৪২ বছর ধরে বৃষ্টি চাই প্রভু, তোমার নভঃ মেঘহীন
গভীর নলকূপ দিয়ে আর উঠে না সলিল
ফসলের জমিন করে হাহাকার, কিষাণীর পাথর বুকে বধির রোদন
উদ্ভট উঠের পিঠে এগিয়ে চলেছে লাল সবুজ
ক্ষণে ক্ষণে বদলায় ক্ষমতার রঙ
যাদুকর যেমনি সাজায়; পুতুলও তেমনি সাজে সঙ
কখনও কৃষ্ণ পয়োধরে ছেয়ে যায় সুনীল অন্তরীক্ষ
নতুন পালে পুরাতন হাওয়া ছড়ায় উষ্ণ বাতাস
ভাগ্যের লাল সুতো, নীল সুতো পায় না কভু অবকাশ
ডাবল গেজ রেল লাইন বহে সমান্তরাল
বিকট গর্জনে ট্রেন আসে, ট্রেন যায় -- অথচ
হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায় হাত ; পরম পেলবতায়
নরেন্দ্র যেমন খুশী চালাতে পারে ইচ্ছে ঘুড়ি
এত কাছে তবু এত দূরে , দেখাদেখি প্রতি ভোরে
তথাপি গলে না বরফ , বাড়ে না হিমবাহের উষ্ণতা
কখনও বেতাল হাওয়া প্রসূতিরে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়
একটু শীতল পরশের আশায় আমজনতা ছাড়ে পুঞ্জিভূত নিঃশ্বাস
তির্যক হাসি হাসে লাখো শহীদের অমর কংকাল !
মুষলধারে বৃষ্টি কামনায় তীর্থের কাক আর কত কাল ?
বৃষ্টি দাও হে প্রভু , দাও বৃষ্টি ; ভেসে যাক সব জঞ্জাল ।।