তপ্ত রোদের সুপ্ত দহন অগ্নি ডানায়।
পুড়েছি, অঙ্গার হইনি নিকষ কালো ধোঁয়ায় ।
নেয়েছি ঘামে,মরিচীকায় ফেলেছি কদম।
যন্ত্রণার চিঠি লিখেছি ভায়োলেট খামে
ভৌতিক স্বপ্নের শব্দকথায় আতকে উঠে বুক ধুকপুক শিহরণে
কাটে বাকীটা রাতের বিষন্ন সময় ।
এক কাঠি দেয়াশলাই কিংবা মাটির চুলোয় তুষের আগুন,
মন কি তখন ভিসুভিয়াস হয়ে উঠে নাকি সাইবেরিয়ার জমাট বরফ অথবা
ঝিরিঝিরি বাতাসে রোদেলা ফাগুন?

পুড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়ে একদিন তো যাবই জান্নাতে,
পেন্ডুলামের মত ঝুলন্ত ঈমানের অহংকারে কি দুঃসাহস আমার।
যত সহজে এই সহজ কথাটা বলা যায়
তত সহজে এই কথা কি ভাবাও কঠিন নয়?

হায়! তপ্ত রোদে পুড়ে খাক হই
যন্ত্রণায় কুকড়ে মরি,
তাহলে জাহান্নামের প্রজ্জ্বলিত অগ্নিলাভায় ভয় কেন নয়?
একটা মিথ্যে স্বপ্নে যদি শিউরে উঠি ভয়ে
নিঃসঙ্গ কবরে চোখ রেখেও ভাবলেশহীন কি করে থাকি?
তুষের আগুনে পুড়ে কাঠ কয়লা হয়
ছুয়ে দেখি, অঙ্গার হতে কে চায়?

নিজেকে জানিয়ে তবেই পৃথিবীকে জানাই
ভৌতিক শব্দ শাসন আর মিথ্যে স্বপ্নের পরাহত পথে নয়,
খুজে ফেরো চোখের জলে ভেজা জায়নামাজী রাত
সোনালী স্বপ্নের এক সবুজ প্রভাত।
যদি আল্লাহকে ভয় করো,
আর মুসলিম হয়ে মরো
তবেই তুমি পেতে পারো নাজাত।