এক (১) আজকে আমার ভর্তি পরিৰার রেজাল্ট বের হবে। ফলাফল প্রকাশের সময় হচ্ছে দুপুর ২টা। কিন্তু আমার আগ্রহকে আমি সামলাতে না পেরে সকাল এগারটা খেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটির সামনে দাড়িঁয়ে আছি। প্রায় তিনঘন্টা অপেৰা করার পর শেষ পর্যনত্দ নোটিশ বোর্ডে রেজাল্ট টাঙানো হল। আমার ইনডেঙ্ নম্বর ছিল ৯৩০১৮০। কিন্তু আঠারো জনের মধ্যে আমি কেন যেন আমার রোলটা খুজেঁ পেলাম না? কিন্তু হতাশ হয়ে যখন খেয়াল করে দেখলাম আমার রোল নম্বরটা সবার শেষে কিন্তু ওই লিস্টের ভিতরে আছে আমার আনন্দের আর কোনো ভারত-পাকিসত্দানের বর্ডার থাকল না।
এবার আমি এমবিএ করব। অনেক স্বপ্ন নিয়ে এই ইউনিভার্নিসিটে এসেছি। আমি আবার সবার কাছে খুবই একজন প্রিয় পাত্র। কেননা আমার আজ পর্যনত্দ লেখাপড়া ছাড়া অন্যকিছু করার ইতিহাস নেই। কলেজেও আমার বন্ধুরা যখন কেন্টিনে বসে প্রেম করতো আমি তখন ফুটবল খেলতাম। আর আমার বান্ধবীরা যখন মোবাইলে বসে বসে তাদের বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিত তখন আমি মোবাইলে বসে বসে এঙরি বার্ডস গেম খেলতাম। আজ পর্যনত্দ কোনো মেয়ে আমার জীবনে আসে নি। হয়তো বা আমার জীবনে আসার মতো মেয়েও আমি এখনো পাইনি।
আজকে আমাদের সেশনের প্রথম ক্লাস শুরম্ন। শুরম্নতেই নবীনবরণ অনূষ্ঠানের পরে আমাদের ডাকা হল আমাদের ক্লাসরম্নমে। প্রথমদিন বলেই আমাদের অনুষ্ঠানের পর ুক্লাস শুরম্ন হল টিফিনের পরে। ক্লাসে ঢুকার সময়ই লৰ্য করলাম একজন ফর্সা করে মহিলা টিচার ক্লাসরম্নমের বাইরে দাঁড়ানো। সেটা ছিল আমাদের ফর্ম মাস্টার। অথর্াৎ পুরো ফর্মের দায়িত্ব তার উপরে। সবার প্রবেশের সাথে ক্লাসরম্নমটা পুরোপুরি ভরেই গেল। আর ততৰনাৎ ওই ম্যাডামটা ক্লাসরম্নমে আসলেন। আর উনার পরিচয় আমাদের দিলেন ঠিক এইভাবে: "স্টুডেন্টস্ সবার আগে আমি তোমাদের এই ভার্সিটিতে ওয়েলকাম করি। আমার নাম হচ্ছে ডক্টর আনোয়ারা আক্তার খান। আমি তোমাদের এই ক্লাসের দেখাশুনার দায়িত্ব পালন করব। আমার গ্রামের বাড়ি কুমিলস্নায়। আর আমি উএসএ এর সেন্ট লেবার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে মেনেজমেন্টে পি.এইচ.ডি করেছি।" কথাগুলো বলে শেষ করতেই তিনি আমাদের হাতে ভার্সিটির গোল্ডেন রম্নলসের একটা চারপাতার শিট ধরিয়ে দিয়ে গেলেন।
একে একে প্রায় সবগুলো ক্লাস করলাম। কিন্তু শেষ ক্লাসটা ছিল একটু ভিন্ন। শেষ ক্লাসটা ছিল আমাদের মেনেজমেন্টের টিচার আজিজুর স্যারের। তিনি ভিন্ন প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। কেমন যেন হারিয়ে গেছেন অথবা কাউকে হারিয়ে ফেলেছেন এরকম। কিন্তু কেন যেন সবাই তাকে আজিজুর না বলে আজরাইল বলতো। একথা অবশ্য তার সামনে বলার সাহস আজ পর্যনত্দ কেউ করেনি। কিন্তু কে জানতো একসময় তার সাথে আমাদের একটা ভাল বন্ধুত্বপূর্ণ টিচার-স্টুডেরন্টর সম্পর্ক গড়ে উঠবে?
দুই (২) এখন ফেবরম্নয়ারি মাস। এই মাসের উনিশ তারিখে আমাদের পিকনিক হবার কথা রয়েছে। তাও আবার গাজীপুরের গ্রীণ টেক রেসোর্টে। ভার্সিটিতে এখন ক্লাস করছি আমাদের বাংলা টিচার সুজাউদ্দৌলা স্যারের। তিনি বাংলার টিচার হলেও তিনি বাংলা একটু ব্যতীক্রমধমর্ী নিয়মে বলতেন। যেমন, বাহ। আঝকে বিফুল এসেছে। ছমেৎকার হয়েছে। আসলে তিনি বলতে চেয়েছিলেন বাহ! বিপুল এসেছে। চমৎকার হয়েছে। কিন্তু ক্লাসের শেষ পযর্ায়ে তিনি বললেন তোমাদের ভার্সিটিতে জুনিয়র সেশনে একটা স্পেশাল এডমিশন টেস্ট হবে। সারাদেশ থেকে শুধুমাত্র চারজনকে বিবিএ থার্ড ইয়ারে ভর্তি হবার সুযোগ দেয়া হবে। কথাটা শুনে আমরা তেমন আশ্চর্যচকিৎ হলাম না।
স্পেশাল এডমিশন টেস্টের পরে আজকে আমাদের জুনিয়র সেশনে ভর্তি চলছে। কৃতকার্য হওয়া চারজন স্টুডেন্টের মধ্যে প্রধম তিনজনই ছেলে। একে একে তিনজন ভর্তি হয়ে গেল। আমি ভাবলাম চতুর্থ জনও একটা ছেলে হবে। তখন আমি অফিস কাউন্টারের পাশে ছেলেদের বাস্কেটবল খেলা দেখছিলাম। তখনই দেখলাম একটা লাল জামা পড়া মেয়ে কাউন্টারের পাশে দাড়াঁনো। জানিনা কেন কিন্তু আমার মনযোগটা বাস্কেটবল খেলায় না ঐ মেয়েটার দিকেই ছিল। আমি ৰনিকের জন্য যেন এক অন্য ভুবনে হারিয়ে গেলাম।
ক্লাসে গিয়ে বসলাম আর কোনদিক দিয়ে সবগুলো ক্লাস পার হয়ে গেলো আমি টেরই পেলাম না। কস্নাস শেষে হৃদিমা আমায় এসে বলল, ভাই! তুই কি এই পৃথিবীতে থাকোছ? আমি বললাম কেন? না মানে তোরে দেখে তো মনে হয় অন্যকিছু নিয়েই গবেষণা করতেছোস। কাহিনীটা কি? আমার আর গবেষণা করা লাগবে না আর কাহিনীও লিখা লাগবে না। আমি বরং গেলাম।
একথা বলে আমি হৃদিমাকে এড়িয়ে চলে গেলাম।যাবার সময় ভাবলাম ইদের স্কেলটা ওকে ফেরত দিয়ে যাই। ইদের বাসা মিরপুরে হবার কারনে আমি মিরপুরের ভার্সিটি বাসের দিকে গেলাম। গিয়েই দেখি ঐ মেয়েটা বাস থেকে নামতাছে। আমি তো শুধু ওকেই দেখতেই থাকলাম। আমাকে দেখে ইদ বলল কিরে তুই এখানে স্কেল দিতে আসছোস নাকি মনকে শানত্দি দিতে? আমি মুচকি হাসি দিয়ে ওখান থেকে চলে গেলাম কিন্তু মেয়াটা যেন কিভাবে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।
গেটের বাইরে যখন আমি জ্যোতির সাথে কথা বলছিলাম তখনই ঐ মেয়েটা তার কয়েকজন বান্ধবীর সাথে আড্ডা দিচ্ছিল। আমি জ্যোতিকে বললাম জ্যোতি যা তো, ঐ মেয়েটার সাথে একটু কথা বলে আয়। কি কথা বলব? যা তোর মন চায় তাই বলে আয়। আরে কারণ ছাড়া কোনো মানুষের সাথে কথা বলা যায় নাকি? জ্যোতি আমার মনের কথাটা বুঝতে পেরেছিল। তাই ও কোনো কারন ছাড়া চলে গেল মেয়েটার সাথে কথা বলতে। যখন ফিরে আসলো আমি জিজ্ঞেস করলাম তাড়াতাড়ি বল ওর সাথে কি কথা বলে আসলি? জ্যোতি আমায় বলল, মেয়েটার নাম জিনিয়া মাহাবুব। ডাকনাম দিপ্তী। আর থাকে মিরপুরে। একথাটা বলেই জ্যোতি একটা রিক্শায় ওর ভাইয়ের সাথে চলে গেল। আর আমি খেয়াল করে দেখালাম দিপ্তী আমার দিকে তাকিয়ে হাসছিল। কারণ ও বুঝতে পেরেছিল যে, কোনো মেয়ে হঠাৎ করে ওর নাম, ঠিকানা এগুলো এমনিতেই জিজ্ঞেস করবে না। দিপ্তী একটু হালকাভাবে হাসি দিয়ে চলে গেল। আর কিছুদিনের মাঝেই এই ঘটনাটা ভার্সিটিতে সবার কাছে কিভাবে যেন পৌঁেছ গেল যে আমি দিপ্তীকে পছন্দ করি।
