আমি জানি, তুমি বইবে না আমার একটুখানি চাওয়া নষ্ট,বিপন্ন,ক্ষত,এই শব্দটার শুধু কবিতায় আশ্রয় অবহেলা নিংড়ানো জ্বলজ্বলে মাংসপিণ্ড ঐ বেহাগের বিষবর্ষনে আপাদমস্তকে ভিজে রই। চৈত্রের রোদে পুড়ে, পরেছি যখন চৌচির মৃত্তিকা বসন মুছে যায় আমার সব চেনা পথ, যে পথে হেঁটে ছিল সে!আমার জন্মাবধি; সোদা মৃত্তিকা গন্ধ আমার শরীর জুড়ে রক্তকণিকায় হাড় মুজ্জায় করেছে প্রবেশ তোমাকে চাওয়ার ঘ্রাণ নিশুতি রাতের আঁধারের মত রাতের প্রবেশ করেছে হরণ। রাতের দ্বিপ্রহরে কেন যে বাজায় তন্দ্রা বাঁশি বিরহী রাধার রাত আমাকে করেছে গ্রহণ জটাধারী চাঁদ আমাকে বিদ্রূপ করে, ডুবিয়ে মারে জ্যোস্না ভাসান অথচ ঐ চাওয়াটা আমার, বাঁচিয়ে রাখে কঙ্কাল রাতের প্রবঞ্চনা থেকে। মুছে যাওয়া রাতের আঁধারে রৌদ্র যখন জ্বালায় নেশা আঁতুড় ঘরের নন্দন চিৎকার,সেই প্রথম চাওয়া আমার তাইতো ক্ষুধার্ত আজও সেই যে একটু চাওয়া। আমার পথেই বসেছে নন্দনকিশেরা পার্বণ; বাঁশের বাঁশি,তালপাতার বাঁশি কাগজের ফুলের চরকি হাওয়ায় ঘুরে, চক চক ভালবাসার জাদুর বাহার হাতি,ঘোড়ার বাঘের সাঁচের মিষ্টি মুণ্ড,নাটাই ঘুড়ি হাতে দুরন্ত কিশোর সেইতো ফুললেল ভাবানার আমলকী বৃক্ষ,পাতা ঝরে নিত্য আমার আঙ্গিনায়।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
আহমাদ মুকুল
এখানে বেশীর ভাগই সখের লেখক। অধিকাংশ লেখক-পাঠকের (নিজেকে গুনেই) অবস্থানের চেয়ে আপনার লেখাটি অনেক উপর দিয়ে যাবে। আপনার লেখা এই সাইটের মানদণ্ড হোক।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।