মর্সিয়া চাঁদের জ্যোৎস্না রাতে শুনি বিচ্ছেদের সুর
তীব্র তৃষ্ণায় কাতর হয়ে উবে যায় মধ্যরাতে ঘুম
এমন নিশিরাতে মহুয়া গাছের নিচে কে নাচেরে দুঃখের নাচন
দুঃখিনীর নূপুরের ছন্দে শুকিয়ে যাচ্ছে বুকের নদী
রিক্ততার জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে মোর সাধন করা আত্মা
ঈর্ষার আকাশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে চিরস্থায়ী বেদনা রং।

বিকিনি মেয়ের যত শূন্যতা একা হেঁটে যায় দুপুরের রোদে
রাত্রির বিভ্রমে হারিয়ে ফেলেছে কেউ জীবনের খেই
বৃন্তচ্যুত ফলের মত করে অকালেই ঝরছে তার বসন্ত দিনের স্বপ্ন।

ওগো ব্যথা জাগানিয়া মেয়ে,
নৈঃশব্দ্যের হাওয়ায় হাওয়ায় আর কতোদিন বিকিয়ে দিবে নিজেকে
হিসেবের খাতা আরও কতকাল পড়ে রবে অবহেলায়
স্বপ্নের দিনলিপি শুধুই কি লিখে যাবে ধুলোমলিন ডায়রির পাতায় পাতায়।