তিন (৩) আমি আজিজুর স্যারের সাথে দেখা করতে টিচারস্ রম্নমে এসেছি কারণ প্রোটাইপের সংজ্ঞা আর বিবরণ সম্পর্কে আমি ভালভাবে বুঝতে পারিনি। তিনি দেখেই আমাকে বললেন, ভিতরে আসো, তোমার সাথে আমার কথা আছে। আমি বললাম কি স্যার? না! তেমন কিছু না, আরকি আমি বিসিএস এর পরীৰা দিয়েছিলাম। তো সেখানে মেজিস্ট্রেট পদে চাকরি পেয়েছি। চট্টগ্রামে আমার পোস্ট। সামনের মাসেই আমি চলে যাব। স্যার, কেন যাবেন? আমরা আপনাকে ছাড়া....... আচ্ছা এই বিষয়টা এখন বাদ দেই। একটু পরে আমার ক্লাস আছে। ওহ! তুমি তো এখানে এসেছিলে প্রোটোটাইপের জন্য। প্রোটোটাইপ হচ্ছে একধরনের কাচাঁমাল যা একমাত্র বিসিক দিয়ে........ স্যার থেমে গেলেন কেন? বিসিকের নাম নিতে একজনের কথা মনে পড়ে গেল। বাংলাদেশ ৰুদ্র ও কুটির শিল্প(বিসিক)-এর নাম নিতে!!!! কার কথা স্যার? ছিল একজন। নামটা ছিল রেখা। ওর বাবা বিসিক-এ চাকরি করতো। তাকে অনেক পছন্দ করতাম। কিন্তু তাকে কখনোই কথাটা বলতে পারিনি। ওর অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে গেছে। তারই জন্যে আজও আমি একা। কথাটা শেষ করতেই বেল দিয়ে দিল। আর স্যার ক্লাসের জন্যে চলে গেলেন।
আমি দিপ্তীকে ফেসবুকে খুজেঁ বের করে ফ্রেন্ড রিকয়েস্ট পাঠিয়েছি। সেকারণে সারাদিন মোবাইলে ইন্টারনেট নিয়ে বসে থাকি। আর দিপ্তীর ফেসবুক পাতাটা ওপেন করে রাখি। ওর সাথে কথা বলার সাহস নেই বলে কখনো অনলাইনে যাবার সাহস পাইনা। এমতাবস্থায় আমাকে জরম্নরিভাবে তলব করলেন ফর্ম মাস্টার ডক্টর আনোয়ারা আক্তার খান। ডেকেই বললেন, ভাইস-চ্যান্সেলর স্যারের অর্ডার এসেছে যেন ভার্সিটিতে কোনোভাবেই মেয়েদের সাথে ছেলেদের বন্ধুত্ব বা অন্য কোনো সম্পর্ক না থাকে। তুমি আমাদের ভার্সিটির খুবই প্রিয় পাত্র তাই তোমার ভালোর জন্যই আমি বলছি তুমি দিপ্তীকে ভুলে যাও। আর নয় আমাকে তোমার নামে সাসপেন্ডসিয়াল লেটার লেখতে হবে। তোমাকে আমি চবি্বশ ঘন্টা সময় দিলাম। কি করবে তা শুধুমাত্র তুমি জানো।
চার (৪) এদিকে আজকে আমাদের আজিজুর স্যার আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন। সবার মনটা অনেক খারাপ থাকলেও আমরা সবাই মিলে স্যারের বিদায়ের জন্য কেক আর কিছু গিফ্ট কিনে এনছিলাম। আমার মাথায় আনোয়ারা মেডামের কথার প্রেশার থাকলেও আজিজুর স্যারকে ভালোভাবে বিদায় জানানো আমার দায়িত্ব ছিল। তাই যথাসময়ে স্যার কেক কাটার পরে সবাই মিলে সেই গিফ্টগুলো স্যারের হাতে তুলে দিলাম আর স্যারের একটা সুন্দর জীবনের জন্য কামনা করলাম। কাউকে কিছু না দিলেও স্যার একটি খাম আমাকে দিয়ে গেলেন। আর খামের ভিতরের অংশে একটা নাম-ঠিকানাহীন চিঠি ছিল।
