উদগিরনের পর যেভাবে নিশ্চুপ হয়ে দাড়িয়ে আছে বিসুভিয়াস
যদিওবা ছাই হয়ে গেছে পম্পেই
সেরকমই নিরুত্তাপ হয়ে যাবো আমি
আমার লোভ, আমার শেন্য চোখ, কেড়ে খাওয়ার আকাঙ্খা, ক্ষমতার দাপট
সব কিছু ছেড়ে ছুড়ে আমি চন্দ্রঘোনার শীতল কর্ণফূলী হয়ে যাবো
যেমন করে এবড়ো থেবড়ো লুসাই পেরিয়ে থিতু হয়েছে কর্ণফুলী।
আমাকে আরেকবার শাষন করো মা…
আরেকবার তোমার কঠোরতায়
পুকুর পাড়ের নিশিন্দা’র ডাল দিয়ে, আমার খোলা পিঠে
চাপকে আমার খাল তুলে নেবে বলে, আমাকে আরেকবার শাসাও
আমাকে আরেকবার শাসাও মা।
আমার ঘাড় ধরে তুমি আরেকবার চোখ লাল করে বলো
‘এই পড়াটা শেষ না হলে তোর কিন্তু আজ ভাত বন্ধ মনে রাখিস’
আর পারছিনা মা, এক পঙ্খিল পথে
জীবনের দেনা পাওনার হিসেব নিকেষ কষতে কষতে আমি বড় ক্লান্ত মা।
আবার সেই ছোট্ট খোকা হয়ে
তোমার কোমড় জড়িয়ে ধর কেঁদে কেঁদে আমাকে একটু হালকা হতে দাও
স্কুল পালিয়েছি বলে ভাইয়াকে পাঠিয়ে
যেভাবে আমাকে হাত-পা বেধে তুলে নিয়ে গিয়েছিলে
সেরকম কি আরেকবার কঠোর হতে পার না তুমি?
অসৎ পথে বখে যাওয়া এই গোঁয়াড়টাকে শাস্তি দিতে
আরেকবার তুমি ভাইয়াকে পাঠাও মা…
আত্মবিলাসে বিভোর, সম্পদ বিনষ্টকারি তোমার এই অবাধ্য সন্তানটাকে
এবারতো একবার প্রায়চিত্তের সুযোগ দাও, তোমার অবাধ্য হয়ে আর বাঁচতে চাই না
এভাবে মুখ ফিরিয়ে নিও না মা
তোমার কঠোর শাসনে যেন আমি ফিরে পাই সেই অনুভূতি
তুমিই আমার মা, মা আমার মাতৃভূমি, আমার দেশ
আমর উচ্ছাস আমার ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল
যেন ফিরে আসি আবার মা মাটি মানুষের কাছে।