বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।
Photo
জন্মদিন: ১২ এপ্রিল ২০১৮

keyboard_arrow_leftসাহিত্য ব্লগ

তবুও ষড়ঋতু।

সালমা সেঁতারা

  • advertisement

                    বাংলাদেশ-ই পৃথিবীতে একমাত্র ষড়ঋতুর দেশ। আমরা বাংলাদেশীরা আমাদের ঋতুবৈচিত্র নিয়ে কতই না গর্ববোধ করি। এই চিরায়মানা ঋতুর প্রতি আমাদের অনুরাগের শেষ নেই। একেক ঋতু একেক রকম আবহাওয়ার ফুল, ফল, ফসলের সম্ভার নিয়ে আসে বাংলাদেশে।  গৃষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, প্রতিটি ঋতুরি আলাদা মেজাজ আমাদের মানসকে মুগ্ধ করে, ভিত করে, নিঃস্বকরে, আনন্দিত করে আবার পরিপূর্ণও করে দেয়। মহান আল্লাহপাক আমাদেরকে দান করেছেন এই ঋতু সৌন্দর্য সুষমা, কিন্তু আমরা মানুষরা কখনই তার শোকর বা কৃতজ্ঞতা স্বীকার না করে উল্টো প্রকৃতির সাথে গাছ কেটে, নদী ভরে অট্রালিকা করে জঙ্গল উচ্ছেদ করে রীতিমত যুদ্ধ করে চলেছি।

     

                    বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষক সোসাইটির চেয়ারম্যান জনাব শরীফুল ইসলাম সাহেব শিক্ষা সাহিত্য সংস্কৃতির উন্ননয়ন শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে একটি সুন্দর কথা বললেন ‘আমরা নির্দি¦ধায় সমগ্র বাংলাদেশকে পুড়ে ঢাকা তথা শহরগুলোকে হাই রাইজ করছি’। কথাটি প্রকৃতি নিধনের সাথে সংশি−ষ্ট।

     

    তাই প্রকৃতি রাণীরাও আমাদের সাথে যেন আড়ি নিয়েছে। তাই গ্রীষ্মে ঝড় নেই, হেমন্তে ধান নেই, বর্ষায় বৃষ্টি নেই, শীতে হিমেল নেই, বসন্তে ফুল নেই, শরতে শিশির নেই। যেমন বৈশাখে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু। ফসলের মধ্যে ইতি ধানের নবান্ন। অর্থাত আউশের প্রান্তিক। বর্ষায় পাট প্রধান ফসল, ফলের মধ্যে পেয়ারা লটকো, লেবু, আনারস প্রভৃতি। আবার শরতে উৎপাদিত উলে−খযোগ্য ফসল নেই। তবে প্রকৃতিটা যেন সুফলার আসন্ন ঋতুবতী। ফলের মধ্যে শরতের প্রধান ফল জাম্বুরা, অর্থাত বাতাবী লেবু। বাংগালী মনের সবচেয়ে প্রিয় ফুলগুলি এই ঋৃতুকে সৌন্দর্য ভালবাসা মন্ডিত করেছে। যেমন শিউলী, শাপলা ও পদ্ম। এই ফুলগুলির সাথে বাংলাদেশীদের লোকজ সংস্কৃতি অনেক গান প্রেম গাথা গল্প কথা জড়িয়ে আছে আবহমানকাল থেকে। আমরা আর্টিফিসিয়াল যত ফুল-ই দেখিনা কেন? নিজের ঘরে যত যতেœই সাজাই না কেন? তবু শাপলা ভরা বিল, তার মাঝে মাঝে মাথা ইষৎ উঁচু করে অভিবাদনের ভঙ্গীতে ফুটে থাকা শ্বেত পদ্ম, শিউলীর কোমল শুভ্রতা, আল পথে বিলের বাঁকে হিজল তলায় ঝরা হিজল ফুলের, গোলাপী মখমল। এসব দৃষ্টি নন্দন পুষ্পিত চিত্র আমাদের ভীষণভাবে আনন্দ দান করে। তাইতো মনের আনন্দে কন্ঠে সুরের ঢেউ খেলে যায়। মহান দাতার দানের প্রতি কৃতজ্ঞ হয়ে গাইতে ইচ্ছে করে, সুন্দর ফুল সুন্দর ফল মিঠা নদীর পানি, খোদা----- তোমার মেহেরবাণী। আল্লাহপাক আনন্দ অনুভূতি ভাষা সুর, সুরের সাতটি  স্তর দেখার দৃষ্টি মানুষকে দান করেছেন।  নিঃসর্গ তাকে পলে পলে জাগিয়ে তোলে। সুরে ও কাব্যে প্রকাশ ঘটে তার। বাঙালী বা বাংলাদেশী মাত্রই কী চাষী, কি মজুর, কি ধনি, কি ধ্যানি সকলেই মনের একান্তে কবি ও গায়ক। শুধু দারিদ্র সীমার নিচে থেকে টানা পোড়েনের নাভীশ্বাসে দৈনন্দিন কাটে, তাই ভাব সুর, কাব্য কবিতা সব কিছুই যেন অসহায় মনের নিভৃত কোনে আহত বলাকার মত পাখা ঝাপটিয়ে মরে।  তবু এ শরতের শিউলী ফোটা ভোর দু’ছত্র কবিতা লিখায়। দু’কলি গানের গঞ্জন তোলে বাঙালীর স¦ভাব সুরের কন্ঠে। ইচ্ছে করে শাল পাতায় সদ্য ফোটা ভোরের শিশির সিক্ত শিউলী এনে অর্ঘ্য রচনা করি কোন সুদূরের প্রিয়তম লাগি।

