নির্দিষ্ট কাউকে চিনি না তো এই শহরে,একটা ভয় কাজ করে মনের নিভৃত কোণে,
তাবৎ মুখগুলো বড় অচেনা প্রতিদিনই, যান্ত্রিক সময় এলোমেলো ছুটে যায়
দিক্বিদিক ভোরের নরম রোদ হারিয়ে গেছে কবে,ভয়-ভয় করে চিৎকার দেয় নদী,
কুয়াশা এখন স্মৃতিপটে সামান্য আস্থা পাথরবুকে,
একটা মানুষও নেই মুখোশ ছাড়া, আগামীর স্বপ্নগুলো সাঁকোর ওপর যাচ্ছেতাই ভাবে,
ফসলের মাঠে নেশাতুর শকুন জীবনের শে¬ষ,
সর্বনাশা শূন্যতা সর্বাঙ্গে স্বজন নেই এই শহরে শুধু অমানিশা,
আন্দোলিত করতে পারে না কোনও পোশাকি বাউলের গান,
কেমন সব শিরোনামহীন মানুষ খাপছাড়া সৌন্দর্য,
কে পারে ভুলিয়ে রাখতে আমাকে স্বপ্ন আর স্বপ্নের জাজিমে,
সামনের কার্নিশে একটা বিপজ্জনক চিত্র মাথা তুলে দাঁড়িয়ে,
চোখের পাতা ঝাপসা হয় শহুরে সভ্যতা ক্রমে ক্রমে ক্ষয়ে যায়
ভূমিদস্যুদের কুটিল চালে, তারপরও নির্বিকার বনের টিয়া-কাকাতুয়া নিজের ঠোঁট কামড়ায়,
বিক্ষিপ্ত অক্ষরগুলো জ্বলজ্বল করে শেষঅবধি,
শঙ্কিত হতে হতে একদিন আরশোলা হবে নদী-সাগর আর অমীমাংসিত ছিটমহল,
হারিয়ে যাবে তারপর দোলায়িত ছন্দে চাঁপাফুল-নোম্যানল্যান্ড...