ব্যক্তিগত তথ্য

নামের প্রথম অংশ সমাধিরঞ্জন
নামের শেষ অংশ ---
লিঙ্গ পুরুষ

যে নামে সার্টিফিকেট তৈরী হবে

সার্টিফিকেট নাম সমাধিরঞ্জন

ব্যক্তিগত তথ্য

আমার কথা উনিশশো পঞ্চান্ন ২৩ শে সেপ্টেম্ব্যর (মা বলতেন যে বছর দুর্গা পুজা হয়েছিল কার্তিক মাসে) –এ হতভাগা ভূমিষ্ঠ হয়েছিল জলপাইগুড়ির ফুলবাড়ি নামে কোন এক গোত্রহীন কসবায়। তৃতীয় পুত্র, চাওয়া না চাওয়ার ধন। বিভিন্ন মাইক্রো ভাইর‍্যসে আক্রান্ত হওয়া সত্বেও। মালদা মহাবিদ্যালয় (তখন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত) থেকে বি.কম.। একটি সরকারী ব্যাঙ্কে সরাসরি অধিকারি পদে চাকরি। পরে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও সেন্ট জেভিয়ার্স থেকে সংক্ষিপ্ত কম্প্যুট্যর কোর্স। এর পর দেশের উত্তর দিকে পাড়ি, আর ফিরে দেখা হয়নি। মনে হয় প্রবাসেই জীবতারা খসবে। যদিও পুরো বিশ্বই আমার স্বদেশ। বাড়ি থেকে পালাবার স্বপ্ন অনেকবার দেখেছি, কৃতকার্য মাত্র দুবার হয়েছিলাম। তখনই উপলব্ধি করেছিলাম, কোন কাজে সাফল্য আনতে হলে স্বপ্ন দেখা জরুরি।

ইচ্ছে ছিল চিত্র পরিচালক হবার। এখনও পর্যন্ত সব চেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। যার জন্যে বিদেশী বই পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক বাইরের অ্যন-সেন্সরড ছবি দেখি সাউথ ক্যালকাটা ফিল্ম সোসাইটির সদস্য হয়ে। ছোট্ট যখন তখনি এক সময়ে জন্মবেড়ি ভেঙ্গে দিই আকাশ পানে উর্ধবাহু। সাহিত্য চর্চায় অনুপ্রেরণা বাবার কাছ থেকে। তর্ক করতাম বলে সাড়া দিতাম ‘পন্ডিত’ ডাক শুনলেই। এই সাহিত্যানুরাগ ভেঙ্গে যায় গুড়িয়ে চুর চুর হয়ে যায় যখন গলায় পরতে হয় মালা। লুকিয়ে লুকিয়ে নিঃশব্দে এগিয়ে এতদূর এসেছি।

জাত ধর্ম বর্ণে একদম বিশ্বাস নেই। বিশ্বাস নেই পুজো আচ্চায়। তবে ঐশী শক্তির ব্যাপারে মন দ্বিধাবিভক্ত সন্দিগ্ধ দ্বিখন্ডিত।