !
জানালা গলিয়ে চাঁদ উঁকি দেয় এলোমেলো বাসকের গায়
দেয়ালে টিকটিকি ছায়া , কখনও তাঁর , যাকে হারিয়েছে সেই বাসন্তী নারী
কোনকালে ! এখন কেবলি সে অন্যের ! তবু রাত খোঁজে ফেরে তাঁকে
দীর্ঘজীবী ঠোটেঁ রাখে ঠোঁট আলোকিত পদ্ম বুকে , অলিক কল্পনা তবু
তবু ভালবাসা , তবু জেগে ওঠে শঙ্খিনী চন্দ্রভান কোন এক রাতে !