থোকা থোকা বেগুনী রঙের পাপড়িতে ছেয়ে গেছে জারুলের ডালগুলো
আর বাতাসের দোলনায় দোল খেতে খেতে
ঝির ঝির শব্দ তোলা পত্র-পল্লব সত্যিই যেন‘ভরত নাট্যম’ মুদ্রায় নৃত্যরত এখন।
আমার কি চোখ আছে সেগুলো দেখার
নাকি আছে মন ?
পঞ্চাশটা মাইল ফলক ছুঁই ছুঁই করছে যখন বয়সের রেলগাড়ীটা
আবেগের পাপড়িগুলো যেন রসহীন পিঙ্গলশুকিয়ে যাওয়া বাগান বিলাস
পড়ে আছে অবহেলায় ঘাসের গালিচায়,
একটা টোকা লাগলেই যেন হুড়মুড় করে চুরমার হয়ে যাবে এখনই ।
তবুও আজ মুঠোফোনে সাড়া দিতেইতোমার মুখাবয়ব,
তোমার বেগুনী ঠোঠগুলো যখন আমার কুশল জানতে চাইলো
হঠাৎ করে যেন সেই জারুলের থোকাগুলো
চিৎকার চেচামেচি করে আমাকে ডাকতে শুরু করলো,
হৃদয়ের তারে তারে সেই জারুল পাতার ‘ভরত নাট্যম’এ তাল দিতে
কেমন যেন সুরের মূর্ছনা জেগে উঠলো,
আর বাগানের ঘাসে পড়ে থাকা শুকনো বাগানবিলাসের পাপড়িগুলো
হঠাৎ করে কোত্থেকে রসে টইটুম্বুর হয়ে
সুন্দর বেগুনী রঙের নজরানা নিয়ে যেন নড়েচড়ে উঠলো…
জানি তুমি হয়তো এসব শুনে বলবে-
‘তোমার কি ভীমরতি হলো নাকি,
ঠোঠটাকে অনেকদিন পর একটু রাঙিয়েছি বলে
এমনকরে বলবে’?
-‘না না তুমি লজ্জা পাচ্ছো কেন,
এখনোত তোমার কপোলটা ঠিকই আগের মত
লাজে রাঙা সেইটিই আছে’,
আমারই কেবল লাজ-শরমের মাথা খেয়ে
তোমাকে প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে ‘আমি কি ফুরিয়ে গেলাম’?
এই চোখ তেমন করে কেন তোমাকে দেখেনা এমন…