অনেকদিন হয়ে গেল আজরাইলটার হদিস নেই
এইতো গেল মাসে ঘোড়ায় চড়ে বাড়ির আঙ্গিনায় ।
দরজা অব্দি এসেছিল, আমি আনন্দ চিত্তে প্রস্তুত ;
তার পিঠে বসে চলে যাব শান্তির রাজ্যে ।

আজ গোটা দেশ জুড়ে অশান্তির আনল জ্বলছে
ক্ষমতা-আমিত্ব-গর্ব-ধন-রমনী আরো কত চাহিদা!
লোহার পাদুকা পড়ে চলছে উপরে তাকিয়ে
নিচে পিশে যাচ্ছে সবুজ তার সাথে নিরীহ প্রাণ
শুধু কীট নয়, কীটের মত মানুষ-মনুষত্ব ।

এইতো একাত্তরের পর কত পাখি উড়ে এসেছিল বাঙলায়
স্বাধীন দেশে স্বাধীন ভাবে বাঁচার আশায়
আশা ঠিকই ছিল, ধারণাটা ভুল, নয়তো ভাবেনি-
স্বাধীন দেশের মানুষ কত পরাধীন!

বুক ফাটিয়ে মাঝে মাঝে মনে হয় বলি-
এদেশের নেতাদের সাথে---, নাহ বলব না
বলতে পারি না, দম বন্ধ হয়ে আসে, ভয়ে!
এই বুঝি খাকি রঙ, জলপাই রঙ নতুবা লাল রঙ তেড়ে আসছে !!
স্বাধীনতার স্বাদ তারাই পেল, আমরা ঘ্রাণ পাচ্ছি এই আর কি।
ভোগ করতে চাই, পারি না, তাতেও ভয়
যাকে ভয় পাই না, তিনি পাশের বাড়িতে আসেন, প্রায়ই আসেন
কচি প্রাণটা নিয়ে দেহ ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে চলে যান।
আমি ডাকি তাকে আয় আমার কাছে আয়
ওকে নিস নে, ফিরেও তাকায় না
অতপর মুখ চেপে বুক ফাটিয়ে ডাকি বিধাতাকে -
আরজ করি, হয় শান্তি দাও নয় দূর কর ভয়
আবার গড়ি একতা, উপের ফেলি গুনেধরা বৃক্ষ-লতা
শকুন মুক্ত করে দেশ, উড়াই লাল সবুজের পতাকা।