সাধারণ মানুষ যে কবির কৃপণতা কে বড় করে দেখেছে, কবিতাটিতে তেমনি একজন নিভৃতচারী কবি হৃদয়ের অফুরন্ত ভালোবাসার কথা প্রকাশ করা হয়েছে। অনেক সময় মানুষের বাহ্যিক আচরণে কাউকে কৃপণ মনে হতে পারে, কিন্তু ভেতরে তিনি হতে পারেন অকৃপণ, উদার, হৃদয়ের সম্পদে সম্পদশালী। কৃপণতা হতে পারে মহত্ত্বের কারিগর। তাই কবিতাটি বিষয়ের সামঞ্জস্য বলে আমি বিশ্বাস করি।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৩
গল্প/কবিতা: ৭৯টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৩

বিচারক স্কোরঃ ১.৪ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৯ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কৃপণতা (নভেম্বর ২০১৮)

একজন কবির আজন্ম কৃপণতার কথা
কৃপণতা

সংখ্যা

মোট ভোট ১৯ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৩

জসীম উদ্দীন মুহম্মদ

comment ১১  favorite ০  import_contacts ২২৪
একজন আজন্ম ঋণগ্রস্ত অসহায় কবির কথা বলি
তাঁর ছেঁড়া পকেটের ভাংগা পকেটঘড়িটার কথা বলি
যে কবি জন্মের কাছে চিরঋণী তাঁর কথা বলি
যে কবি সুবেহ সাদিকের কাছে ঋণী, তাঁব কথা বলি!

যে মাটিতে কবি এখন নতোমুখে ফাই ফাই
করে হাঁটেন....
কবি হাঁটেন..পিপঁড়ের মতো শব্দহীন হাঁটতেই থাকেন... হাঁটতেই থাকেন
কাঙগালিনী মাটিও টের পায় না
কবিও টের পান না
আমি সেই বাহুল্য কবির আজন্ম শব্দঋণের কথা বলি!

একটি সরস কবিতার আশায় যে কবি বৃক্ষের দিকে
তাকিয়ে থাকেন
সজনে পাতার
নগদানগদি সবুজ গায়ে মাখেন
চিরহরিৎ পত্রগুলো চোখে মাখেন
লতাগুল্মের দিকে অপলক চোখ রাখেন
আমি সেই কবির আজন্ম বাক্যঋণের কথা বলি!

যে কবি মাটি দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে আকাশ
দিয়ে হাঁটেন
যে কবি পদদলিতা পিঁপড়ের কথা ভাবতে ভাবতে
প্রলেতারিয়াতদের কথা ভাবেন
যে কবি তাঁর কবিতায় গণমানুষের ছবি আঁকেন
তবুও যে কবির কৃপণতা ভূল্যোক, দুল্যোক, সর্বলোক জানেন
আমি সেই ভালোবাসার কবির অনাদায়ী কৃপণতার কথা বলি!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement