কবির মনে কাব্য ছিলো
পাখির ছিলো গান
চাঁদের গায়ে ঝলক শাড়ী
জোছনা অফুরাণ
যৌবন ছিলো মধুর বিধুর
রঙিন ছিলো আশা
অন্ধ মনের কোণে ছিলো
একটু ভালোবাসা।

আমার একটা নদী ছিলো
কাজল কালো ঢেউ
সেই নদীতে নাউ বাইতে
পায়না সাহস কেউ।
উজান তলী গায়ের বাঁকে
হাটের সওদা নিয়ে
সাঁঝ বেলা আসতাম ফিরে
ভাটির গান গেয়ে।
কলসি কাঁখে নদীর বাঁকে
রূপের বাদাম তুলে
মুচকী হেসে কইতো কথা
ভয় সঙ্কোচ ভুলে।
গানের ভাষায় বলেছিলাম
হৃদয় নদীর কাছে
উঠবে আমার নায়ে এসো
জায়গা খালি আছে।
ভরা নদীর দু’ কুল জুড়ে
ঢেউ উপচে পড়ে
নায়ে তুলে আনলাম তারে
জীবন সাথি কোরে।

উড়কি ধানে মুড়কি আর
বিন্নি ধানের খৈ
পান সুপারী দোক্তা হাতে
ফিরতাম ঘরে ঐ।
যেই ঘরেতে থাকতো বসে
কন্যা কাজল কালো
নদীর মতো মন ছিলো তার
ছিলোনা চোখে আলো।

জীবন নদীর হাজার বাঁকে
ছিলোনা আক্রশ
আয়ত দুই চোখের ছিলো
আজন্ম দোষ।
প্রেমের আলো জ্বেলে কন্যা
থাকতো পথ চেয়ে
আমার চোখে দেখতো ভূবন
জন্মান্ধ সেই মেয়ে।