পারলে আমি দিতাম ছুড়ে এমন একটা মন্ত্র, নির্বাসনে দিতাম দেশের আজব গণতন্ত্র! হেথা-হোথা সবখানেতেই তার নামে যা চলে, দুঃখ-কষ্ট-যন্ত্রণাতে বুকটা আমার জ্বলে। ভিন্নমতের প্রতি সম্মান গণতন্ত্রের ভাষা। আমার দেশে গণতন্ত্র প্রতিহিংসায় ঠাসা। সে প্রতিহিংসার আগুন লাগে আমজনতার গায়! ঐ বার্ণ ইউনিটে ছোট্ট শিশু কোন্ দোষে ঘুমায়? রাজনীতিবিদ করছে দেশে চাই ক্ষমতার লড়াই, কয় আমিই শুধু গণতান্ত্রিক। উহ্ মিছে বড়াই! তাই জ্ঞানীমহল মহালজ্জায় মুখ লুকিয়ে রয়! ঐ রাজনীতিবিদ গণতন্ত্রের সংজ্ঞা এ কী কয়! আজকে বড্ড মনে পড়ে স্বাধীনতার কথা, বীর বাঙালির আত্মদানের স্মৃতি যেথায় গাঁথা। পাইনা খুঁজে ঐ স্বাধীনতার মূল চেতনা আজ, জেগে ওঠো ফের জনতা পড়ছে মাথায় বাজ। রাজনীতিজীবি ধরতে সারা বাংলা ঘেরাউ কর, গণতন্ত্র শিখিয়ে তাদের লাগাম টেনে ধর। চেচিয়ে বল চাইনা মোরা আজব গণতন্ত্র! বাংলামায়ের বুকে যেটা মানুষ মারার যন্ত্র।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।