লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২০ ডিসেম্বর ১৯৮৬
গল্প/কবিতা: ১টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftভালবাসা (ফেব্রুয়ারী ২০১১)

ফিরে পাবার আসা আর বিবেকের প্রশ্ন
ভালবাসা

সংখ্যা

উম্মে সাউদিয়া দোলা

comment ৩৩  favorite ৮  import_contacts ১,৫৪৫
জানি না কীভাবে নিজেকে আরেক জনের কাছে সাড়া জীবনের জন্য সোপে দিব, জার কাছে যেতে চেয়েছি তাকে তো পাই নি,
তখন আমি মাত্র ক্লাস ৭ এ পড়ি জানি না কি ভাবে যেন আমার ধ্রুবকে ভালো লেগে গেলো মরণের অজান্তেই ওর জন্য একটা ছোট্ট জায়গা তৈরি হোয়ে গেলো মরণের গভীরে,সাড়া দীনে একবার না দেখে থাকতে পারতাম না। ওকে ভালো লাগার কোণ SPECIAL কারণ আমার ছিল বলে আমার মনে পোড়ে না তবে ওর ভীতর সুন্দর একটা মন ছিল যা আমাকে ওর প্রতি আকর্ষিত করত ।
দুজন তখন একি জায়গা তে লেখাপড়া করি যখনি ক্লাসে যেতাম মনে হত জেন ওকে না দেখ লে বুঝি আমার সময় ই পার হতনা।
একদিন আমার এক বন্ধর সহযোগিতায় আমি ওকে জানালাম জে আমি ওকে পছন্দ করি,সেই
থেকে আমাদের দুজনার মাঝে তৈরি হল রাত জেগে কবিতা আদান প্রদান আরে চিঠি দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ।
খুব ভালই চলছিল সময় দুজনর মাঝে। দুজন দুজন কে সুধু দেখতাম আর অনুভব করতাম।কিন্তু কোন দিন দুজনার মাঝে কোন সমস্যা তৈরি হয়নি, ছিলনা কোন অসভ্যতা।
হটাৎ কোন এক ঝড়ে দুজন দুজনার মধ্য থেকে হারিয়ে গেলাম, এর বেস কিছুদিন দিন পর শুনলাম ধ্রব বিয়ে করে ফেলেছে কথাটা সোনার পর আমার অনেক খারাপ লাগল। কিন্তু বেশি দিন দুরে থাকতে পারলাম না ঠিকই একদিন নিজ থেকে খুজে বের করলাম ওকে বুঝাতে চাইলাম নিজের মনের অবস্থা কিন্তু লাভ কি ওত অন্নের হয় গেছে। আমিও চেষটা করলাম অর থেকে দুরে থাকতে, মাঝে কেটে গেল ৫ টা বছর আমার সাথে সম্পর্ক হল অনেকের সাথে কিন্তু কাওকেই আমি দ্রবর অবস্থা দিতে পারলাম না।পরে জানতে পারলাম সেও আমাকে এখন ভালবাসে , যতটুক জানলাম সেও সুখে নেই।বিবেকের কারণে আমরা দুজনই চুপ । এই ত কিছুদিন পর আমার বিয়ে , আমি ও সপে দেব নিজেকে কার হাতে কিন্তু জানি না আদ সুখি হতে পারব কিনা।জগতের সুখ নামক জিনিষটা এমন কেন । কেনই যে মানুষ মানুষ কে এত ভালবাসে । আমি কখনই ধ্রুবকে মাফ করব না কারণ ওকে মাফ করলেই আমি ওকে ভুলে যাব , আর আমি তা পারবনা । সবকিছু নিয়তির হাতে ছেরে দিলাম।

“তুমি আজ নেই তাই শূন্যতা সাজে এই অঞ্চল জুরে
যে শূন্যতা আমায় করেছে গ্রাস
যে শূন্যতা আমায় করেছে গ্রাস
যে শূন্যতা তপ্ত মরুকে করে অশ্রু সিক্ত
যে শূন্যতা সব কিছুকে দুমড়ে মুচরে মিথ্যার ভয়ে আটকে রাখে,
যে শূন্যতা কখনও আমায় দারাতে দেয়না জোছনার আন্দোলনে ।
সুধু তোমায় ভেবে,
তুমি আজ নেই তাই শূন্যতা সাজে এই অঞ্চল জুরে”।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement