চোখে চোখ পড়ে সহসা
লাজরাঙা হয় চাঁদমুখ
কিছু বলতে যেয়ে কাঁপে ঠোঁট
অলক্ষ্যে ব্যথা লুকানোর ব্যর্থ প্রয়াসে
আঁচল টেনে বুকের দুঃখটুকু লুকোয় আরবার ।
দিনমণি তাপ দিয়ে যায় এ বেলায়
অতঃপর দীঘল রাত নামে একাকী বসন্তে ।
তাঁরারা মিটিমিটি হাসে বিষণ্ণ বাতাসে
উঁকি দেয় ফেউ জানালার ফাঁকে
আলো আঁধারের খেলায় বহে সময়ের চাকা।
বাঁশির মত নাক , নাকফুল নেই
ধবল শাড়িতে সোনায় মোড়ানো দেহখানি
চাদর বেয়ে ঝুলে আছে অজানুলম্বিত কেশ
হারানোর ব্যথা দীর্ঘশ্বাস হয় ক্ষণে ক্ষণে
নিশিত রাতি তুরঙ্গ খুলি চোখের জলে
প্রসাধন কথা কয় স্মৃতি আর হতাশার কানাঘুষায়!
আর জরি-জড়ানো লাল শাড়ি
বিদ্রুপে তনু মনে;
আমার ঘুমতাড়ানো ছায়া তুলে নেয় বাঁশি-
কাছে এসো, শূন্য বুকে নাও যৌবন-নিঃশ্বাস
সময়ের চোখে থাকুক মোটা গ্লাস
পাশাপাশি জাগুক হিয়া
বেঁচে থাকুক ভালবাসা, বিশ্বাস ।