সৌদি আরবের একফালি নীরব রাত। আকাশজুড়ে ছড়িয়ে আছে অচেনা তারা, আর প্রবাসের ক্লান্ত বাতাস। কিন্তু কাইউমের মনে সেই পরিচিত মুখ—মনিকা। তার জীবনসঙ্গিনী, তার প্রতিদিনের প্রেরণা।
কাজ শেষে ছাদে এসে দাঁড়ায় কাইউম। অনেক দূরে, অনেক গভীরে এক অভাব কাজ করে। সাগরের ওপারে থেকেও প্রতিদিন মনে পড়ে মনিকাকে। তার হাসি, তার চোখ, তার ছোট ছোট অভিমান... সবকিছুই যেন হৃদয়ের দেয়ালে এঁকে রাখা।
একদিনও কথা না বললে মনে হয় কিছু একটা ভুল হয়ে গেছে। বুকটা হাহাকার করে উঠে। কেমন যেন শূন্যতা এসে বসে থাকে বুকে। মনে হয়,
"যদি এখনই সব ফেলে উড়ে যেতে পারতাম, শুধু একবার মনিকার মুখটা ছুঁয়ে দেখতে!"
প্রবাস জীবন সহজ না। এখানে সকালে সূর্য ওঠে কর্মের জন্য, রাতে নামে একাকীত্বের জন্য। কাইউম কাজের ফাঁকে মোবাইলের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকে, যদি মনিকা একটু লেখা পাঠায়! একটুকরো ভালোবাসা, একফোঁটা খবর, কিংবা শুধু “ভালো আছো?” এই কথাটাও অনেক বড়।
মনিকার প্রতি ভালোবাসা শুধু কথা নয়, এটা তার জীবনের প্রতিটি নিঃশ্বাসে মিশে গেছে। কাইউম ভাবে,
“এই দূরত্ব, এই অপেক্ষা—সবকিছু পার করেও যদি মনিকার হাতটা আবার ধরতে পারি, তাহলে জীবনটা সার্থক।”
এই ভালোবাসাই তাকে বাঁচিয়ে রাখে। সাহস দেয়, কষ্ট পেরিয়ে নতুন দিন গড়তে। প্রবাসের প্রতিটি ক্লান্ত দুপুর আর নীরব রাত তাকে মনে করিয়ে দেয়—
কেউ একজন অপেক্ষায় আছে। আর সেই অপেক্ষার নাম—মনিকা।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
সৌদি আরবের একফালি নীরব রাত।
২০ এপ্রিল - ২০২৫
গল্প/কবিতা:
১ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
প্রতি মাসেই পুরস্কার
বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।