জালাল সাহেবের খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু আফজাল সাহেব । তিনি বর্তমানে একটা এতিম খানার সুপার । তার রুমেই বসে কথা চলছিল দু’বন্ধুর মধ্যে । পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল আব্দুল । তার মতই এতিম খানার আর সব বসতি তাকে আবাল বলেই ডাকে ।
-
গল্প
জালালের দুঃখমোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ -
গল্প
দুর্বলতামোঃ মোজাহারুল ইসলাম শাওনচাকুরি জীবনের ১০ বতসর পর বাবা মৃত্যু সজ্জায় শুয়ে শুয়ে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে বিবাহের কথা সামনে আনে।ত্রপা বিনীত কন্ঠে বাবার হাত খানি ধরে বলে, বাবা আমি এখন চাই তোমার সুস্থ্যতা নিয়েই শুধু আলোচনা হোক
-
গল্প
তারকাঁটাদেবজ্যোতিকাজলরুহুম ঋজু কাধে হাত রেখে বলে - এনি প্রবলেম?
ঋজু রুহুমের দিকে অপলোক দৃষ্টিতে তাকায় কিছু একটা বলার চেষ্টা করে , কিন্তু বলতে পারেনা -
গল্প
স্থায়ী ঠিকানারীতা রায় মিঠুঠিকানাহীন হওয়া বড়ই বেদনার, অত্যন্ত কষ্টের, ভীষণ দুঃখের। কারো স্থায়ী ঠিকানা না থাকা অপরাধের পর্যায়ে পড়েনা, এটি একটি সামাজিক এবং রাষ্ট্রিয় ব্যর্থঁতা। দেশে আমাদের পূর্বপুরুষের ভিটে ছিল, বাড়ি ছিল, স্থায়ী ঠিকানা ছিল। সামাজিক এবং ধর্মীয় বৈষম্যের কষাঘাতে সে ঠিকানা বেদখল হয়ে গেছে।
-
গল্প
দুঃখের সীমা রেখামোহাম্মদ আহসানহাজার বছর আগেই
সূর্য্য চলে গেছে পাটে
চোখ বন্ধ করে পরে আছি
যেন শতাব্দির নির্ঘুম রাত
শব্দেরাও ঘুমিয়ে গেছে
সারা দিনের ব্যস্ততায়, -
গল্প
আজন্ম দুঃখ অতঃপর নির্বাক কান্নারিফাত বিন ছানাউল্লাহ্আজ অবদি একটা পশুর দেহে আবদ্ধ থাকা তোর প্রাণটা এখন আত্মা হয়ে কোথায় গেছে কে জানে, আত্মা তো আর পশু নয়! তুই ভালো থাকিস্, নিশ্চই আমার সাথে তোর আবার দেখা হবে। দুঃখ করিসনা, তবে হ্যাঁ; আজকের দিনের জন্যে আমাকে ক্ষমা করে দিস্ ...
-
গল্প
পূর্ণপাত্রমিলন বনিকমানুষের মন বলে কথা।
মনের কোন সীমাবদ্ধতা নেই। গতি প্রকৃতি বোঝার সাধ্যও নেই। মন যে কখন কাকে ভালোবাসে, কাকে ভালো লাগে, তা একমাত্র যার মন সেই জানে। যার ভাবনা সেই বলতে পারবে। হাত পা চোখ কান সব কিছুর উপর খবরদারি চলে, -
গল্প
মৃত্যুর কয়েক দিন আগেফয়সল সৈয়দ-আব্বু উঠ। নাস্তা খেতে উঠ। মমতা পরম আদরে ছেলে আদনানের মাথায় হাত বুলায়।
-প্লিজ আম্মু, আমাকে আরেকটু ঘুমাতে দাও।
-আব্বু নাস্তা খেয়ে ঘুমাও। নাহলে শরীর খারাপ করবে যে। আদনান মায়ের কথার তোয়াক্কা করে না। কিন্তু মা মমতা ছেলেকে দু-হাতে শক্ত করে ধরে কোলে তুলে নেয়। আদনান মায়ের কোলে হাত পা নাচাতে থাকে। -
গল্প
অসম্পূর্ণ মানবমাহমুদ সজীবপূর্ণিমা রাতের কেমন যেন আলাদা একটা অনুভূতি আছে। এখন আবার শরতকাল, চারদিক থেকে মাদকতা পূর্ণ একটা আবেশ আসে। সবাই খোলা আকাশের নিচে আড্ডা দিচ্ছে, একসাথে গান ধরছে,
-
গল্প
দুঃখের ধারাMir An-Nazmus Sakibবারান্দায় চেয়ার পেতে বসে তাকিয়ে আছি বাইরের দিকে। বর্ষার শেষ মুহূর্ত। কাল থেকে শুরু হবে শরৎ। যদিও বৃষ্টির ছিটেফোঁটাও নেই। মৃদু বায়ে যেন বইছে শরতের স্নিগ্ধ হাওয়া। সে হাওয়া ছুঁয়ে যাচ্ছে আমার প্রতিটি শিরা-উপশিরাগুলোকে। এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি। চোখগুলো ঝাপসা হয়ে আছে ভেতরে ভেতরে।
অক্টোবর ২০১৫ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
