বিশ্ব সভ্যতার আদি থেকে সাম্প্রতিক অবধি
সৃষ্টির শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার হে মানবজাতি!
পৃথিবীর আলো-ছায়ার মাঝে চক্রাবত,
সভ্যতার পর সভ্যতার ক্রমশ বিবর্তনে-
আজ একুশ শতকের ভাঙ্গা-গড়ার জীবন
সেতো বিজ্ঞানেরই অনস্বীকার্য অবদান;
আজ এতটা ক্লান্তির পথ পেরিয়ে তবু
কেন মানব জাতিতে এতটা ব্যবধান?
উত্তর একটাই বিজ্ঞানের অতিদ্রুত অবদান;
তাই আজ জাতিতে জাতিতে এতটা ব্যবধান।
যুদ্ধ-বিগ্রহ আর ধ্বংস যজ্ঞে দিকবিদিক জ্বলছে;
বিশ্বের দখলবাজির তান্ডবলীলা এমনই চলছে।
বিজ্ঞান- এমনই এক প্রখর চিন্তা-চেতনার ফসল;
যা এনে দিতে পারে মুহুর্তেই গোটা বিশ্বের দখল।
তথ্য-প্রযুক্তির ঝড়ো বেগ নব নব বিবর্তনে-
আজি হাতের মুঠোয় তাবৎ বিশ্বের রাজত্ব;
তাই অনায়াশেই পৃথিবীটা করা যায় আয়ত্ব।
জগতের যা কিছু ক্রমে ক্রমে নব আবিষ্কৃত;
সবিই মানবের মঙ্গলের তরে, অনেক মেধা-
ক্ষয়ে ক্ষয়ে তবেই হয়েছে জাতিতে সমাদৃত।
মানবের মস্তিকের যা কিছু সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত-
ভালো কিংবা মন্দ-সবই যেন বিজ্ঞানের চেতনা;
তাইতো মানব মনে বিজ্ঞানকে নিয়ে এত ভাবনা।
পৃথিবীর তরে, মানবের সকল সুখ-শান্তির তরে
বিজ্ঞান যা কিছু রচিয়াছে সভ্যতার পর সভ্যতায়;
নিশ্চই মানবের মঙ্গল নিহিত তাতে, অনিষ্টের-
ভাবনায় বিজ্ঞানকে ব্যবহার করো না তবে নির্দ্বিধায়।