হে যুবক শোন! বিশ্ব ভুলে, ভুলুক।
একাত্তর তোমাদের অন্তরে চির জাগরুক!
আহা কত বেদনা কত আশায় প্রকম্পিত সেসব দিন,
দেশের মাটির ইজ্জত রক্ষায় সাড়া দিলো কত যুবা,
কী করে ভুলবে তাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা,
বুকের ভিতরে বুলেট- টকটকে রক্তজবা!

বাড়ির আরাম হারাম করে তারা
চলে গেলো বিপদের মুখোমুখি।
জাতির দুর্দিনে হাল ধরলো,
জাতিকে করতে সুখী।

দেশের জন্য তারা সোল্লাসে দিলো প্রাণ।
তারা কেউ পুত্র, কেউ পিতা, কেউ স্বামী।
তাদের রক্ত তোমরা বৃথা যেতে দিওনা,
বুকের গহীনে চাষ করো ভালোবাসা-দামী।

হে যুবক শোন! তোমার মত যে জন জীবন দিয়েছিল,
তার এতিম বাচ্চা আর বিধবা স্ত্রী'র বুকে ছিল
কষ্ট আর গর্বের বহতা ঝর্ণা!
সেই গর্ব নিয়ে তোমরা দেশের দিকে ফিরে তাকাও।
এই মাটিকে তোমরা অপমানিত হতে দিও না।

দেশের স্বাধীনতার চারায় সেচ দিয়েছে
জাহাঙ্গীর-মতিউরদের অশ্রু এবং ঘাম এবং রক্ত।
তাদের নির্ভয় পদক্ষেপ কাঁপিয়ে দিয়েছে শত্রুর তখত।
এমন বীরত্ব তোমরা কখনই ভুলো না,
এমন চূড়ান্ত ত্যাগ অপমানিত হতে দিও না।

তোমরা লড়াই করা জাতি, তোমরা বীরের বংশধর।
হে যুবক হুশিয়ার! চারপাশে সাম্রাজ্যবাদী চর!