লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৪ জানুয়ারী ২০১৯
গল্প/কবিতা: ৩৩টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftভৌতিক (নভেম্বর ২০১৪)

ভূতুড়ে চেয়ার
ভৌতিক

সংখ্যা

মোট ভোট

ছন্দদীপ বেরা

comment ১০  favorite ০  import_contacts ১,০৫৮
চেয়ার আর সুইচবোর্ডেরও একটা সম্পর্ক থাকে তা কেবল দীনেশবাবু ছাড়া আর কেউ জানে না ।
কলকাতার এক ছোট অফিসের কেরানি । খুবই কৃপণ । প্রয়োজনীয়তা বুঝলেই কম দামে যা পায় তাই কেনে ।
একদিন অফিস থেকে ফেরার সময় দাঁড়িয়ে পড়ে এক ভাঙরির দোকানে । একটা চেয়ার দেখেই পছন্দ । খুব টানছে । না থাক ।
পর দিন আবার দেখতে পেল । ঘরেও একটা চেয়ার দরকার । বেশ মজবুত মনে হল । এই ভাবে একদিন নিয়েই বাড়িতে ঢুকল ।
হাত মুখ ধুয়ে চা নিয়ে যেই বসেছে বিদ্যুৎ গেল চলে । কি আর করা যাবে হাতড়ে চা নিয়ে চেয়ার থেকে উঠতেই বিদ্যুৎ এসে গেল । ‘যাক বাবা’ বলে চেয়ারে বসতেই আবার বিদ্যুৎ চলে গেল । এ রকম বার চার পাঁচ হওয়ার পর বিরক্ত হয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে চা গেল ।
দীনেশবাবুর মনে খটকা লাগল তাদেরই কেবল বিদ্যুৎ যাচ্ছে ব্যাপার কি ? চেয়াটাই কি ? বারান্দায় টেনে নিয়ে গিয়ে বসতেই সারা পাড়াতেই বিদ্যুৎ চলে গেল ।
তড়াক করে চেয়ার থেকে উঠে পড়ল । হ্যাঁ । ঠিক বিদ্যুৎ এসে গেল । গরমে এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট আর চিৎকারের মাঝেও ব্যাপারটা বাড়ির কাওকে জানতে দিল না । চেয়ারটাকে বারান্দার এক কোনায় রেখে দিল ।

শুয়েও ঘুম আসে না । এ কি ভূতুড়ে কাণ্ড রে ভাই । কম দামে কষ্ট করে এনেই ফেঁসে গেলাম । আধো আধো ঘুমে দেখল বাইরে কি যেন জ্বলছে আলোর ছটা । ভয়ে ভয়ে বারান্দায় মুখ বাড়িয়ে দেখে – হ্যাঁ , চেয়ার থেকেই ।
চেয়ারটাই আকাশবাণীর মত শোনা না শোনার মত করে বলছে – আমি জাদুকর প্রমথ মুখোপাধ্যায়ের চেয়ার । এতে বসো না । কেউ বসে পারে না । এর তড়িৎবর্তনী পৃথিবীর তড়িৎচুম্বকীয় আবেশের সাথে নানান ভাবে যুক্ত । বুঝলে !
কোন কিছু বিতর্কে না গিয়ে নির্ঝঞ্ঝাট দীনেশবাবু পরদিন চেয়ার বেচে দিলেন । কারও কোন বাধা শুনলেন না ।
আর কম দামে অন্য কারো ব্যবহার করা জিনিস না কিনে দীনেশবাবু চেয়ার ও ভূতের ভয় কাটিয়েছেন ।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement