জানালার শার্সিতে খেলা করে বেনোজলের মতন বেড়ে
ওঠা রুপালি ফিনিক।
আমার আধশোয়া-অলস বিছানায়
গ্রিলের ফোকর গলে এসে পড়েছে কিছু আধো- চাঁদের আলো।
কসমিক শূন্যতার সিঁড়ী বেয়ে ঢলে পড়া মায়োপিয়া,
তবু আটকাতে পারেনা এ’দুচোখ।
অবসাদে চেয়ে দেখি, উত্তাল নৃত্যে মত্ত বন্দিশালার
নীল কাঁচগুলো ফিরে পেয়েছে প্রাণ।
শেষরাতে ক্লান্ত চাঁদটা হেলে পড়লে-
সাথে নিয়ে যায় সমস্ত আকাশটাও।
এটুকুই সীমানা আমার – আনন্দ।
আর করোটির ভেতর নিয়ত দামামা বাজায়
কিছু তামাদী স্মৃতির হাতুড়ি।
মন তবু ছুটে যেতে চায় পশমি মেঘের দ্বীপপুঞ্জে,
মনে পরে আজও রয়ে গ্যাছে তোমার আকাশ
সেই চির অচেনা- চির অধরা।