জগতের সবকিছুর তরে বা সমাজ সংসারের পরেও আমাদের একান্ত নিজের জন্য একটু সময় রাখা উচিৎ যা পারমার্থিক জীবনের জন্য কিছু করা।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১০ মে ১৯৭২
গল্প/কবিতা: ৩টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - পার্থিব (আগস্ট ২০১৮)

পারমার্থিক জগৎ
পার্থিব

সংখ্যা

মোট ভোট

উত্তম চক্রবর্তী

comment ৮  favorite ০  import_contacts ৪৪৪
মানুষের একান্ত নিজের জন্য সময়ের বড়ো
অভাব পড়েছে আজকাল!
নিত্যনৈমিত্তিক কাজকর্ম পরিবার-
যেন আমাদের অনন্ত কাজের শেষ নেই,
মৃত্যুরই আগ পর্যন্ত অনেক দায়িত্ব-কর্তব্য।

বেঁচে থাকার তাগিদে কতো কিছু করি!
ছেলেমেয়ে পরিজন সবার মনোরঞ্জনে,
সবাই শুধুই পেতে চাই,দাও দাও
আমাকে তোমার সব দাও
প্রয়োজনে নিজের জীবন যদি পারো!

এই সমাজ-সংসার শুধু চাওয়া-পাওয়া
নিয়ে ব্যস্ত,শুধুই নিজের লাভটুকু বোঝে,
যাকনা অন্যের সব তাতে কি আমার?
নিজে বাঁচলেই সব ঠিক!

অথচ কেউবা ভাবে কি এই সংসারে
আমার আসার উদ্দেশ্য কি?
সংসার যেমন ধর্ম, স্রষ্টার প্রার্থনা সর্বশ্রেষ্ঠ
ধর্ম- যিনি আমাকে ভবের বাজারে পাঠিয়েছেন।
আমার-তোমার কতো করণীয়
সমাজ-সংসার এতে কী ভুমিকা রাখে!

প্রতিটি জীবনে কিছু করণীয়,স্মরণীয়,
বরণীয় করে রাখতে গেলেই
ভাবতে হবেই একান্ত নিজেকে।
করে যেতে হবে জীবন চলার পথের পাথেয়;
সত্যিকারের ভাবনায় ডুব দিতে হবে,
জানতে হবে পার্থিব সুখই সুখ নয়।

পাড়ি দিতে হবে অনন্ত জগতে
গাড়ী-বাড়ী,ব্যাংক একাউন্ট যশ-পতিপত্তি
ক্ষমতা সবই থেকে যাবে এখানেই!

কেউ ভাবে কিনা সুখের পারমার্থিক জগতের
মঙ্গলময় সত্তার কথা!
যেখানে অনন্ত সুখই বিরাজ করে-
এসো স্বীয় কর্মের নিমিত্তে একটু ভাবার
সময় রাখি জাগতিক সদৃশ সমাজ সংসারে।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement