এটি একটি সায়েন্স ফিকশন গল্প।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২১ আগস্ট ১৯৯৮
গল্প/কবিতা: ২টি

সমন্বিত স্কোর

২.৯

বিচারক স্কোরঃ ১.৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.২ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগল্প - অলিক (অক্টোবর ২০১৮)

সুপারহিরো (সায়েন্স ফিকশন)
অলিক

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৯

Ehsan Khan

comment ৩  favorite ০  import_contacts ৬২
১.

তারিখ ২১/৮/৩০০৯, মাঝরাত।
হঠাৎ ই মঙ্গলগ্রহের নব্বইটি বড়বড় অক্সিজেনের খনি মারাত্মকভাবে বিস্ফোরিত হয়েছে।
গুপ্ত স্যাটেলাইট ক্যামেরায় ধরাপড়া আপডেট নিউজ অনুযায়ী জানা গেছে ,,,,,

" মঙ্গলগ্রহের আশেপাশে অবস্থানরত বেশকিছু উপগ্রহ আচানক ভাবেই ধ্বংস হয়েছে। এবং ধারণা করা যাচ্ছে, উপগ্রহ গুলোর মধ্যকার ক্ষতিকারক ভিন্নভিন্ন পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে একে ওপরের সাথে ক্রিয়া করেই, একে অন্যকে ধ্বংস করেছে,,,যার ফলে উপগ্রহ থেকে ছড়িয়ে পড়া সকল ক্ষতিকর গ্যাস একত্রিত হয়ে তার ইফেক্ট উপগ্রহের কাছাকাছি থাকা অক্সিজের খনিগুলোর ওপরে পড়েছে, ফলে খনিগুলো একেএকে বিস্ফোরিত হয়েছে"

উক্ত ঘটনায় মঙ্গলগ্রহের গভার্নর থেকে শুরুকরে সাধারণ জনগণ পর্যন্ত ব্যাপক আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে আছে,কারণ"এখনো পর্যন্ত যতগুলি অক্সিজেনের খনি অবশিষ্ট আছে তা দ্বারা, মঙ্গলগ্রহের মোট জনগণ অর্থাৎ তিনকোটি, নব্বই লাখ,নয় হাজার, নয়শ চারজন মানুষকে আনুমানিক আর মাত্র আট থেকে নয়দিন মত বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব। তাই অতি শীঘ্রই সকল মানুষকে বৃহস্পতি ও শুক্রের অধীনস্থ চাঁদে পাঠানো প্রয়োজন। তার কারণ' একমাত্র বৃহস্পতি ও শুক্রের চাঁদেই বর্ত্তমান জনসংখ্যা খুব সীমিত ও অক্সিজেন ব্যবস্থা অতি উন্নত। কিন্তু মঙ্গলগ্রহে যে পরিমাণ স্পেসশিপ আছে,তা দ্বারা এতো কম সময়ে এতো সংখ্যক মানুষকে বৃহস্পতি ও শুক্রের চাঁদে পাঠানো অসম্ভব। তাই বিকল্প ব্যবস্থার প্রয়োজন।

তবে মঙ্গলগ্রহের জনসংখ্যা অত্যধিক এবং আর্থিক সচ্ছলতার হারও অন্য গ্রহ উপেক্ষা ব্যাপক নিম্নস্তরের। ফলে এখানকার রোবটিক্স কর্মনিয়ন্ত্রণ ক্ষমতাও কম। তাই এখন এমনকিছু পাওয়ার/শক্তি/বস্তু প্রয়োজন যার মাধ্যমে সকল মানুষকে সল্পখরচেও অতি সীমিত সময়ের মধ্যে সহজে কাঙ্ক্ষিত গ্রহে পাঠানো যায়। এই নিয়ে মঙ্গলের সকল বিজ্ঞানীমহল গবেষণায় নিয়োজিত, এরমাঝে দুদিন অতিবাহিত হয়ে গেছে অলরেডি, কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন সঠিক উপায় পাওয়া যায়নি।

২.

মঙ্গলের ম্যারিক্রা প্রদেশের এক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র 'ম্যারিন্ডা'।
তার স্বপ্ন একজন বড় সাইন্টিস্ট হওয়া। সে তার ক্যারিয়ার গঠনের প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে,ইতিমধ্যে ডিএনএ- ট্রান্সফরমার নামক একটি টিস্যু অর্থাৎ যোজন কলা আবিষ্কার করেছে, যা দ্বারা,,যেকোনো মানবদেহের পূর্বের ডিএনএ-কে পরিবর্তন করে নতুনভাবে ভিন্ন ডিএনএ- প্রদান করে,,উক্ত মানবদেহকে ভিন্নতর শক্তিধারী করে তোলা যায়। কিন্তু 'তার টিস্যু তৈরির ফর্মুলায় সামান্য ত্রুটি হওয়ার কারণে এই টিস্যুর কার্যক্ষমতা সাতদিনের বেশি স্থায়ী হয়না। অর্থাৎ পরিবর্তন করা ডিএনএ- সাতদিন পরেই পূর্বের অবস্থানে ফিরে আসে। তাই তার আবিষ্কারটি এখনো স্বীকৃতি পায়নি। তবুও সে পূর্ণ চেষ্টায় আছে সফলতার আশায়।


আর এমন সময়ই তার গ্রহে এই সংকটের আগমন ঘটে।

তাই সেও তার পূর্বের গবেষণা স্থগিত রেখে,,তার গ্রহের মানুষের রক্ষার্থে নতুন গবেষণা শুরু করেছে। এবং তার দৃঢ় ধারণা এইবার সে সফল হবেই।তাই সে মনেপ্রাণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইতিমধ্যে সে ইন্টারনেট থেকে ইতিহাসের একটি বই পড়ে জেনেছে যে" আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগে পৃথিবী নামক একটি গ্রহের অস্তিত্ব ছিল সৌরজগতে। যা এখন শুধুমাত্র ধ্বংসস্তূপ। এবং সেই গ্রহেরই কোন এক বিজ্ঞানী বিভিন্ন পদার্থের সাহায্যে একটি সুপারহিরো স্যুট তৈরি করেছিল, যা পরিধানে সাধারণ মানুষ রকেটসমান গতিসম্পন্ন হয়ে উঠতে সক্ষম।
****

তাই এখন ম্যারিন্ডার প্রধান উদ্দেশ্য,,, পৃথিবীতে গিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে অতিদ্রুত সেই স্যুটটি উদ্ধার করে এনে তার অসংখ্য কপি তৈরি করে,,,মঙ্গল গ্রহের সকল মানুষকে রক্ষাকরা।

সে' সেই বইটিতে আরো জেনেছে, "পৃথিবীর বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সঠিক সংরক্ষণের কারণে ধ্বংসস্তূপের মাঝেও এখনো অক্ষত আছে। এবং সেই স্যুটটি যেহেতু অভূতপূর্ণ, তাই তার বিশ্বাস, সেটি নিশ্চয় অক্ষত থাকবে। তাই সে প্রচুর পরিমাণে ইতিহাস পড়ছে। যেন সে পৃথিবী ও সেই স্যুটটির সম্পর্কে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে, স্যুটটি উদ্ধার করে তার গ্রহের সকল মানুষকে বাঁচাতে পারে।

অতঃপর ম্যারিন্ডা,,, টানা তিনদিন ধরে কঠোর পরিশ্রম করেও পৃথিবী সম্বন্ধে কিছু জানতে পারেনা। যাকেই এই সম্পর্কে বলতে যায়, সেই তাকে পাগল বলে। কারণ এমন কথা কেউই আগে কখনো শোনেনি। আর সেও নিজে কোনবই থেকে পড়েছে মনে করতে পারছেনা,তাই সে তার কথার প্রুফও দিতে পারেনা।।

এক সময় সে ধরেই নেয়,,পৃথিবী নামে আদৌ কখনো কোনো গ্রহ ছিলোনা। তার পড়া বইটি ভুয়া ছিল।

কিন্তু তার পরেরদিন রাতেই সে" ইন্টারনেটের এক ওয়েবসাইড থেকে একটা পূরানো মিউজিয়ামের সন্ধান পায়। যেখানে অনেক প্রাচীনতম নিদর্শন রয়েছে, সে দ্রুত সেখানে যায়।এবং অনেক খোঁজাখুঁজির পরে সেখানে "

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement