মানুষের একান্ত নিজের জন্য সময়ের বড়ো
অভাব পড়েছে আজকাল!
নিত্যনৈমিত্তিক কাজকর্ম পরিবার-
যেন আমাদের অনন্ত কাজের শেষ নেই,
মৃত্যুরই আগ পর্যন্ত অনেক দায়িত্ব-কর্তব্য।

বেঁচে থাকার তাগিদে কতো কিছু করি!
ছেলেমেয়ে পরিজন সবার মনোরঞ্জনে,
সবাই শুধুই পেতে চাই,দাও দাও
আমাকে তোমার সব দাও
প্রয়োজনে নিজের জীবন যদি পারো!

এই সমাজ-সংসার শুধু চাওয়া-পাওয়া
নিয়ে ব্যস্ত,শুধুই নিজের লাভটুকু বোঝে,
যাকনা অন্যের সব তাতে কি আমার?
নিজে বাঁচলেই সব ঠিক!

অথচ কেউবা ভাবে কি এই সংসারে
আমার আসার উদ্দেশ্য কি?
সংসার যেমন ধর্ম, স্রষ্টার প্রার্থনা সর্বশ্রেষ্ঠ
ধর্ম- যিনি আমাকে ভবের বাজারে পাঠিয়েছেন।
আমার-তোমার কতো করণীয়
সমাজ-সংসার এতে কী ভুমিকা রাখে!

প্রতিটি জীবনে কিছু করণীয়,স্মরণীয়,
বরণীয় করে রাখতে গেলেই
ভাবতে হবেই একান্ত নিজেকে।
করে যেতে হবে জীবন চলার পথের পাথেয়;
সত্যিকারের ভাবনায় ডুব দিতে হবে,
জানতে হবে পার্থিব সুখই সুখ নয়।

পাড়ি দিতে হবে অনন্ত জগতে
গাড়ী-বাড়ী,ব্যাংক একাউন্ট যশ-পতিপত্তি
ক্ষমতা সবই থেকে যাবে এখানেই!

কেউ ভাবে কিনা সুখের পারমার্থিক জগতের
মঙ্গলময় সত্তার কথা!
যেখানে অনন্ত সুখই বিরাজ করে-
এসো স্বীয় কর্মের নিমিত্তে একটু ভাবার
সময় রাখি জাগতিক সদৃশ সমাজ সংসারে।