প্রতিবছর ১৪ ফেব্রুয়ারি সারা বিশ্বে "ভ্যালেন্টাইন ডে" বা " বিশ্ব ভালোবাসা দিবস" হিসেবে পালন করা হয়। কিন্তু কেন? সে বিষয়ে নানা কাহিনী কথিত আছে। তবে তা্র প্রকৃত ইতিহাস না জেনে অন্ধভাবে তা পালনের জন্য শালীনতা বিষর্জন দেয়া মোটেই সমীচিন নয়।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৩১ জুলাই ১৯৭৬
গল্প/কবিতা: ৮টি

সমন্বিত স্কোর

২.৭৮

বিচারক স্কোরঃ ০.৯৮ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - ভ্যালেন্টাইন (ফেব্রুয়ারী ২০১৯)

ভ্যালেন্টাইনের ইতিকথা
ভ্যালেন্টাইন

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৭৮

মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী

comment ৬  favorite ০  import_contacts ১৯৩

অনেক দিন আগের কথা, রোম দেশের এক গ্রামে
বাস করতো এক পাদ্রী লোক ভ্যালেনটাইন নামে।
সেই সময় রোম দেশের রাজা ছিলেন ক্লাডিয়াস;
যার নিষ্ঠুর শাসনে মানুষ করতো কষ্টে বসবাস।
নিষেধ করে তখন রাজা ধর্মীয় বাণী প্রচার করা;
করলে কেউ বিয়ে-সাদী পড়তে হতো হাতকড়া।
এমন সময় ভ্যালেন্টাইন চালায় গোপনে প্রচারণা;
ধরে তাকে রাজার লোকে, সফল হতে পারিলোনা।
বন্দী করে রাখে তারে অন্ধকার এক কারাগারে;
অতীষ্ট করে তুলে তারে নির্দয় নিষ্ঠুর অত্যাচারে।
বিবাহপ্রথার জন্য তখন ভ্যালেন্টাইন দিল প্রাণ;
তাই তথাকার যুবক-যুবতী গাহে তারই গুণগান।
দুই শত সত্তর সালের চৌদ্দই ফেব্রুয়ারি
ভ্যালেনটাইনের মৃত্যুদন্ড হয়েছিলো কার্যকরী।
সেই থেকেই এই দিনকে বলে ভ্যালেনটাইন ডে;
পালন করে যুব সমাজ ভালোবাসার আনন্দে।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement