প্রতিনিয়ত জীবনের কঠিন বাস্তবতার সাথে অভ্যস্ত হতে হতে এক সময় আমরা যেন নিজেদের হারিয়ে ফেলি। নশ্বর কিছু চাওয়া-পাওয়ার হিসেব কষে অনুভূতিগুলোকে খোদাই করার ব্যর্থ চেষ্টা করি নির্লিপ্ত খোলশের মুখে। হারিয়ে ফেলি প্রতিদিনের জ্যোৎস্নায় ধোয়া; শিশির মাখা সেই চিরচেনা "আমি" টাকে। পার্থিব অসুখের দোহাই দিয়ে অকপটেই এড়িয়ে যাই পাথর ভেঙে তার বেরিয়ে আসার হাহাকারটাকে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৭ মার্চ ১৯৮৯
গল্প/কবিতা: ৬টি

সমন্বিত স্কোর

৪.২

বিচারক স্কোরঃ ২.৪ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - পার্থিব (আগস্ট ২০১৮)

অভিশপ্ত ভাস্কর্য
পার্থিব

সংখ্যা

মোট ভোট ১৮ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.২

রাহাত

comment ৯  favorite ০  import_contacts ১৩৭
অনর্থ পথ্য চারণ শেষে রিক্ততার বর্জ্য ভরা
বিনিদ্র প্রিয়তা নামলে মনে পড়ে-
আমার ভেতর আমি বলে
কিছু একটা কোন দিন ছিলো না।
ভুলো মনে ধূলোয় মোড়া দেয়ালটা
স্পর্শ করে খোঁজা হত-
ইতঃস্তত তাকিয়ে থাকার ভগ্নপ্রায় দিনগুলো।

ছাতের কোণায় এখন
বহু অধ্যবসায়ে গড়া ঝুলের বাসর,
নিরেট ভাগ্যের দামে কর্তৃত্বের কেনা
দামী দামী প্রশ্নগুলোর জবাব দিয়ে যায়।
চাঁদের পাশে জ্যোৎস্নার আঁকিবুকি
ছটা ফেলে অপারগ আক্রোশকে
ভেংচি কেটে বুঝিয়ে দেয়,
ফেরারী ছিলো আমার অপরাধ।

আমার মূর্তিমান পাথরটার চোখ জুড়ে
জ্বলজ্বল করে বিষাদ মাখা শিশিরগুলো,
আর্তনাদে নয়, হাতছানিতে নয়;
প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার পর শুধু
ফিসফিসিয়ে বলে-
আমি মুক্তি চাই...........।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement