হাত পেতেছি— হাত;
শেষ বিকেলের ক্লান্ত খেয়ায় নামছে ধূসর রাত।
চোখ ভিজেছে, চোখ;
আনকোরা সব দুঃখ জমে এবার পাথর হোক।
লুকিয়ে থাকে— মরণ!
যায়না কষা জীবন জোড়া অলীক সমীকরণ।

ফেরার বাতাস উপচে এলে অধীর হয়ে ভাবি—
হারিয়ে কোথায় গেল আমার ইচ্ছেঘরের চাবি!

রোদ মেলেছি— রোদ!
বিষাদ পুরীর উল্টো ধাবায় ঝলসে ওঠে ক্রোধ।
মন রাখছি মনে।
খোলা হাওয়ার নিবিড় ছোঁয়া, নীলাভ দংশনে—
মিলিয়ে যাচ্ছি, ঘোরে।
আগুন যখন ঘর পেরিয়ে স্তব্ধ বাগান পোড়ে—

গায় মাখি সে তপ্ত শিখা, গায় মাখি জল— নদী।
চাওতো ভেজাও। নয়তো পোড়াও, সবটুকু অবধি।

আনতে গিয়ে জল—
হাতড়ে যখন খুঁজে পেলাম— সমুদ্র অতল!
লবণজলের তীব্র ঝাঁঝে জীবন গুঁজে রাখি—
আশিরনখ অন্ধকারের আভায় বেঁচে থাকি।