আমি আনোয়ারা ম্যাডামের কাছে গেলাম তাকে বলতে যে, আমি অন্যকিছু নয় বরং লেখাপড়ার প্রতি ফোকাস করব। তিনি টিচার রম্নমে না থাকায় আমি বাইরের সিটে বসে অপেৰা করছি। আর তখনই আজিজুর স্যারের দেয়া চিঠির কথা মনে পড়লো। চিঠিটা খুলে পড়তে শুরম্ন করলাম। চিঠিটা ছিল: আমার সবচেয়ে প্রিয় ছাত্র তুমি। আমি তোমার আর দিপ্তীর সম্পর্কে শুনেছি। আমি একথাও জানি ভাইস চ্যান্সেলর স্যার তোমার ওপরে অনেক ৰেপে আছেন। কিস্তু তুমি এ ভুলটা কখনোই করোনা যেটা আমি পাচঁ বছর আগে রেখার সাথে করেছি। তোমাকে এই ভার্সিটি থেকে সাসপেন্ড করে দিলেও তুমি অন্য ভার্সিটিতে লেখাপড়ার সুযোগ পাবা। কিন্তু দিপ্তীকে কখনোই পাবে না। দিপ্তী আমার শাখারই স্টুডেন্ট। আমি ওকে ভালভাবেউ চিনি। সবসময় তোমার কথাই বলে ওর বান্ধবীদের সাথে। তাই আমি তোমাকে একবার তোমার মনের কথাটাও শুনতে বলব।
তোমার শুভাকাঙ্ৰী আজিজুর স্যার (আজরাইল স্যার)
এখন আমার করার কি ছিল আমি নিজেও জানতাম না। সবকিছুই যেন অন্ধকার হয়ে গেল।
পাঁচ (৫) আমার করার আর কিছুই ছিল না। আমি আনোয়ারা ম্যাডামের রম্নম থেকে হঠাৎ করে বের হয়ে যাচ্ছিলাম তখনই ম্যাডাম এসে বসলেন। তবুও আমি তাকে এড়িয়ে চলে গেলাম। কিনত্দু ম্যাডাম আমাকে পিছন থেকে তখনও ডাকছিলেন।
পাচঁতলা থেকে নিচে নামতেই দেখলাম দিপ্তী তার ভার্সিটি বাসের সামনে দাড়িঁয়ে। এখন বাসায় চলে যাবে। আমি মেয়েদের সাথে সাধারনত কথা বলিনা দেখে দীপ্তি মনে করলো আমি ওকে শুধু দেখেই চলে যাবো। ও বাসে উঠতে যাচ্ছিল আর তখনই জানিনা কি হয়েছিল আমার কিন্তু আমি জোরে ওকে ডাক দিয়ে বসলাম দিপ্তী একটু এদিকে আসবা? আসার পরে আমি বললাম, চলো একটু ক্যান্টিনে গিয়ে কথা বলি। [একথায় সাড়া দিয়ে ও আমার সাথে ক্যান্টিনে গেল কিন্তু চুপচাপ ছিল] তোমাকে কিন্তু আমি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আমি তো তোমায় কখনো অনলাইনে পাইনি? [দিপ্তী আসত্দে ধীর গলায় বলল] [সাহস করে আমি বলে উঠলাম] কারণ ভালবাসা তো সবসময় অফলাইনেই হয়।
[তখনই দিপ্তীর বাস ছেড়ে দিল ] এই কি??? তোমার বাস তো ছেড়ে দিচ্ছে। তুমি বাসায় যাবা না? আমি তো চাই বাসটা ছেড়ে যাক। তুমি কি আমায় তোমাদের বাসায় সবসময়ের জন্য নিয়ে যাবে না? তুমি চাইলে এখনই নিয়ে যাব........।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
প্রিয়ম
অমা দারুন একটা মজার গল্প , ভালো লাগলো অনেক অনেক |
আহমেদ সাবের
বুঝাই যাচ্ছে, বানান সমস্যাগুলো ফন্ট-জনিত। অভ্র কী-বোর্ড ব্যাবহার করে দেখতে পারেন। কেন জানি না, গল্পটা পড়ে বেশ ভাল লাগল। একজন যুবকের প্রাণের উচ্ছ্বাসের গল্প। লেখার ষ্টাইলে নতুনত্ব আছে। গল্প-কবিতায় স্বাগতম। গল্প-কবিতায় সক্রিয় না হলে পাঠক পাওয়া যায় না। আপনার ক্ষেত্রে সম্ভবতঃ তাই ঘটেছে।
ধন্যবাদ @লুতফুল বারি পান্না্, আসলে বিশ্বাস না হলেও এটা আমার লেখা প্রথম গল্প। আপনাদের মত পাঠকরা যখন এরকম চেষ্টার প্রশংসা করেন তখন খুবই ভাল লাগে। আশা করি আগামিতেও লেখা গল্প গুলো পরবেন এবং আপনার ভাল লাগবে।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।