সালেহ মাহমুদ 'এর কবিতায় “হাইঞ্জার” শব্দটির ব্যাবহার দেখে মনে পড়ল, আঞ্চলিক ভাষার শব্দ ব্যাবহারে আমারও কয়েকটা কবিতা আছে। তারই একটি ............ । শব্দার্থ এখন দিলাম না, পরে ব্লগে দিয়ে দেব। দেখি, কতজন কবিতাটা বুঝতে পারেন।

 

বিপদ

আহমেদ সাবের

 

একটি নোয়াখালী ভাষার কবিতা

 

মিয়া বাই-র মাইজ্জা হোলা গেছেগোই গোল্লায়

ঘরে হান্দাই হেতেরে কাম্বাইছে বল্লায়

কাম্বড় খাই বান্দর হোলা গাজ্জোরে চিল্লায়

হেতের মা আইঞ্ছে হানি হিতইল্যা ঠিল্লায়

হেরের বু-জান কানে ধরি টানি হেতেরে আনি

বদনা দি ঠেঙ্গের উ-রে ঢালে ঠান্ডা হানি।

 

ছোড মাইয়্যা বইছে খাইতো কোয়ালে তার ঝাঁডা

হাইজ্জিন্যার আন্দারে হেতির গলায় বিন্দে কাঁডা

কাঁডা ত আর যা তা নয়, কই মাছের কাঁডা

কাঁডার ঘাইয়ে অইলো মাইয়্যার জীবনটাই খাডা

শুলের চোডে কান্দি মাইয়্যা চাইদর বরাইছে

মাইয়্যার মা কান্দন দে-ই বউৎ ডরাইছে।

 

বেক্কে মিলি চিল্লাই কয়, দইল্যে বিলাইর বইর

যাইবো কাঁডা, খুঞ্জ বিলাই, খুঞ্জ নীচে চইর

চিল্লানীর চোঁডে বিলাই হাল দি উডে গাছে

হেই রঙ্গে কুটনা বু-ই তিরিং বিরিং নাচে।