দূরে- বহুদূরে; চেনা- অচেনা কোন ধূসর পথে; নিয়ন আলোয় চমকে ওঠে তোমার মুখ। মাতাল হাওয়ায় ভেসে আসে সে ঘ্রাণ। আর- কোন কফিনের তীক্ষ্ণ এক পেরেকে আটকে আমি অর্থহীন কিছু রক্তক্ষরণ!
শত- সহস্র বছরের চিরচেনা সেই রাত- আঁধার কোনো জ্যামিতিক নিয়মে প্রখরতা কমে যার।
আবার ফিরে আসছে ঘাতক- নিষ্ঠুর রুপালি আভাগুলি!
তাই, এটুকুই বলি- ভালবাসি এখনো তোমায়,
নিষ্প্রাণ আঁধারের প্রতিটি কণায় কণায় লিখে যেতে চাই আজ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মিলন বনিক
আর- কোন কফিনের তীক্ষ্ণ এক পেরেকে আটকে আমি
অর্থহীন কিছু রক্তক্ষরণ!...বাধন ভাই..অনেক সুন্দর কবিতা,,,কবিতার ভাব আর বিন্যাস সুত্যই মুগ্ধ করেছে...অনেক শুভকামনা....
লজ্জা দিলেন কিন্তু দাদা। আমি হয়ত শত জনম চেষ্টা করলেও রাতকুমারী কথাকাব্যের মত একটি কাব্য রচনা করতে পারবনা। আপনাকে কিন্তু বেশ হিংসে হয় আমার হা হা। পাঠের জন্য ধন্যবাদ দাদা। ভালো থাকবেন।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“এপ্রিল ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।