বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।
Photo
জন্মদিন: ২৩ এপ্রিল ১৯৭০

হাতে হাত

  •  

     

     

    (অণুগল্প )

    মনের মধ্যেই লুকানোই ছিল বিরক্তি । মিহি পরীক্ষা দিয়ে বেরোতেই ঝরে পড়ল ।
    বার বার বোঝানোর চেষ্টা করল – আমি ঠিকই করে দিয়ে এসেছি । প্রশ্নটাই একেবারে সঠিক নয় । তাই আমি উত্তরের ঘোরপ্যাঁচে পড়ে যাই ।
    প্রতীপ কিছুতেই বুঝতে চায় না। পেছনে টানে – পড়াশোনায় মন নেই 
    । শুধু কম্পিউটারে গেম খেলা । ফোনে খুটুর খুটুর করা । এ সব করে কি হবে ? অক্ষর না গিললে কি করে বড় হবি ? কি করে শিখবি ? আজকাল সব গোল্লায় যাচ্ছে । দেশের দশের হল কি ?
    একটানা কথার ফাঁকে কিছু শুনবে না তাই মিহি হজম করে । কথার মাঝে বেশ রাগও যে ঝরে পড়ছে । মনে পড়ল মার কথা । মা থাকলে চুপ করেই যেত বাবা । অথবা মার সাথে কিছু কি হল ? তাই ভাবতে ভাবতে প্রতীপকে জরিপ করতে লাগল মিহি । ঠিক অতটা বুঝতে পারল না 
    । তবে আরো কি সব এটা ওটা বলতে বলতে টিফিনটা মিহির হাতের উপরে একটু বেশ জোরেই রাখল ।
    এবার মিহি কারনটা বুঝল । তাই হ্যা হ্যা করে হেসে ফেলল । হাসি দেখে প্রতীপের আরো রাগ – কি হল কি ? একে ভুল করেছিস তাতে আবার হ্যা হ্যা । চুপ ।
    - মা কে বড্ড ভালোবাসো , তাই না বাবা ?
    - এখানে এর মাঝে এ সব ? বড্ড পাকা হয়েছিস ? জীবনে আরো অনেক পরীক্ষা বাকি । সব সময় আমি থাকব না ? লড়াইটা যাতে চালিয়ে যেতে পারিস 
    । তাই বলা । তুইও বড় হয়েছিস ? মাকে বলিস ? চল বাড়ি চল ।
    মিহি আরো শক্ত করে প্রতীপের হাতটা চেপে ধরল ।