     

                    শরত প্রায় শেষ হয়ে এলো, আর দুদিন পরেই হেমন্ত, তবে এই শরতেই বাংলাদেশের  প্রাকৃত সোনালী ফসল আমন চারা রোপন করা শেষ হয়। সদ্য লাগানো ধানের চারা প্রথমে লাল হয়ে যায়। কৃষকরা প্রতিদিন দুবেলা যত্নেনেয়। শরতের কোমল রোদ ও জলীয়বাষ্প ভরা বাতাস ধীরে ধীরে চারাগুলিকে নিবীড় ঘন সবুজ করে তোলে। চাষী ভাইরা তখন চিন্তামুক্ত হয় ধান লেগে গেল বলে। বর্ষা কেটে যাবার রেশ হিসেবে মাঝে মাঝে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ধানের চারাগুলিকে শতগুচ্ছ করে তোলে।

     

                    বর্ষায় খালে বিলে আটকে পড়া বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছ এই শরতে প্রচুর ধরা পড়ে। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ তাদের উদ্ভাবিত ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে ধরে। আবার এই শরতেই পুকুরে মাছচাষীরা নতুন করে রেণুপোনা ছাড়ে। এসব মাছ ফাল্গুন চত্রি মাসে বড় হয়ে যায়। শীতের শেষের মাছ তুলনামূলকভাবে বর্ষার মাছের চেয়ে সুস¦াদু।

     

                     ষড় ঋতু এই কথাটি উচ্চারণের সাথে সাথেই মনোমুগ্ধকর কিছু প্রাকৃতিক চিত্র চোখে ভেষে ওঠে। আল্লাহপাক এক এক ভুখন্ডের মানুষের মন মেজাজ এবং প্রকৃতি বিচার করেই যেন তাদের, আবাস ভুমির জল হাওয়া ও পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। তবে বৎসরে ছয়টি বিচিত্র রূপের ঋতু বা মৌসুম, এমন সুষমা মাধুর্যে ভরে একমাত্র বাংলাকেই দান করেছেন।  এদিক থেকে বাংলাদেশ ধন্য।

     

                    আল্লাহ বলেছেন, “আমার সৃজিত যা কিছু সুন্দর  আছে, আমার বান্দারা যদি তা অবলোকন করে মুগ্ধ হয়ে বলে, “সমস্ত প্রশংসা তোমার জন্য” তাহলে তার উপর আমি খুশি হয়ে আমার রহমত বর্ষণ করি। আর বান্দার মনকে প্রশান্তিতে ভরে রাখি। যে প্রকৃতিকে ভালবাসবে সে সন্ত্রাসী জিঘাংসা প্রিয় হতে পারে না।  প্রকৃতির সৌন্দর্য তার মনে অবশ্যই কোমলতা আনবে এবং চিত্তকে দয়ার্দ্র করে দেবে।

     

                    কিন্তু কষ্টের বিষয় আমরা শুধু প্রকৃতিকে উপভোগ করতে জানি, দেখে দেখে দৃষ্টিতে মুগ্ধতা আনি, কিন্তু প্রকৃতিকে লালন করি না। প্রয়োজনের দাবানলে গাছ কেটে, মাছ মেরে, ফুল ছিড়েঁ ঘর তুলে, ষড় ঋতুর সৌন্দর্য ছড়াবার আধারগুলিকে জ্বালিয়ে দিয়েছি।

     

