দিগন্তরেখায় ঢলে পড়েছে সূর্য,
প্রায় অস্তমিত।
প্রেমিকের হাত জড়িয়ে
ফিরছে ওরা
এবার যে ঘরে ফেরার পালা।

হঠাৎ
অন্ধকারে ফুটে ওঠে
চারতে পিশাচ মূর্তি।
এক ঝটকায় টেনে নেয়
মেয়েটাকে।
সন্ধ্যার অন্ধকারে মেয়েটা
আপ্রাণ চেষ্টা করে
লজ্জা স্থান ঢাকতে।
নিরুপায় প্রেমিকের প্রতিবাদ
হারিয়েছে ভাষা।
রাত্রির অন্ধকারে প্রকট
উন্মত্ত লালসা।

এমন সময়,
অন্ধকার সরিয়ে
আলোর দিশা আনলো
এক কনস্টেবল।
বাধা দিয়ে
প্রতিবাদ করল ও।
বাধ সাধল চারজনের,
আচমকা আক্রমণ করল ওকে
আমূল ছুরি
বসিয়ে দিল ওর হাহাকার বুকে।
তখনো ওর মুখে
ছোট্ট একটা গোঙানি প্রতিবাদ,
তারপর নিঝুম-নিশ্চুপ।
ঘুরে দেখে
শিকার পালিয়েছে।
অতৃপ্ত বাসনা নিয়ে
চলে যায় ওরা চারজন।

চলে গেল আর ও একজন,
ভাসলো একটা পরিবার।
খড়কুটোর মতো ভেসে গেল
একটা ছোট্ট প্রতিবাদ,
ভ্রূণ অবস্থাতেই।