অনর্থ পথ্য চারণ শেষে রিক্ততার বর্জ্য ভরা
বিনিদ্র প্রিয়তা নামলে মনে পড়ে-
আমার ভেতর আমি বলে
কিছু একটা কোন দিন ছিলো না।
ভুলো মনে ধূলোয় মোড়া দেয়ালটা
স্পর্শ করে খোঁজা হত-
ইতঃস্তত তাকিয়ে থাকার ভগ্নপ্রায় দিনগুলো।

ছাতের কোণায় এখন
বহু অধ্যবসায়ে গড়া ঝুলের বাসর,
নিরেট ভাগ্যের দামে কর্তৃত্বের কেনা
দামী দামী প্রশ্নগুলোর জবাব দিয়ে যায়।
চাঁদের পাশে জ্যোৎস্নার আঁকিবুকি
ছটা ফেলে অপারগ আক্রোশকে
ভেংচি কেটে বুঝিয়ে দেয়,
ফেরারী ছিলো আমার অপরাধ।

আমার মূর্তিমান পাথরটার চোখ জুড়ে
জ্বলজ্বল করে বিষাদ মাখা শিশিরগুলো,
আর্তনাদে নয়, হাতছানিতে নয়;
প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার পর শুধু
ফিসফিসিয়ে বলে-
আমি মুক্তি চাই...........।