                    হিন্দু বিশ্বাসে প্রকৃতি দেবীতুল্যা। হিন্দু সম্প্রদায় প্রকৃতিকে অনেক ভক্তি অর্ঘ্য দিয়ে থাকেন। তাদের বিশ্বাসে কৃষ্ণই প্রকৃতি, আবার প্রকৃতিই কৃষ্ণ। আমরা মুসলিম সম্প্রদায় প্রকৃতির কোন ক্ষমতায় বিশ্বাসী নই। আমাদের ধর্ম বিশ্বাসে প্রকৃতির যা কিছু সুন্দর এবং ঐশ্বর্য সবই আল্লাহপাকের দান। প্রকৃতির কোন ক্ষমতা নেই। প্রকৃতির ক্ষমতায় বিশ্বাসী হলে ‘শেরেক অর্থাৎ অংশীবাদ’ এর মতো পাপ করবো। দুদিকে দুবিশ্বাস থাকলেও, ভাল লাগা এবং প্রশান্তি একই মানব মনের অনুভব এবং প্রকাশ। তাই ভাল লাগাটা কারও ভিন্ন হতে পারে না। মুগ্ধতা সবার হƒদয়ের অধিকার। উচ্ছাস বা প্রেমের রূপ একই মানব মনন থেকে উৎসারিত।

     

                    ভারতেশ্বরী ইন্দীরা দেবী স¦ীয় পুত্র রাজীব গান্ধীকে ছোট বেলায় নাকি বলতেন যখন তোমার মনে দুঃখ আসবে, কিংবা কোন অস্থিরতা তোমাকে তাড়া করবে, তখন তুমি নিশ্চুপ হয়ে প্রকৃতির কোন এক সৌন্দর্যের প্রতি তাকিয়ে থাকবে। তাহলে দেখবে তোমার মন এক অনাবিল আনন্দে ভরে গিয়েছে। কথাটা অত্যন্ত সত্যি। যেমন ধরুন শরৎ, শরৎ রাতের অভ্রমাখা চাঁদের আলো, কোন মানব মানবীর নীবিড় প্রেমকে জাগিয়ে তোলে না? ভাল লাগা কোনো গানের কলি, কন্ঠে সুর হয়ে বেরিয়ে আসে না; এমন লোক মনে হয় খুঁজে পাওয়া ভার। সন্ধাকালীন মিষ্টি আঁধারে গাইবে কোনো অপেক্ষমানা, এখনি উঠিবে চাঁদ আধো আলো আধো ছায়াতে---------। শরতের দুটি বিখ্যাত ফুল শিউলী ও পদ্ম। বাংলা সাহিত্যে এমন কোন কবি সাহিত্যিক নেই যে তার সাহিত্যকে মধুর করে তোলেনি শরতের শিউলী ফুলকে উপমা করে। এক সময় যখন আউস ধানের পালিত এর উপর গ্রামের মানুষ নির্ভর করতো কিন্তু তার ফলন ছিলো ভীষণ অপ্রতুল। যারা ছোট চাষী সামান্য কিছু ধানি জমি আছে, তারা আমন মৌসুম ধরতে পারত না। আর ভুমিহীনরা তো মোটে খেতেই পেতনা। তখন কাউন চিনা বাজরা এসব কিছু ফাক সময়টাতে মানুষ ভাতের বদলে খেত। সেটা বড় গৃহস্থদের ঘরে-ই থাকতো। ভাদ্র আশ্বিন ও কার্তিক এই প্রান্তিকটা ছিল ভীষণ অভাবের কাল। আমাদের দেশে ইরিগেশন হবার আগ পর্যন্ত অর্থাৎ ৭০ এর দশক পর্যন্ত। অতপর যুদ্ধোত্তর ৭৪ পর্যন্ত বাংলার গ্রামীণ জীবন খাদ্য পুষ্টি ও সর্বোপরি আউশের মৌসুম বনজ ও রবি শষ্য নির্ভর ছিলো। গরীবরা বিলের মাছ শাপলা বনজ শাকসব্জি লতা পাতা খেয়ে জীবন ধারন করতো। যেমন- কচু শাক লতা ছড়া সেটে আলু থানকুনি শাক মেঠো শাক বন পুঁই ঢেকি শাক হেলেঞ্চা কলমী এসব খেতো। আর এতে করে মানুষের কলেরা (ওলা ওঠা) লেগেই থাকতো। বিগত তিন দশক ধরে ইরি আউশ মৌসুমে ইরি প্রচুর পরিমাণ ফলন হওয়াতে মানুষ খেয়ে পরে বাঁচতে পারছে।

     

                    আবার হেমন্তকালে আমন আসে। শীত ও হেমন্ত কেটে যায় বাংলার গ্রামীণ মানুষের মোটামুটি ডাল ভাত মাছ তরকারী খেয়েপরে এক প্রকার সুখে। শহুরে মানুষের কোন মৌসুমের বালাই নেই। সেখানে শীত গ্রীষ্ম শরৎ হেমন্ত বসন্ত সব এক রকম। সেখানে ভোক্তারা এসবের ধার ধারে না। এসব উৎকন্ঠা ব্যবসায়ীরাই সামলে থাকে। এ জন্যই প্রবাদ বলে যদি পড়ে কহর/তবু না ছাড়ি শহর।

