কয়েক মুহূর্ত আগে
একটা চলমান প্রাচীন সকালের
সূর্য না ওঠা দুপুর পর্যন্ত বেদম প্রহার!
কুয়াশা বর্ষণ শীতে।
আমি তখন থেকে পাহারায় নির্ঘুম জেগে আছি!
হাতের জ্বলে থাকা মশাল আলো
পিঠের ক্ষত দাগ গুলো
কাঁচা হয়ে এখনো জ্বলছে।
জ্বলছে ঝলসে দেয়া আগুনের ফণা’রা!

আমি স্থির
এত পথ হেটে হেটে এত শতাব্দী পরেও
আমি স্থির পাহারাদার।
নাগালের বাইরে নিভো নিভো দৃশ্য
হাতের কাছে সমুদ্র ভর্তি কলঙ্কিত রূপে
কে যে স্বজনী কে পেতনি...?
এগুলো সব হবে একদিনের সমান।
একটা কর্মকার তাঁর বানানো গহনার মতো
ফ্রেমে আঁটকে রাখা মহাকাল।

আমি কালকেই জঠর থেকে বেরিয়ে এলাম
পূর্ব-শতকের শেষ দিকে।
তখন “ফারাও” সম্রাজ্জ আমার ভয়ে
হুড়মুড় করে লড়ে উঠে থামার আগে
তোমার বখে যাওয়া ঈর্ষা’রা গুহা ছেড়ে বেরিয়ে এলো
কাল্‌ হয়ে পথ আগলে দাঁড়ালো আমার!
খোঁচা দিলো সময়।
এগুলো সব একটা দিনের সমান মনে হয়।

তুমি বৌ জানো কি? তোমার ঈর্ষা গুলোকে,
বারবার আমাকে শুধরাতে, বাঁচিয়ে রাখে একটা অধীশ্বর?