কৈশোর দুরন্ত সময়ের দুরন্ত ষাঁড়ের মতো।গতির ঝড় তোলা, নির্ভয় নিশ্চিন্তে অদম্য সাহসে ছুটে চলা।হাসির প্রাণোচ্ছল ছন্দে আবেগের গভীরতায় কান্নার শ্রাবণে ডুবে যাওয়া।জেদের অসীমতায় অসাধ্যকে সাধন করা আর অলসতাকে তুড়ি মেরে ভয় কে হাওয়ায় উড়িয়ে দেয়া।আর এ ক্রণেই কৈশোর আমার কাছে উড়ন্ত বৈশাখে ডুবন্ত শ্রাবণ।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ জানুয়ারী ১৯৮৩
গল্প/কবিতা: ২৮টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কৈশোর (সেপ্টেম্বর ২০১৯)

উড়ন্ত বৈশাখে ডুবন্ত শ্রাবণ
কৈশোর

সংখ্যা

মাইনুল ইসলাম আলিফ

comment ৩  favorite ২  import_contacts ৫২
হতাশার চাদরে রঙে রাঙা আলপনা কল্পনার শহরে
গতির ঝড়ে ফাগুন আছড়ে পড়ে রোদ্দুরে ।
বয়সের ভার নেই , নেই ক্লান্তি আর অবসাদ
উঠে আর নামে উষ্ণতার পারদ যেন অবাধ।
হাওয়ায় উড়ে তুফানে সময়ের ফেরারী পালকিটা
শংখচিলের ডানায় চিলেকোঠা স্বপ্নের ছটা।

ডানপিটে কিশোরের সে যে দুরন্ত সময়
আহ্লাদে আটখানা রোদেলা ফাগুনের চুড়ান্ত বিস্ময়।
গর্জে উঠা সাগর ঢেউয়ে পাড়ি দেয়া জেদ
অভিমানে ভাসতে থাকে চোখের সাদা মেঘ।
আষাঢ়ে আবেগ ঝরে বৃষ্টি প্রলেপ মেখে
কান্নার আছে শ্রাবণধারা উদাস নয়ন ঢেকে।

উচ্ছল হাসির ছন্দে নির্ভয় প্রেমের গভীরতা
শুধু নদী সেতো নয়, সে যে খরস্রোতা।
দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে লাল ফিতে বাঁধা সোনালী সময়
উল্লাসে কাঁপে বিরহী রাতের নক্ষত্র নিলয়।
আমি ফুলের বিছানায়,স্মৃতির ব্যালকনিতে ছিলাম কাঁটাবন।
কৈশোর আমার কাছে উড়ন্ত বৈশাখে ডুবন্ত শ্রাবণ।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement