এবারের কবিতার বিষয় আঁধার। আঁধার বা অন্ধকার অনেক অর্থে প্রকাশিত হতে পারে। আক্ষরিক অর্থে আলোর অভাবই অন্ধকার। আর কষ্ট–যন্ত্রণা, খারাপ সময়— এগুলোও মানুষের আনন্দ, সুসময় ইত‍্যাদি আলোর বিপরীতে অন্ধকার হিসেবে উপমিত অথবা বিবেচিত। এখানে 'অন্ধকারের আভায়' শিরোনামের কবিতাটি মানুষের দুঃসময়ের একটা স্থিরচিত্র— যা আপাত একটা বিশেষ ছন্দ আর অন্ত‍্যমিলের মোড়কে উত্তমপুরুষে উপস্থাপিত। এই চিত্রকল্পটির সার কথাটি শেষ লাইনে উচ্চারিত— 'আশিরনখ অন্ধকারের আভায় বেঁচে থাকি।' দুঃখ-কষ্ট মানুষকে কিছু প্রাপ্তির সন্ধানও দেয়। এখানে সেটাকেই অন্ধকারের আভা বিবেচনা করা হয়েছে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
গল্প/কবিতা: ৫০টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - আঁধার (সেপ্টেম্বর ২০১৮)

অন্ধকারের আভায়
আঁধার

সংখ্যা

লুতফুল বারি পান্না

comment ১১  favorite ২  import_contacts ২৩৯
হাত পেতেছি— হাত;
শেষ বিকেলের ক্লান্ত খেয়ায় নামছে ধূসর রাত।
চোখ ভিজেছে, চোখ;
আনকোরা সব দুঃখ জমে এবার পাথর হোক।
লুকিয়ে থাকে— মরণ!
যায়না কষা জীবন জোড়া অলীক সমীকরণ।

ফেরার বাতাস উপচে এলে অধীর হয়ে ভাবি—
হারিয়ে কোথায় গেল আমার ইচ্ছেঘরের চাবি!

রোদ মেলেছি— রোদ!
বিষাদ পুরীর উল্টো ধাবায় ঝলসে ওঠে ক্রোধ।
মন রাখছি মনে।
খোলা হাওয়ার নিবিড় ছোঁয়া, নীলাভ দংশনে—
মিলিয়ে যাচ্ছি, ঘোরে।
আগুন যখন ঘর পেরিয়ে স্তব্ধ বাগান পোড়ে—

গায় মাখি সে তপ্ত শিখা, গায় মাখি জল— নদী।
চাওতো ভেজাও। নয়তো পোড়াও, সবটুকু অবধি।

আনতে গিয়ে জল—
হাতড়ে যখন খুঁজে পেলাম— সমুদ্র অতল!
লবণজলের তীব্র ঝাঁঝে জীবন গুঁজে রাখি—
আশিরনখ অন্ধকারের আভায় বেঁচে থাকি।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement