শিশির ভেজা ঘাসের মতো, লোমশ বুকে
দেখো লেপ্টে আছে কতো মায়া, কতো অনুরাগ।
শুষ্ক অধরটা যদি সিক্ত করো, যদি একবার ছোঁয়াও অনামিকা
পরশের উদগ্রীব মরুভুমিটা হয়তো হয়ে যাবে
সবুজ ভেলভেট উদ্যান।
আবেগের বাথান জুড়ে ঝুলে থাকা প্রেম
নবান্নের মতো কেই-বা তুলে নেবে ঘরে ।
বাম পাশের শুন্য বিছানায় যদি ঘোর লাগে হাতড়ে নিতে পরশ
আর কতদুরে যাবে, পুষ্পহীন কাঁটা ভরা পথে…।
দখিনার বাঁশি শুনে এই দেখো
দোল খাওয়া কাশ ফুলের মতন, কেমন করে ছটফট করে কাতর আবেগ,
এতো অভিমান নয়, এ তোমার অবহেলা ।
আমাকে দুরে দেখে রক্তরঙা করবী’রা একটানা করে আহবান
কেন তবে দুর থেকে নয়নের হাঁক বাণ, আমার জল ছলছল আঁখি পল্লবে?
ঝুপ করে নেমে আসো মাছরাঙা হয়ে
প্রেমে, ঢেউয়ে, মৎসবিচালী ভরা অন্তরঝিলে,
জোৎস্নারা যদি এঁকে যায় জলছবি পরমা পূর্ণিমায়
কী আছে মুল্য তবে তুমিহীন, নিস্প্রাণ, পড়ে থেকে নিঃসঙ্গ বসন্ত না’য়…।