এখানেই
চিচিং ফাঁকের শেষে আমাদের আশ্চর্য আটাশ
অথবা হঠাৎ ঠোঁটের ছবকে অবাক ঊনত্রিশ;
এখানে আসিনি এখনো অথচ এখানে দাঁড়িয়েই
জেনেছি ফুসফুসের বৃত্তান্ত বারবার...

রোদের জিভের তলায় চিচিঙ্গের ফুল
স্বচ্ছল-
হেঁশেলের থেকে দূরে কী ভীষণ আপনজন ওরা!
প্রচ্ছদ পেরোই, ভুলে যাই (ও অথবা যারা
নিকটে এলেই ঘড়ির অ্যালার্ম)- এইসব অযাচিত কুসংস্কার...

এখানেই, বোতামঘরের কাছে থোকা আমি
বঁধুয়া পৃষ্ঠা পেরোই; দেখি- অক্ষরের থালাবাটি,
আণবিক চাবিকাঠি, অতিক্রান্ত যে সমস্ত কাঠগোলাপ...
খুল্‌ যা সিমসিমের মতো অবশেষে আমার নিষণ্ণ এনভেলাপ;
একপাশে রোজকার টেবিল চামচে মেপে নেয়া দুঃখবোধ,
অনাকাঙ্খিত অবরোধ;
অন্য বিপরীতে- বরাবর, বুক উপচানো শ্বেতাভ পেঁয়াজ ফুল...

আর ক্রমশ আমাদের নিয়ন্ত্রিত/ অনিয়ন্ত্রিত সর্বনামের
মধ্যবর্তী পার্থক্য অথবা ঘনিষ্ঠতায় ভেসে যায়
ডাকটিকিট- এক অগাধ ডানার পাখি- আশ্চর্য অ্যালবাট্রস!