দ্বৈততা

ভালবাসায় গল্পের শুরু (ফেব্রুয়ারী ২০২৩)

পুলক আরাফাত
মোট ভোট ১০ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৯৬
  • 0
  • ২৩৬
ভোর চারটায় হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে গেলো অবন্তীর। বাইরে তাকিয়ে দেখে ঘন কুয়াশায় ঢেকে আছে চারদিক। ল্যাম্পপোস্টের নিচে বালির স্তূপের মাঝে তিনটি কুকুর জড়সড় হয়ে ঘুমিয়ে আছে। এর মাঝেই একটি ট্রাক এসে দাঁড়ালো অবন্তীর বাসার ঠিক পাশে। পাশের জায়গাটিতে কাজ শুরু হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। ট্রাক থেকে শ্রমিকরা পাথর নামাচ্ছে। অবন্তী জানালাটা খুলে অল্প কিছুক্ষণ দেখেই আবার লাগিয়ে দিলো। অবন্তীর ভালো লাগছে না একটুও। বাসার সবাই ঘুমে এখনও। কি করবে বুঝতে পারছে না সে। গতকাল মনটা অনেক খারাপ ছিল। অল্পের জন্য একটি বিষয়ের কারণে এই সেমিস্টারে ‘এ’ গ্রেড পায়নি অবন্তী। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সেমিস্টার শেষ হলো তার। অবন্তী ভাবছে ফজরের নামাজ পড়বে। নামাজ পড়লে মন ভালো থাকে। নিজেকে খুব নির্ভার লাগে তখন। অবন্তী অবশ্য সবসময় পড়ে না। তবে মন খারাপ থাকলেই পড়ে। আজান হয়ে গেছে। অবন্তী অজু করে পবিত্র কাপড় পড়ে প্রার্থনায় দাঁড়ালো। বাইরে আবছা অন্ধকার। দোআ হলো নামাজের মস্তিষ্ক। অবন্তী দোআ শেষ করে আলতো করে চোখ মুছে জায়নামাজ ভাঁজ করতে করতে ভাবছে মাকে ডাক দেবে। মায়ের রুমে গিয়ে দেখে ওর মা জেগে গেছে। “অবন্তী, নামাজ পড়েছিস?” “হ্যাঁ, মা”। “বিছানায় কম্বলের নিচে নিরিবিলি শুয়ে থাক। আমি নামাজটা পড়ে তোকে নাস্তা বানিয়ে দিচ্ছি।“ “তাই দাও মা। গতরাতে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। খুব ক্ষুধা লেগেছে।“ অবন্তীর ভাই আনাদ এবার এসএসসি পাশ করেছে। গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। ভীষণ পড়ুয়া ছেলে আনাদ। অবন্তী আর আনাদের বাবা থাকেন দুবাই। বেশ কয়েকবছর আগে দেশে এসেছিলেন। প্রায় তিনমাস থেকেছিলেন। সবাইকে নিয়ে রাঙ্গামাটি ঘুরতে গিয়েছিলেন।


“অবন্তী নাস্তা খেয়ে নে। আমি একটু শুয়ে থাকবো। শরীরটা ভালো লাগছে না। পরে উঠে খাবো।“ অবন্তী ডিম ভাজি আর পরোটা খেয়ে নিজের কক্ষে গিয়ে কম্পিউটারে হালকা শব্দে রবীন্দ্রসংগীত শুনতে লাগলো। সকাল নয়টা বাজে। নতুন সেমিস্টার শুরু হবে কিছুদিন পর। আনাদের ইচ্ছে ঢাকা কলেজে ভর্তি হবে। মানবিক বিভাগের ছাত্র সে। অনেক নামীদামী স্বীকৃত মানুষ ঢাকা কলেজের ছাত্র ছিলেন। আনাদের ইচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়ার। ছোট হলেও রাজনীতি ভালো লাগে তার। অবন্তীর রাজনীতি ভালো লাগে না। ইন্ডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়ছে অবন্তী। ভবিষ্যতে ব্যাংকার হবে এটাই ওর ইচ্ছে। বেসরকারি ব্যাংকের চাকরীর পরিবেশ খুব ভালো লাগে অবন্তীর। বেতনও বেশী।


ভারতের খুব সুন্দর নতুন একটি মিউজিক ভিডিও দেখা শেষ করে কম্পিউটার বন্ধ করে আনাদকে ডাক দিলো অবন্তী। “আনাদ, চল আজ বাজারে যাই। মা’র শরীরটা ভালো না। প্রতিদিন তো মা বাজার করে। আজ তুই আর আমি মিলে বাজার করবো। বাজারে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেবো কি কিনবো।“ “আচ্ছা একটু দাঁড়াও, আমি প্রস্তুত হচ্ছি।” বাইরে হালকা রোদ উঠেছে। তবুও কুয়াশার আচ্ছাদন চারদিকে। পৌষ মাসের শেষ সপ্তাহ এটি। রিকশায় যেতে যেতে আনাদ বললো বাজারে যে ভালো রেস্তোরাঁটি আছে আজ ওখানে সে নাস্তা করবে। প্রতিদিন ডিম আর আলু ভাজি খেতে তার ভালো লাগে না। সাড়ে নয়টার দিকে দু’জন বাজারে পৌঁছে গেলো। বাজারে অনেক মানুষের ভিড় দেখতে পেলো অবন্তী। আনাদ বললো আগে নাস্তা সেরে নেবে। আনাদ তিনটা তেলে ভাজা পরোটা, ডাল আর সবজি অর্ডার করলো। আর বললো দুটা মিষ্টি আর দই দিতে। নাস্তা নিয়ে হাজির রেস্তোরাঁর কর্মচারী ছোট্ট ছেলেটা। আনাদ নাস্তা খাচ্ছে। অবন্তী ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করলো ওর বয়স কতো। শুকনো হাসি হেসে চটপটে ছেলেটা উত্তর দিলো, আট বছর। “তোমার জেলা কোথায়?” “আফা, আমার বাড়ি হাওরের দেশে, কিশোরগঞ্জ।“ “এখানে কোথায় থাকো?” “আমার বইনের সাথে থাহি একটা রুম ভাড়া লইয়্যা। হে গার্মেন্টসে কাম করে। মালিক খাওন দেয় তিনবেলা। তিন হাজার টেহা বেতন দেয়। বাপ মা দেশের বাড়িত থাহে। ছুডু আরেকটা বইন আছে, ইস্কুলো ক্লাস ওয়ানে ফড়ে।“ ছেলেটার সরল কথাবার্তা শুনে অবন্তীর খুব ভালো লাগলো। “আপু, নাস্তা শেষ। চলো, এবার বাজার করা যাক।“ বাজারে ঢুকেই শীতের তরতাজা শাকসবজি দেখে দুজনেরই খুব ভালো লাগলো। সরষে শাক, লাউ শাক, লাউ, গাজর, কাঁচাপাকা টমেটো, লেটুস পাতা, মিষ্টি কুমড়া, শিম, ধনে পাতা, নতুন আলু, আর ফুলকপি কিনে মাছের বাজারে গেলো দু’জন। “কি মাছ কিনবি, আনাদ? ইলিশ নাকি অন্যকিছু?” “আপু, মহাশুল মাছ কিনবো। বাবা গতবার দেশে এসে কিনেছিল। চলো দেখি, আছে মনে হয়।“ একজনের কাছে তিনটা মহাশুল মাছ পেলো অবন্তী। দরদামে হওয়ায় তিন কেজি ওজনের একটা কিনে নিলো। দু’জনেরই এখন লেখাপড়ার কোন চাপ নেই। অবসর সময়। বাসায় এসে মাকে বাজার দেখালো অবন্তী। “এতো বাজার করেছিস!” “মা, আগামী তিনদিনের বাজার একসাথে করেছি। বারোটার পর তুমি আমি মিলে আস্তে ধীরে চলো রান্না করি। মাছ খুব সুন্দর করে কেটে দিয়েছে।“


গোসল শেষ করে দুপুর তিনটায় সবাই একসাথে খেতে বসলো। সবজি দিয়ে খাওয়ার পর মাছের মাথা দিয়ে করা লেবুপাতার মুড়িঘণ্ট খাওয়ার পালা সবার। ফুলকপি দিয়ে কিছু টুকরো রান্না করা হয়েছে। মিসেস অজন্তার রান্নার হাত দারুণ। কন্যা অবন্তীও মায়ের হাত পেয়েছে। এখন পর্যন্ত যারা অবন্তীর হাতের রান্না খেয়েছে সবাই প্রশংসা করেছে। অবন্তী অসম্ভব স্বাদের চা বানাতে পারে। সন্ধ্যের কিছুক্ষণ আগে সবাই বারান্দায় ফুলের বাগানের পাশে বসে মুড়ি দিয়ে চা খাওয়া আর নানান আড্ডায় মেতে উঠলো। বাসায় পুরুষ মানুষ বলতে শুধু আনাদ। বিদেশের জীবনযাপনে কষ্ট আছে। নিজের কাজ নিজের করতে হয়। কষ্ট করতে পারলে যেমন টাকা আছে তেমনি পরিবার ছাড়া থাকার যে মনোবেদনা সেটাই কিন্তু বিশেষ একটি বিষয়। মিসেস অজন্তা বলে উঠলেন, “আজ রাতে তোদের বাবার সাথে ইমোতে কথা বলবো সবাই। গতকাল আলাপ হয়েছে। আজ আবার ইচ্ছে করছে কথা বলতে।“


অবন্তীরা ঢাকার কুড়িলে থাকে। তিন বেডরুমের সুপরিসর নিজেদের ফ্ল্যাট। খুব সুন্দর পরিপাটি করে সাজানো ফ্ল্যাট। অবন্তী বিকেলে বাসার সামনের দোকানে গেলো শ্যাম্পু আনতে। আনাদ ঘুমাচ্ছে। সময় পেলেই আনাদ ঘুমায়। দিনে কিছুক্ষণ ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। যদিও চাকরিজীবনে ঘুমানোর কোন সুযোগ নেই। অবন্তী প্রায়ই লক্ষ্য করে পাশের চায়ের দোকানে বসে একটি ছেলে তাকে ফলো করে। অবন্তী যখনই নিচে যায় তখনই ছেলেটি তাকে উৎসুক হয়ে দেখে। ছেলেটি খুব ভালো করেই জানে অবন্তী ঠিক কখন বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু ছেলেটি কোনদিন তাকে আগ বাড়িয়ে কিছু জিজ্ঞেস করেনি। ছেলেটি দেখতে অনেক সুন্দর। প্রতিদিন অপেক্ষা করে। একটা বাইকে করে প্রতিদিন আসে এখানে। এই এলাকাতেই থাকে। অবন্তীকে দেখা মাত্রই মাল্টা দিয়ে বানানো চায়ের কাপে একাধারে চুমুক দিয়ে যাচ্ছে। অবন্তীর ইচ্ছে করছে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে কেন সে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে। শ্যাম্পুর দোকানের ঠিক পাশেই ছেলেটি বসে আছে। আড়চোখে অবন্তী লক্ষ্য করছে ওর দিকেই তাকিয়ে আছে সে। অবন্তী সাহস সঞ্চয় করলো। শ্যাম্পু কিনে ছেলেটির কাছে গেলো। “আচ্ছা, আপনি আমাকে ফলো করেন কেন? কি করেন আপনি? আমি প্রায়ই লক্ষ্য করেছি আপনি আমার দিকে হ্যাংলার মতো তাকিয়ে থাকেন। ব্যাপারটা কি বলুন তো।“ “জি, আমি রাহিল। একটু সামনেই আমার বাসা। না মানে, এখানে মাল্টার ভালো চা বানায় তো, তাই আসি। হ্যাঁ, এটা ঠিক আমি আপনাকে ফলো করি। আমি এটাও জানি আপনি কখন বাসা থেকে বের হন।“ “কীভাবে জানলেন? চায়ের দোকানদার বলেছে?” “না মানে, ওই আর কি।“ “কেন তাকিয়ে থাকেন এমন করে?” অবন্তী ভ্রু কুঁচকে তাকালো। “আপনাকে কেন জানি আমার খুব ভালো লাগে। তাই যখনই যতোটুকু দেখতে পারি আপনাকে সেটাকেই মনে হয় আমার কাছে সারপ্রাইজ। আর, আমাকে নিয়ে অন্য কোন ধারণা করবেন না। আমি কিন্তু আপনাকে কোনদিন বিরক্ত করিনি। শুধু দেখেই গিয়েছি। আমি এটাও বুঝতে পেরেছি আমি যে আপনাকে ফলো করি আপনি সেটা বুঝে গেছেন কিছুদিন আগেই। তবে আপনি খুব ভালো একটা কাজ করেছেন।“ “কি সেটা?” “এই যে আজ সাহস করে একেবারে আমার কাছে এসে কৈফিয়ত চাচ্ছেন, এটা।“ “আপনি কি মনে করেন মেয়েদের সাহস নেই? শুনুন, মেয়েরা হয়তো কিছুটা অবলা হতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশ চালায় একজন নারী।“ “আপনি রাগ করবেন না। দয়া করে আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমি আপনার সৎসাহসের কথাই বলেছি।“ “কি করেন আপনি?” “আমি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করে এখন চাকরীর চেষ্টা করছি। আশা করি অল্প কিছুদিনের মাঝেই চাকরী হয়ে যাবে। মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে এসেছি।“ “আমি কি করি সবই তো জানেন মনে হয়। যাই হোক, এভাবে আমাকে আর ফলো করবেন না। এটা আমার ভালো লাগছে না।“ “জি, তাহলে কি করলে আপনার ভালো লাগবে? ঠিক আছে, আর ফলো করবো না।“ কথা শেষ করে রাহিলের দিকে একটা মায়াবী দৃষ্টি দিয়ে অবন্তী বাসার দিকে পা বাড়ালো।


নতুন সেমিস্টারের ক্লাস শুরু হয়ে গেছে। রাহিলকে অবন্তী আর কোনদিন চায়ের দোকানে বসে থাকতে দেখে না। একদিন রিকশা করে বিকেলে বাসায় ফিরছিলো অবন্তী। হঠাৎ রাহিলের সাথে ক্রস হচ্ছে এই মুহূর্তে অবন্তীর নাম ধরে চিৎকার করে উঠলো রাহিল। অবন্তী রিকশা থামালো। বাইক ঘুরিয়ে এনে ঠিক অবন্তীর মুখোমুখি রাহিল। “কেমন আছেন, অবন্তী?” “হ্যাঁ, ভালো। আপনি?” “অনেক ভালো। তবে কিছুটা খারাপ। একটু আগে চাকরী হয়েছে আমার। কাল থেকে কাজে যোগ দিচ্ছি। আমি নিশ্চিত আপনি আমাকে খুঁজেছেন চায়ের দোকানে।“ “কিছুটা খারাপ কেন?” “আপনার জন্য। আপনাকে দেখতে পারিনি এই কয়দিন শুধুমাত্র আপনার নিষেধাজ্ঞার কারণে।“ অবন্তী ফিক করে হেসে উঠলো। “কেন, দেখাটা কি খুব জরুরী কিছু?” “অবশ্যই জরুরী, অবন্তী।” “আমাকে পছন্দ করেন বলে?” “হ্যাঁ, তাই। আমি আপনার মোবাইল নাম্বার আর ফেসবুক আইডি জানি অবন্তী।“ “আচ্ছা বুঝলাম ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু মোবাইল নাম্বার কীভাবে জানলেন? পাশের রিচার্জ করার দোকান থেকে নাম্বার নিয়েছেন?” “হাহাহা, ঠিক তাই।“ “তো, আমাকে ফোন করার সাহস বুঝি আপনার এখনও হয়নি?“ “আজই ফোন করবো ভাবছিলাম। ভাগ্যিস, আপনাকে পেয়ে গেলাম।“ পরের দিনই রাহিল অবন্তীকে ফেসবুকে সংযুক্ত করে নিলো। মেসেঞ্জারে প্রতিদিনই কথা বলা আর দেখা হতে থাকলো দু’জনের। রাহিলের বাবা বড় ব্যবসায়ী। একমাত্র ছেলে। রাহিল যদি অবন্তীর কথা বলে ওর বাবা-মা অবশ্যই তা ভেবে দেখবেন।


অবন্তীর সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সকালে রাহিল ওকে বাইকে করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে দিয়ে তারপর অফিসে গেছে। রিক্ত অবন্তীর খুব কাছের বন্ধু। রিক্ত খুবই মেধাবী ছাত্র। পরীক্ষার সময় অবন্তী রিক্তর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পায়। ক্লাসের কোনকিছু বুঝতে সমস্যা হলে কিংবা নোটের দরকার পড়লে রিক্তই তার একমাত্র ভরসা। রিক্তকে অবন্তীর ভালো লাগে। এই ভালোলাগাটা এক সময় ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিলো। কিন্তু মাঝখানে রাহিল এসে জায়গা দখল করে নিয়েছে। তারপরও রিক্তকে ছেড়ে দেয়নি অবন্তী। রিক্ত ওর পাশে থাকলে পরীক্ষার রেজাল্ট অনেক ভালো হবে এটা নিশ্চিত। রাহিল প্রতিষ্ঠিত ছেলে। রিক্তও একদিন প্রতিষ্ঠিত হবেই। রাহিল না রিক্ত এই দ্বৈততায় অবন্তী প্রশ্নের মুখোমুখি। কে হবে তবে অবন্তীর জীবনসঙ্গী?
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
বিষণ্ন সুমন অভিনন্দন ও ভালোবাসা রইলো
মোঃ মোখলেছুর রহমান আন্তরিক অভিনন্দন।
Muhammadullah Bin Mostofa খুব ভালো লেখেছেন। ফেসবুকে “সত্যবাণী প্রকাশনী” সার্চ করে “কলমকার” ম্যাগাজিনে লেখা দিয়েন।
ফয়জুল মহী অসাধারণ লেখা... মুগ্ধতা একরাশ!!

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

এই গল্পটিতে আমি তুলে ধরেছি ভালোবাসার দ্বৈত অনুভবের চিত্র। কিছু অনুভব খুব স্পষ্ট আর ন্যায়সঙ্গত। জীবনের কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয় খুব দ্রুততর সময়ের মধ্যে। কিছু অনুভব বলতে চায় এখনি সময় পূর্ণতার। ভিন্ন কিছু অনুভব বলে সবকিছু বিশ্লেষণ করে দেখতে। চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকলেই শুধু হয় না। বাস্তবতার সাথে মিশে গিয়ে ভাবলে প্রত্যাশা ভিন্ন হয়ে যায়।

২৪ জুলাই - ২০১৮ গল্প/কবিতা: ২১ টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৯৬

বিচারক স্কোরঃ ১.৯৬ / ৭.০ পাঠক স্কোরঃ ৩ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

বিজ্ঞপ্তি

“মার্চ ২০২৪” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৪ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।

প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী