অতিমানব, কোন এক বৃষ্টির দিনে

বৃষ্টি (আগষ্ট ২০১২)

হাবিব রহমান
  • ১৩
  • 0
আজকে সারাটা দিন ছিপছিপে বৃষ্টি। প্রকৃতির মত আজকে দিনটাও ভাল গেল না রাফির। তার সুপারভাইজার ম্যানেজার অযথাই তার সাথে খারাপ ব্যবহার করল। প্রায়ই তার সুপারভাইজার কারণে অকারণে তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। বেশ কয়দিন ধরেই চেষ্টা করছে চাকুরী পরিবর্তন করতে। প্রচুর চাকুরীর বিজ্ঞাপন থাকে ইন্টারনেট সাইট গুলোতে। সাইট গুলো দেখে প্রতিদিন আবেদন করে যাচ্ছে। কিন্তু কোন আবেদনেই কোন সাড়া পাচ্ছে না। অথচ অনেককেই দেখে ঘন ঘন চাকুরী পরিবর্তন করে। কিভাবে তারা ঘন ঘন চাকুরী ম্যানেজ করে খোদা জানে। এমনিতেই মন খারাপ তার উপর এই রকম ছিপছিপে বৃষ্টির জন্য মেজাজটা চরম বিগরে আছে।

মেজাজ ছিল রাফির বাবার। ক্ষেপে গেলে সামলানো যেতো না তাকে। মারধর শুরু করে দিত। বেধড়ক পিটাত। এই ভিষম অত্যাচার রাফির মাকেও সহ্য করতে হয়েছে অনেক বার। বেচারি বহুত সামলে থাকার চেষ্টা করত। কখনও সখনও খসে যেত পান থেকে চুন। তারপর ঘটে যেত তুল কালাম কাণ্ড। একবার রাফির উপর সে খগর নেমেছিল। রাফির বয়স তখন মাত্র চার। বোঝার বয়সও হয়নি তার। কিন্তু বোধ বিবেচনা হারিয়ে ফেলা রাফির বাবা তাকেও মারল বিবেচনাহীন। সেই দিন রাফিদের বাড়ীতে পড়েছিল যেন সাক্ষাত শয়তানের আছর। একের পর এক বিপর্যয় নেমে আসতে থাকল সেই বাড়ীতে। প্রচণ্ড ঝাঁকুনিতে কেপে উঠেছিল পুরো বাড়ী। ভয় পেয়ে বাড়ীর উঠানে এসে দাড়িয়ে ছিল তারা। বাইরে এসে অবাক হয়ে গিয়েছিল রাফির মা। সব কিছু স্বাভাবিক। হঠাৎ নীল আকাশ চিরে প্রচণ্ড শব্দে আছড়ে পড়তে থাকল ধূমকেতু খণ্ড। নিমেষেই ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেল রাফিদের বাড়ীটা। রাফির মা এখনও ভুলতে পারে না সেই দৃশ্য। এই বিপর্যয়ের মধ্যে নিশ্চুপ দাড়িয়ে ছিল রাফি। প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছিল তাদের বাড়ীটা। পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছিল। খুঁজে পাওয়া যায়নি রাফির বাবার কোন চিহ্ন। কিন্তু বিস্ময়কর হচ্ছে সম্পূর্ণ অক্ষত রাফি, রাফির মা এবং আশে পাসের সকল বাড়ী ঘর।

কোন রকমে নতুন করে একটা ঘর তুলে ছিল রাফির মা। তাও নিয়মিত পরিচর্যার অভাবে জরা জীর্ণ হয়ে গেছে। বাড়ির আশে পাশে বিভিন্ন ঝোপ ঝাড় জন্মেছে। মোটামুটি বনেদি এলাকায় প্রতিবেশীদের ঝলমলে বাড়ীর পাশে ভীষণ বেমানান একটা বাড়ী। প্রতিবেশীদের সাথে এখন আর ভাব নেই তাদের। এমনিতে রাফির বাবাকে কেউ পছন্দ করতো না। তার উপর এই সেই ঘটনার পর থেকে এই বাড়ীর উপর শয়তানের আছর আছে বলে সকলেই এড়িয়ে চলে তাদের। বর্তমান বাড়ীর দশা সেই বিশ্বাসকে আরও পোক্ত করে তুলে। প্রতিবেশীদের সাথে তাদের ভাব নেই তাতে বিন্দু মাত্র অখুশি নয় রাফির মা। রাফিকে সবার সাথে মিশতে দিতেও চান না। তিনি সব সময় সচেষ্ট থাকেন রাফির মেজাজ ঠাণ্ডা রাখতে। কখন কার সাথে কোন বিবাদে জড়ায়। কি দরকার। রাফির আর কোন ভাই বোন নেই। যা সম্পদ ছিল তাদের তা প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। সমাজে বেচে বর্তে থাকতে হলে এক ঘরে হয়ে থাকলে চলবে না।

এমনিতে দেখলে মনে হবে বৃষ্টি থেমে গেছে। কিন্তু হাটতে থাকলে শরীর ভিজে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ২০ টারও বেশী খালী রিক্সাকে যাবে কিনা জিজ্ঞাস করা হয়ে গেছে। কিন্তু কেউ যেতে চাচ্ছে না। এমনিতেই যেতে চায় না। তার উপর আজকে আবার বৃষ্টি। রাস্তার ধারে এই ভাবে দাড়িয়ে থাকতে আর ভাল লাগছে না। একটা খালি রিক্সা নিয়ে একটা রিক্সা ওয়ালা দুলে দুলে যাচ্ছিল। রাফি তাকে থামাল।
: ধানমন্ডি যাবে?
: ধানমন্ডি কই যাইবেন?
: ৬ নম্বর রোড।
: না ধানমন্ডি যামুনা।
রাফির মেজাজ আরও চরমে উঠে গেল। ঝাজের সাথে বলল, ব্যাটা যাবিনা তাইলে জিজ্ঞাস করলি কেন?
রিক্সা ওয়ালা তেমন কোন বিকার না দেখিয়ে রিক্সা নিয়ে চলে গেল। রাগে রাফির শরীর কাপতে থাকল। কোথায় যেন লেখাটা দেখেছিল, “রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন”। রাফি প্রাণ পণ চেষ্টা করে রাগ সংবরণ করল।

দাড়িয়ে থাকতে আর ভাল লাগছে না। ক্ষুধাও লেগে গেছে। তাই ভিজতে ভিজতেই হাটতে থাকল রাফি। খালি রিক্সা দেখলেও তাদের আর জিজ্ঞাস করল না। জিজ্ঞাস করতে ইচ্ছা করছে না। আশে পাশে লোকজন এবং গাড়ীর ভিড়ও মনে হচ্ছে যেন কমে এসেছে। নিরুপায় মানুষ যা যেমন পেয়েছে তাতে করেই চলে গেছে। বৃষ্টি থামার কোন নমুনাই নেই। বৃষ্টিতে ভিজতে রাফির ভাল লাগেনা। জ্বর এসে যায়। কিন্তু নিরুপায়। সামনেই কয়েকটা সি.এন.জি স্কুটার দাড়িয়ে আছে। স্কুটার গুলোকে জিজ্ঞাস করবে কিনা ভাবল। রিক্সাই যেতে চায় না আর এরা তো শাহেন শাহ্‌। হঠাৎ করে বৃষ্টি যেন বেড়ে গেল। রাফি দ্রুত হেটে স্কুটার টার কাছে চলে আসল। প্রায় করুণ গলায় জিজ্ঞাস করল,
: ধানমন্ডি যাবেন?
স্কুটার ড্রাইভার বলল, যামু। ওফ্ হাঁপ ছেড়ে বাঁচল রাফি। স্কুটারে উঠতে যাবে কিন্তু ড্রাইভার গেট খুলে দিল না। ড্রাইভারটা বলল, ৩০০ টাকা ভাড়া যাইবেন? হঠাৎ মাথায় আগুন চড়ে গেল রাফির। মিটারে ৫০ টাকার বেশী উঠার কথা নয়। স্কুটারের সামনের গেটে জোরসে থাবা দিয়ে বলল, হারামজাদা ফাজলামি করস! স্কুটার ড্রাইভার ঝট করে বাইরে বের হয়ে আসল। রাফিকে একটা ধাক্কা মেরে বলল, শূয়রের বাচ্চা তুই গালি দিলি কেন? রাফি দেখতে পেল অন্য স্কুটারের ড্রাইভার গুলোও বের হয়ে আসল। আসে পাশে তাকে সাহায্য করার মত লোকজন তেমন নেই। রাফি বুঝতে পারল সে ভুল করে ফেলেছে। কিন্তু পিছিয়ে আসার কোন পথ খোলা নেই। সেও ড্রাইভারকে একটা ধাক্কা দিয়ে বলল, গালি দিব না তো তোরে আদর করব? রাফি মাথা ঠাণ্ডা করার চেষ্টা করল। ভাবতে থাকল, “রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন”। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে স্কুটার ড্রাইভার তার নাকে প্রচণ্ড শক্তিতে ঘুষি মেরে বসল। রাফি ছিটকে পাশের কাদার মধ্যে গিয়ে পড়ল। অন্য স্কুটারের ড্রাইভার গুলোও তাকে ঘিরে ধরেছে। নাক দিয়ে দরদর করে রক্ত ঝরছে। ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির পানিতে রক্ত ভেসে যাচ্ছে। মুখে রক্তের স্বাদ পেল। উঠে দাড়াতে চেষ্টা করল কিন্তু পারল না প্রচণ্ড শক্তিতে লাথি মারল ড্রাইভার। আবার ছিটকে পড়ল পানিতে। রক্তে কাদায় একাকার। অন্য ড্রাইভার গুলোও সুযোগে দু’ একটা লাথি মেরে বসল। তুমুল বৃষ্টির মাঝে লোক গুলো যেন জানোয়ার হয়ে গেল। অশ্লীল গালি গালাজ করতে করতে মহা আনন্দে মারতে থাকল রাফিকে। রাফি দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে রাখল।
ড্রাইভারটা জোর শক্তিতে লাথি মারার জন্য পা উঠাতে গিয়ে টের পেল কে যেন তার পা টেনে ধরেছে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই লোকটা শূন্যে উঠে গেল। মুহূর্তের মাঝে দেখা গেল লোকটা ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনে পেঁচিয়ে আছে। বৈদ্যুতিক ঝলকানিতে আলোকিত হয়ে গেল এলাকা। প্রচণ্ড শব্দে পাশেই কোন ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণ হল। আশে পাশের বিদ্যুৎ চলে গেল। বিদ্যুতের তার থেকে ড্রাইভারটা খসে পড়ল। ধপ করে নিচে পড়ল যেন একটা মাংস খণ্ড। পুড়ে গেছে। নাক চোখ দিয়ে ধোয়া বের হচ্ছে। পোড়া মাংসের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ল। এই সব ঘটনা ঘটল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে। যে ড্রাইভার গুলো রাফিকে মারছিল তারা কিছুই বুঝে উঠতে পারল না। হঠাৎ চোখ পড়ল রাফির দিকে। রাফি উঠে দাঁড়িয়েছে। মনে হচ্ছে যেন সে নিজের পায়ে ভর দিয়ে দাড়ায়নি। একটু ঝুঁকে চোখ বড় করে যেন দেখছে তাদের। স্থির দাড়িয়ে থাকল রাফি। জোর বৃষ্টিতে অতিমানবিক মনে হল তাকে। নাক দিয়ে বয়ে চলছে রক্তের রেখা। মুখের আরও কয়েকটা স্থান থেঁতলে গেছে।

ড্রাইভার গুলো ভীষণ ভয় পেয়ে গেল। যে যেদিক পারে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করল কিন্তু বেশী দূরে যেতে পারলনা। তিনজন লোককে মনে হল কে যেন একপা ধরে চ্যাং দোলা করে ঝুলিয়ে দিল। লোক গুলোর জান্তব চিৎকারে আশপাশ কেপে উঠল। প্রায় তিরিশ ফুট উপরে ভাসতে থাকলো। বাতাসে হাতপা ছুড়ে চিৎকার করতে থাকল। হঠাৎ যেন তাদেরকে মাটিতে আছড়ে ফেলা হল। পিচ ঢালা রাস্তায় তাদের মাথাগুলো থেতলে গেল। মগজ ছিটিয়ে পড়ল চারদিকে। বৃষ্টিতে ধুয়ে যেতে থাকল। পড়ে রইল যেন কতগুলো মাংস পিণ্ড।

রাফি যেন কিছুই দেখছে না। সামনের রাস্তা ধরে হাটা শুরু করল। স্কুটার গুলো পার হয়ে চলে যাওয়ার পর একে একে প্রত্যেকটা স্কুটারের গ্যাস সিলিন্ডার বিকট শব্দে বাস্ট করে আগুন ধরে গেল। প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে স্কুটার গুলো জ্বলতে থাকল। রাফি বৃষ্টির মধ্যে সামনে হাটতে থাকল। কিয়দক্ষনে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো যারা দেখল তারা দেখল যেন একজন অতিমানব বৃষ্টির মধ্যে হেটে হেটে হারিয়ে গেল।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
সালেহ মাহমুদ বেশ চমত্কার লেখা, ধন্যবাদ
মিলন বনিক অতি মানবীয় ব্যাপার গুলো সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন...অনেক ভালো লাগলো...ধারাবাহিকতা আশা করছি....
ধুমকেতু অসাধারণ, আমি যেমনটি পছন্দ করি। গল্পে মিরাকল একটা অদ্ভূত ব্যাপার, সবাই সেটা তুলে আনতে পারে না। আপনি অসাধারণ নৈপুণ্যের পরিচয় দিয়েছেন। তবে গল্পের বিস্তারটা আরো বড় হলে ভালো হতো। ধন্যবাদ।
সিয়াম সোহানূর অনেক অনেক ভাল লেগেছে। চলুক গল্পবলা। সঙ্গে আছি। ধন্যবাদ ।
আহমেদ সাবের আমাদের দেশে টিকে থাকতে হলে রাফির রক্ষকের মত একজন দরকার। সুপারভাইজারের শাস্তিটা কি পরবর্তী পর্বে আসছে? অপেক্ষায় থাকলাম। যদি কিছু মনে না করেন, দুটো বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। (১) "ছিপছিপে" শব্দটার অর্থ হল সরু। সাধারনতঃ দেহের বিশেষণ হিসেবে শব্দটা ব্যাবহার করা হয়। যেমন - ছিপছিপে শরীর। আর বৃষ্টির সাথে চলে "টিপটিপে"। যেমন - টিপটিপে বৃষ্টি (২) কিয়দক্ষন (বা কিয়ৎক্ষন) 'এর অর্থ হল কিছু সময়। "কিয়দক্ষনে ঘটে যাওয়া " - এখানে বোধ হয় "কিয়দক্ষন আগে ঘটে যাওয়া " বা "কিছুক্ষণ আগে ঘটে যাওয়া " ব্যাবহার যুক্তিসঙ্গত।
অনেক ধন্যবাদ সাবের ভাই। মনে করব কেন? লেখতে গেলে লেখকের চোখে অনেক কিছু এড়িয়ে যায়। পাঠকই সঠিক ভাবে, সে গুলো ধরিয়ে দিতে পারে। ভুল গুলো ধরিয়ে দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ ওয়াহিদ হুসাইন ................................খুব সম্ভব বাকি আংশ পরে পাচ্ছি, খুব আগ্রহের সাথে অপেক্ষায় থাকলাম। শুভেচ্ছা রইল।
মামুন ম. আজিজ দারুন। রাফিকে নিয়ে একটা সিরিজ করে ফেলতে পারেন। ..বাবা মেরিছিল ..বাবাও ধ্বংষ হলো..তারপর এই সিএনজির ড্রাইভারগুলো...বেশ লাগলো....সামনে রাফির আরও একশন দেখতে চাই..
তানি হক গল্পের শেষে এসে যেন একটা ধাক্কা খেলাম ...দারুন একটি গল্প ..ভালো লাগলো ...ধন্যবাদ আর সুভেচ্ছা
sakil onek vhalo ekta golpo. Besh vhalo legeche
Lutful Bari Panna লেখাটা আগেই পড়েছি। আপনার সাথে কি কোনভাবে যোগাযোগ করা যায়। প্রকাশ্যে না হলে বার্তা পাতায় েফান নম্বরটা দিয়েন।

১৬ জানুয়ারী - ২০১২ গল্প/কবিতা: ৩২ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "ভয়”
কবিতার বিষয় "শুন্যতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ আগষ্ট,২০২২