কী বা করার যখন তৃপ্তি দিয়ে অশ্রু নিয়ে চলে গেলে দূরে বহু দূরে অশ্রুত বানীসহিত ওই অন্ধকার ঢাকা পথে যেহেতু ভুল সিগন্যাল নিয়েছ এই অতর্কিত সতর্ক পদক্ষেপের যখন চাতকেরই মত চেয়েছি চাখতে তোমার নাভিনিম্নের ‘তালরস’ উলটো রথে ভেবেছ আমি ‘সরলতা’ খুঁজি তোমার ওই তন্দ্রালসা মনের আর তাই তো সজনী তোমার ও যোনী দিন ও রজনী দিয়েছে সংগ মেয়ে মহা সঙ্গমে যখন ভেবেছ তুমি ‘সরলতা’ আর আমি চেখেছি ‘তালরস’
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি
তাই তো সজনী তোমার ও যোনী দিন ও রজনী দিয়েছে সংগ মেয়ে মহা সঙ্গমে যখন ভেবেছ তুমি ‘সরলতা’ আর আমি চেখেছি ‘তালরস’..........// ভিন্ন স্বাদের রসালো কবিতা মজাহি মজা....কবিতায় তিব্র সচীবতার আস্বাদ .....অনেক ধন্যবাদ আপনাকে.....
খন্দকার নাহিদ হোসেন
কথা হলো কবি কি এভাবেই কবিতা সাজাতে চেয়েছে? যদি চেয়ে থাকে তবে লাইনগুলি আলাদা করে দেয়নি কেন? পাঠকেরা হয়তো কবিতার লাইনের মানে খুঁজবে... ধাঁধা মেলাবে বোধের...। তবে কবিতার লাইনের অস্পষ্টতা থেকে পাঠক কিছু খুঁজে বের করবে...... এই চাওয়াটা কিন্তু একটু বেশিই হয়ে যায়। ভালো লাগলো কবির ভাষা বিন্যাস ও আবেগ। শেষমেশ-কবিকে এ ভুবনে স্বাগতম।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।