শীতের কুয়াশা ঢাকা গভীর রাতের বুকে
এক গুচ্ছ ফুল হাতে দাঁড়িয়ে আছি-
নির্দিষ্ট সিঁড়ীর ধাপে। এমন সময় হঠাৎ...!
মিনারের ওপাশ থেকে ধোঁয়ার বেষ্টনী পেরিয়ে
ঘৃণাভরা গর্জিত চোখ কপালের মাঝে
জ্বলন্ত আগুনের শিখা চর্কি কাটে উপর দিকে
ধীরে ধীরে দল বেঁধে 'ওঁরা' এগিয়ে আসে,
এগিয়ে আসে চারিদিক থেকে!
রক্ত ভেজা শরীরে ঘাসের চাদর জড়িয়ে মাটি
ছায়ামুর্তি হয়ে ধেয়ে আসে ঝড় বেগে!
শূন্যে ভাসা সজারুর কাঁটা টাটকা রক্তে লেখে-
"অকৃতজ্ঞ তোরা,বিবেকহীন,স্বার্থপর,
মুখোশধারী,মা মারণ উচ্চাটন!"
শ্বাসরুদ্ধ,পোড়া মাংসের ঝলসানো পরিবেশে
উপহাস করে ধোঁয়াটে মেঘের অমানবিক আচরণ!

পরক্ষণেই আকাশ ছুঁয়ে লৌহ মানব
কুচকাওয়াজে সঞ্চরিত হয় বাতাসে !
আঁধার পাপড়ি শুঁকে সময়ের গন্ধটুকুও পাইনা
উপপাদ্যের ভুলগুলো টগবগ করে ফিরিঙ্গি মস্তিস্কে,
মেঘ ভেসে যায় ঝাপসা হতে থাকে সবকিছুই
হাতড়ে ফিরি নগ্ন বরফ মোড়ানো সহজাত জ্ঞান।
শীতল অনুভূতি খামচে ধরেছে হৃদপিণ্ড
সাপের মত কিলবিল করে হাতের ফুলগুলো
কাঁটা ফুটিয়ে দেয় প্রতিটি লোমহর্ষণ!
ঘর্মাক্ত আমি দেখি প্রতিদিনের ক্লান্ত ভোর।
নেশাতুর ভয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে স্মৃতিসৌধে
চারিদিকে চলে উল্লসিত প্রতিবিম্ব হারানো-
অদৃশ্য মায়াজালের আদর।