অবাধ্য স্বপ্ন বারবার হরণ করছে সুখ-নিদ্রা
চেতনার বেহিসাবি কথোপকথন
উড়িয়ে আনা কৃষ্ণচূড়া পাতার মতই মায়াবী লাগে
তবুও অশান্ত আত্মার উদগিরণ থামে না
থামে না নির্ঘুম জ্বালাতন।
মনের দিঘিতে সাঁতার কাটি অবেলায় সারাক্ষণ !
প্রিয়তম!
আমি পৃথিবী চাইনা !
চাইনা নীল বনভূমি...উপত্যকার বেগুনী ফুল ।
ছায়াহ্রদ - সবুজ ফার্ন ।
শঙ্খ-লগ্নে তোমায় বলি
জ্যোৎস্না-জলে সময় কাঁদে
কাঁদে ক্রিস্টাল দুঃখ !
শুধু বুঝে নাও অপরিস্ফুট আরতি।


সমুদ্রের ঢেউ কে বলেছি ‘ভালবাসি তোমায় !
সে শুনেছিলো গোপন ছন্দ-তাল ।
তুমি বোঝনি ... তুমি দেখনি
চোখের সৈকতে শুধু ভেজা ভেজা বালিয়াড়ি নয়
সেখানে আত্মগোপনে রয়েছে চোরা প্রেমের আলপনা
লাল লাল কিছু অবুঝ কাঁকড়াও করছে বসবাস।
তুমি ছুঁয়ে দেখ ! এ প্রাণে বাসা বেঁধেছে হিমেল কামনা ।
ঠোঁটের উপর জমাট বাঁধা শিশিরের লাজুক
স্বীকারোক্তি – ভালবাসি তোমায় !

হেমচন্দ্রের রাতে
যদি হেসে উঠে ফালগুণ-সৌরভ
যদি ভুলেও ডানা ঝাঁপটায় প্রেম-ইতিহাস
তবে তো ভাসবেই
তবে তো উড়বেই কিশোরী-হৃদয় ।

কিন্তু বুকের অলিগলির
ব্যস্ত পথিক আজ বড়ই অস্থির
ল্যাম্প পোস্টের সবুজ গানে
বাজায় সে ভায়োলিন
ভালবাসি তোমায়!
বড় বেশি ভালবাসি...।
অর্পণ সে অরণ্যে
ছড়িয়ে দাও পূর্ণতার
সবুজ মেস্ক-আম্বার ঘ্রাণ !
হৃদয় ছায়া পথে দেখ !তোমার জন্য ফিরে এলো
প্রেমের দুর্লভ ধূমকেতু... ।