দুরে - বহু দুরে - ঐ সুদূরে
পাখির ডানা নাকি আলোর কণা
ঝরে পড়ে!
দু’চোখ ভরে তাকে খুঁজি উন্মুখ
মেঘের আড়ালে হারালো কি সে
নজরে পড়েনা হায় সেই সোনা মুখ।

দ্বিতীয়ার চাঁদ সেতো লুকোচুরি মন
কখনো খুঁজে পাই
কখনোবা হারাই দৃষ্টিতে
দু’চোখের কোণ ভিজে
তরল খুশির বৃষ্টিতে।

নীলিমা অধরে তোমার সেই চাঁদ মুখ
চাঁদনী পশর রাইতে যেন
পাখির নীড়ের সুখ।

সূর্যের কাঁচা রঙ অঙ্গে মাখি
তখনো উঠতি যৌবন তোমার
পূর্ণ হোতে বাঁকি।
নীলাম্বর ছায়াপথে একাদশীর দিন
আসে যৌবন
হাঁসে তনু মন
অন্ধ মনের শিবিরে সফেদ
আলোর কিরণ।

স্বপ্নের দিন কাটে বসন্ত উচ্ছ্বাসে
মরা কটাল তটিনী যোয়ারে ভাসে।
আঁধার ঘুচিয়ে দিলে জীবনের আস্বাদ
ভরা নদীর বাঁকে তুমি পূর্ণিমার চাঁদ।