     

                    আবার ফাল্গুন চত্রি মাস বসন্তকাল। এই সময়টাও একটা ফসলের ফাক সময়।  এই সময়ও মানুষ পুনরায় অভাব কবলিত, বসন্ত খরার মৌসুম। এই  সময়  প্রকৃতিও  ভীষণ  অফলা  বলে বনজ

    কিছু নেই। নদী সোঁথাগুলো শুকিয়ে যায়। তখন একটা জিনিষ শুকিয়ে যাওয়া নদীতে পাওয়া যায় তা হচ্চে শালুক ও পদ্ধের বীজ। এসব পুড়িয়ে রান্না করতো আগে। বিশেষ করে বনকচুর ছড়া খুবই উপাদেয়। এসব গৃহস্থরাও গরীবদের নিকট চালের বিনিময়ে টাকার বিনিময়ে সংগ্রহ করে সখ করে রান্না করে খেতো। এর ফলেই বীজ ধ্বংস হয়ে শাপলা পদ্ম কচু দিন দিন বিলুপ্তির পথে।

     

    এখন আবার দেখা যাচ্ছে শাপলা ও পদ্ম ফুল শহরে কেউ কেউ তুলে এনে বিক্রি করছে। কিন্তু এই ফুল দুটি জলজ ফুল হওয়াতে  এটা দিয়ে গাড়ী বা তোরণ সাজানো যায় না। কারণ এর সজীবতা ভীষণ ক্ষণস্থায়ী। এভাবে যদি বিল থেকে উজাড় করে শাপলা পদ্ম তুলে আনা হয় তাহলে এক সময় প্রকৃতির কোল থেকে এ ফুলও হারিয়ে যাবে।

     

                    পৌরানিককালের গল্প, কোন যুবক, রাজ কন্যার প্রেমে পড়লে, প্রেমের অভিপ্রায় পূর্ণ হবার মানষে ঋষীর স্মরনাপন্ন হলে, ঋষী বলতেন “হে বৎস, একশো একটা নীল পদ্ম যদি দেবতার পায়ে অর্ঘ্য দিতে পার তবেই প্রেমে জয়ী হবে”। আসলে কি নীল পদ্ম ছিলো? নাকি প্রেমের অর্ঘ্য দিতেই নীল পদ্ম বিলুপ্ত হয়ে গেছে? আসলে কথাটার অর্থ মনে হয় অসাধ্যকে সাধন করা। নীল পদ্ম বলে কিছু ছিল না। তবে আমরা এই তিন দশক আগেও বিলে শ্বেত পদ্ম দেখেছি, এখন আর নেই বললেই চলে। অবশিষ্ট রইলো গোলাপী পদ্ম। তবে এখন বিরল হয়ে যাচ্ছে ক্ষুধার অর্ঘ্য দিতে গিয়ে।

     

                    বাষ্পায়িত বিলের পানি শিশির হয়ে শিউলী আঘ্রান করার জন্য বাড়ীর আঙ্গিনায় আসতো। এখন বিভিন্ন কারণে শিউলীর স্থান বাড়ীর আঙ্গিনা থেকে সড়ক দ্বীপে হয়েছে। তাই শিশিরের প্রেমভারে সদ্য ফোটা শিউলী আর লুটিয়ে পড়ে না আঙিনায়।

     

                    ধীরে ধীরে শ্রষ্ঠার দান এ সুন্দর প্রকৃতি আমাদের চারিপাশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে, আমাদেরি নিধন যজ্ঞে। আসুন আমরা সকলে মিলে আল্লাহপাকের দান এই প্রকৃতির ঐশ্বর্ষকে আমাদেরি প্রশান্তির স্বার্থে লালন করি।

     

    ষড় ঋতুর প্রত্যেক ঋতুই আমাদের জন্য বিধাতার আশীর্বাদ স¦রূপ। জন্ম আমার ধন্য হলো মা----গো---- এমন করে আকুল হয়ে আমা---য় তুমি ডাকো। সত্যি আমাদের দেশের এই ঋতু বৈচিত্র অন্তর মন মন্থন করে আনন্দ অশ্র“ ঝরায় আর সে অশ্র“ই যেন ঘাসে ঘাসে পদ্ম পাতায় টলমল শিশির হয়ে খেলা করে। অনন্য হে শ্রষ্ঠা তুমি আমাদের দান করেছো এতো সুন্দর প্রকৃতি। সেটাকে লালন করার জন্য আমাদেরকে তুমি ক্ষমতা দাও। 

     

     

    ------------------

advertisement