প্রিয়তমের সব কিছুই বৈচিত্রময়, ভাললাগার। জন্মভূমির মাঝেই তাঁকে খুঁজে পাওয়া। তার কাছেই ফিরে আসা। পাবার নেশা।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২০ নভেম্বর ১৯৮০
গল্প/কবিতা: ২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - বাংলাদেশ (ডিসেম্বর ২০১৯)

তুমিই দীর্ঘ অ বিহীন সুখ!
বাংলাদেশ

সংখ্যা

ফাতিমা আফরোজ সোহেলী

comment ৪  favorite ১  import_contacts ৪১
সুপ্রিয় সুধাকর আমার,
সব চাই; যা আছে তোমার।
'স্রোতস্বীনি নদী চাই, গাং চাই,
ভাঁটার পর যৌবনবতী জোয়ার চাই।
চাই কুয়াশা ভেদ করে পাহাড়ের স্তব্ধতা,
মহাসাগরের জলধারার উদ্দাম বিশালতা
আদিগন্ত সবুজে অসীমে মহামিলন;
এযে মরিচিকা, সেও মানতে চায়না মন!
গ্রামের মেঠো পথে বাউলের গান,
সাথে একতারা দোতারার টূং টাং
আমার বাংলায় এযে না হলেই নয়!
সাথে “বউ কথা কও, বউ কথা কও” কয়
যে পাখি তার একটানা বেহায়াপনা সুর
শুনে, চকিৎ রাঙা নহলির
সদ্য কাজল টানা আঁখি ;
তোমার ক্যানভাসে তাও যত্ন করে রাখি!
এদিকে যখন ভাটির জোর টান
ওদিনে তখন ভরা জোয়ারের বান
তুমুল ঝড়েও মাঝির কন্ঠে ফেরে সারি
বহুদিন প্রিয়াহীন সারেঙও ফেরে বাড়ি।
এর সব কিছুই আমার চাই,
বুঝলে খুব খুব করে চাই!

ঐযে শরতের আকাশের পেঁজা তুলোর ছুটোছুটি
যেন ডানপিটে কিশোরের সকাল দুপুর খুনসুটি
নীচে সচিত্র মেঘছায়া কাশবন
ফেলে আসা বর্ষার স্মৃতি রোমন্থন
নিয়ে, নবান্নের আহ্বান আর পাতা ঝরানোর গান
শেষে, লীলাময়ী ফুলের ফাগুন সবই প্রয়োজন।
সারারাত ভেসে জলে, যে ফেরে ভোরের আলোয়
সেই জ্বেলে, কিংবা মাধুকরী যার গল্প না ফুরোয়,
জল নেমে গেলে আগাছা পোড়ানো সে ধোয়ার ঘ্রাণ
আর কিষাণের নিপুণ হাতে বোনা সরষের প্রাণ,
ভাঙ্গনে সর্বহারার মনে জীবনের হাতছানি
শহরমুখি মানুষের কর্মক্লান্ত মুখখানি।
এরসবই আমার চিরআপন আকাঙ্ক্ষার
শহর নগর গ্রাম কিছুই নয় ফেলে দেবার।
প্রিয়তম, বাংলাদেশ আমার,
তুমিই আমার প্রিয়তমেষুর দেখা অদেখা মুখ
দৃশ্যে অদৃশ্যে তুমিই দীর্ঘ অ বিহীন সুখ!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement