আমরা যতই অহংকারী হই না কেনো, এই দুনিয়ার মোহের পিছু যতই দোঁড়াইনা কেনো, আমাদেরকে সব ছেড়ে সেই আঁধারেই চলে যেতে হবে। সেই ত আসল ঠিকানা। এখানে একজন ক্ষমতাবান লোকের দুনিয়াতে অন্যের সম্পদ নিজের করে নেয়ার জন্য খুন খারাবীর মত অপরাধ ঘটনার বিষয় উঠে এসেছে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৭ আগস্ট ১৯৭৭
গল্প/কবিতা: ১০২টি

সমন্বিত স্কোর

৪.০৯

বিচারক স্কোরঃ ২.২৯ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - আঁধার (সেপ্টেম্বর ২০১৮)

আঁধারেই চলে যেতে হয় সব ছেড়ে
আঁধার

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.০৯

এই মেঘ এই রোদ্দুর

comment ৭  favorite ১  import_contacts ১৭২
সে হারায়ে গেলো অন্তহীনে, তার ছায়াটা কোথাও নাই
সে একাকি আঁধারের গহীনে অথচ জীবনে কতই
ছিল রোশনাই।

বুক ফুলিয়ে স্বগর্বে গর্বিত মানুষ দম্ভে ভরা মন
বাতাসে উড়ত তার অহংকার আর আকাশে উড়ত
বিজয় কেতন।

হুংকার ছেড়ে সেতো নিয়ে নিতো সব বিজয় ছিনিয়ে
অশুদ্ধতার পথটি ধরে তার জীবনের শুরু আর
মিথ্যে সাথে নিয়ে।

চলার পথটি তার প্রশস্থ আগে পিছে পাহারাদার
বুকপকেটে কখনো ফুল ছিলো না রিভলবার
লাগতোই তার।

অপরাধের মাত্রাটা ধীরে ধীরে সীমাহীন হতে থাকে
সম্পদের পাহাড়ে সে বসে ভাবে পৃথিবীর বাদশা,
সে বিভোর থাকে।

পেট পর্বত আকাশ ছুঁই, মুখমণ্ডলে কালছে দাগ
বিবৎস দেখতে লাগে তারে, চেহারায় নেই তার নূর,
রক্তচক্ষু রাগ!

বয়সের ভারে নুয়ে তবু হিংস্র স্বভাবটা যায় রয়ে
নাঙা তলোয়ার হাতে ছুটে রক্ত পিপাসায়, বুকে ছুরি,
বন্যা যায় বয়ে।

মৃত্যু চিন্তাও পারেনি দমাতে অশুদ্ধতার পথ থেকে
নেতিয়ে পড়া জীবনে সহসা ছুরি বসায় কে, পিছনে
অন্ধকারে ঢেকে।

রাস্তায় লাশটি তার কেউ এসে না ধরে, না দেখে ছুঁয়ে
পিঁপড়া কীট পতঙ খায় ছিঁড়ে অহংকারীর শরীর
সে নিথর শুয়ে।

যেতে হয় সবাইকে সব কিছু রেখে আঁধারে একাকি
শূন্য নি:স্ব হয়ে, হাতে আমলনামায় পাপ পূণ্যি নিয়ে
মোহদের দিয়ে ফাঁকি।


advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement