২৫ এ চৈত্রের বৃষ্টিস্নাত সকাল।ঝমঝমে বৃষ্টির মধ্যে শহরের পশ্চিমপাশের মানসিক হাসপাতালের আধভেজা বেলকনিতে পড়ে আছে একটি নিথর প্রাণহীন দেহ।হাতের শিরা উচকে পড়া রক্তে রঙিন হয়ে আছে মেঝে।সাদা শার্টের নিচটাও রঙিন হয়ে আছে ভালোবাসার রঙিন অথচ কঠিন আলাপনে।দখিনা বাতাস থেকে থেকে এসে ছিটকা জলের ফোটা লাগিয়ে দিয়ে যাচ্ছে মুখে।বৃষ্টির ধারায় চুইয়ে চোখে পড়া ফোঁটা ফোঁটা জলই যেন ঐ প্রাণহীনের শেষ কান্না,সুখের কান্না....
-
গল্প
শেষ চিঠিUmme Habiba -
গল্প
পিতাম নি র মো হা ম্ম দহোসেন স্যারের বড় ছেলে রিফাত আজ তিন বছর হল বিদেশ থেকে এসেছেন এসেই আলাদা বাসা নিয়ে চলে গেছেন। যাওয়ার আগে বলে গেছেন, এই আদিকালের বাড়ি তার শশুর বাড়ীর লোকজন পছন্দ করছেন না। তাই তারা তাদের মেয়েকে একটা ফ্ল্যাল্ট কিনে দিচ্ছেন।
-
গল্প
বাবারা এমনই হয়নুরুন নাহার লিলিয়ানবছর ঘুরতে থাকে । আব্দুস সাত্তার একা হতে থাকে ক্রমশ ।
চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি ঠিক করেন গ্রামে থাকবেন । গ্রামের বাড়িতে একটা ছোট গ্রন্থাগার তৈরি করে সেখানেই চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন ।
কিন্তু সাহিলের ভীষণ রকম এই সিদ্ধান্তে বিরোধিতা থাকে । -
গল্প
প্রতিশ্রুতিরঙ পেন্সিলআমজাদ মাষ্টার ঝোপঝাড়ের পেছনটায় দাঁড়িয়ে বাড়ির ভেতর উঁকিঝুঁকি মারছেন। তার মেয়ে অন্তরার ঘরের জানালা খোলা। কিন্তু অন্তরার দেখা নেই। কি করছে মেয়েটা? এতক্ষনে একবার ও জানালার সামনে আসেনি। কোন অসুখবিসুখ করে18631নি তো?
-
গল্প
বাবা কতদিন দেখি না তোমায়Md Abu Sayed‘আব্বার সেকি উৎসাহ! যুদ্ধ পরিস্থিতি একটু ভাল তখন। সবাই মিলে বেড়াতে যাব, কপোতাক্ষের পাড়ে। পরিবহন বলতে তখন রিক্সাভ্যান - সবাই চেপে বসেছি। আব্বা অনবরত কথা বলে যাচ্ছেন - একে ওকে বকাও দিচ্ছেন। মাঝে মাঝে গুনগুন করছেন দু’এক ছত্র। আহারে! স্বপ্নের মত মনে হচ্ছে এখন।’
-
গল্প
বাবার ও তার বাবা থাকেআরিফুল ইসলাম রনিআমার বাবা একজন রাজনীতিবিদ। জন্মের পর থেকে বাবার ভালবাসা পাই নি। খুব ব্যাস্ত থাকে। রাত করে ঘরে ফিরে। আমি তখন ঘুমিয়ে যাই। কখনো কখনো রাতে ঘুম ভাঙে বাবা মা এর ঝগড়া শুনে। আমার বাবাকে আমি খুব কম ভালবাসি। আমার আম্মু আমার সব খরচ চালায়। আর বাবা যা আয় করে তা দাদু বাড়িতে সব ব্যয় করে।
-
গল্প
পুনর্মিলনJamal Uddin Ahmedহ্যাঁ, আমি শেষপর্যন্ত বাধ্য হয়েই বাড়িতে চলে এসেছি, তোমাদের মুখ কোনোদিন দেখব না সে দিব্যি দিয়েও এসেছি। আমি জানতাম, বাসা পরিবর্তন করলে তোমার জন্য জীবন আরও কঠিন হয়ে যাবে। তাছাড়া তোমরা চলে গেলে আমি একাকী বাসায় থাকব কেমন করে?
-
গল্প
বিষাণ ওঝা ও তার স্বপ্নের সন্ততিসুপ্রিয় ঘোষালএকসঙ্গে পাঁচজন ওঝা তাকে ঘিরে নাচছে। তার সঙ্গে ক্রমাগত মাদল আর নাকাড়া পেটানোর একঘেঁয়ে শব্দ ক্রমশ গ্রাস করছে তার চেতনা। কিন্তু কৃশানুর মনে হচ্ছে যেমন করেই হোক তাকে সচেতন থাকতেই হবে নয়ত অমোঘ মৃত্যুর করাল গ্রাস থেকে রক্ষা নেই তার। ঐ শব্দ আর ওঝাদের ঘুরে ঘুরে নাচ তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলছে।
-
গল্প
বাবার ঋণরওনক নূর
সন্তানরা আজ কত বড় হয়ে গেছে। বাবার ঋণ শোধ করতে তারা কত কি করছে। কত টাকা খরচা করছে। কিন্তু বাবার ক্লান্ত দুটি চোখ হাসপাতালের কেবিনে প্রতিটি দিনই তার সন্তানদের দেখার জন্য অপেক্ষা করে। খুব স্বাদ হয় ওদের বুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে। ওরা কি আজ বুঝেনা যে ওদের বাবার ওদেরকে ছেড়ে থাকতে খুব বেশি কষ্ট হয়। -
গল্প
প্রকৃতির প্রতিচ্ছবিসেলিনা ইসলাম N/Aসেই শৈশবে লাগানো বীজটা শত শত দিনের পরেও আজও ফুল ফোঁটায়! সেসব ফুলের সৌরভে বারবার মন ভারি হয়ে আসে। বর্তমান সময়ের "বাবা দিবস" এই কষ্টটা আরও বাড়িয়ে দেয়।
জুন ২০১৯ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“জুন ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ জুন, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
