দু্:খ ভূলানোর মহাঔষধ,
বাবার মত নাই।
স্মৃতিভরা আকাশ সমান,
বাবার মত কই!
-
কবিতা
বাবামাসুম পান্থ -
কবিতা
বিয়োগান্ত যন্ত্রণাss ccপিতার রাত এখন দুঃস্বপ্নের আগুনে পুড়ে ছাই।
চোখের পাতা দুটো যেন খনিজ পাথর
স্পর্শেই
জেগে ওঠে দহন-যন্ত্রণা।
মৃত্যুর গন্ধভরা আবেগে ভরে ফুসফুস।
লাখ লাখ স্মৃতির চাপাতি চারপাশে
ঘুরছে, ঘুরছে অবিরাম। -
গল্প
বাবার ও তার বাবা থাকেআরিফুল ইসলাম রনিআমার বাবা একজন রাজনীতিবিদ। জন্মের পর থেকে বাবার ভালবাসা পাই নি। খুব ব্যাস্ত থাকে। রাত করে ঘরে ফিরে। আমি তখন ঘুমিয়ে যাই। কখনো কখনো রাতে ঘুম ভাঙে বাবা মা এর ঝগড়া শুনে। আমার বাবাকে আমি খুব কম ভালবাসি। আমার আম্মু আমার সব খরচ চালায়। আর বাবা যা আয় করে তা দাদু বাড়িতে সব ব্যয় করে।
-
কবিতা
বাবাই মহানরবিউল ই রুবেনযতই বলি কঠোর
যতই বলি শাসক।
বাবা তো বাবা
রাখেন সব আবদার
ক্ষমা করেন বারবার -
গল্প
আমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা হতে চাইএলিজা রহমানরাশেদ জানত না যে মানুষের হাতে তার সুখের চাবি থাকে না , থাকে অন্য কারো হাতে । ফ্যামিলির সুখের জন্য রাশেদ দিন রাত কঠোর পরিশ্রম করা শুরু করে । এরমধ্যে রাশেদের ঘরে আরেকটা সন্তান এসেছে । দেশ থেকে এসেই সেলিনা ফ্রান্সের হাওয়ায় নিজেকে অত্যাধুনিক রূপে পাল্টে ফেলে । তার কিছু স্তাবকও জুটে যায় কাজ করার সূত্রে । সে নিজেকে মর্ডান আর স্মার্ট মনে করতে থাকে আর রাশেদ হয়ে যায় ব্যাকডেটেড, আনস্মার্ট।
-
গল্প
প্রতিশ্রুতিরঙ পেন্সিলআমজাদ মাষ্টার ঝোপঝাড়ের পেছনটায় দাঁড়িয়ে বাড়ির ভেতর উঁকিঝুঁকি মারছেন। তার মেয়ে অন্তরার ঘরের জানালা খোলা। কিন্তু অন্তরার দেখা নেই। কি করছে মেয়েটা? এতক্ষনে একবার ও জানালার সামনে আসেনি। কোন অসুখবিসুখ করে18631নি তো?
-
কবিতা
বাবার স্বর ও সুরসমূহনূরনবী সোহাগফজরের পবিত্র আবহাওয়ায়
বাবার ঘ্রাণ বয়
তার কণ্ঠ নিয়েছে
একে একে সকল মুয়াজ্জিন
-
গল্প
বিষাণ ওঝা ও তার স্বপ্নের সন্ততিসুপ্রিয় ঘোষালএকসঙ্গে পাঁচজন ওঝা তাকে ঘিরে নাচছে। তার সঙ্গে ক্রমাগত মাদল আর নাকাড়া পেটানোর একঘেঁয়ে শব্দ ক্রমশ গ্রাস করছে তার চেতনা। কিন্তু কৃশানুর মনে হচ্ছে যেমন করেই হোক তাকে সচেতন থাকতেই হবে নয়ত অমোঘ মৃত্যুর করাল গ্রাস থেকে রক্ষা নেই তার। ঐ শব্দ আর ওঝাদের ঘুরে ঘুরে নাচ তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলছে।
-
গল্প
অমরত্ব ভালবাসাBristy Meghblikaআবার তাদের ভালবাসার মধ্যেও দ্বন্দ্ব চলত। তাদের পরিবারের জন্য। আসলে তারা দুজনেই দুজনকে চাইত ঠিকই কিন্তু বাবা মায়ের কথা ও শুনতে হবে তাই তাদের ভালবাসার মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে চাইত দীপক। কিন্তু পেরে উঠত না। কারণ কোনো এক অজানা অলৌকিক শক্তি দীপককে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিত যে আরতি ছাড়া অন্য কাউকে তার সাথে বিয়ে হতে পারবে না।
-
গল্প
বাড়ি ফেরারীতা রায় মিঠুসেই বৃদ্ধ এখন এয়ারকন্ডিশন্ড রুমের বেডে পা ঝুলিয়ে বসে আছে, মেয়ে তার বাবার হাত পা ম্যাসাজ করে দিচ্ছে। এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য বুঝি আর হয়না! মির্জা সাহেবের চোখ একটু জ্বালা করে উঠলো। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার উনি, এত নামী দামী হসপিটালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান, তাঁর চোখও সুন্দর দৃশ্য দেখে ভিজে ওঠে!
জুন ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "স্বাধীনতা”
কবিতার বিষয় "স্বাধীনতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারী,২০২৬
এ যাবত
প্রতি মাসেই পুরস্কার
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
-
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।
