কষ্ট গুলো লজ্জার মোড়কে ঢেকে,
এক জ্ঞান দানকারী পথ প্রদর্শক নিজেকে আড়াল করে।
তার আজীবন লালিত শিক্ষার চারণ ভুমি বর্গীদের দখলে,
সেই অনাহুত কষ্ট বুকে চেপে এই জঞ্জালে ঘেরা ধরার বুকে আজও বেঁচে।


স্বার্বভৌমত্বের পর থেকেই শিক্ষার মন্ত্র পাঠ রত ছিল যে,
তাঁর আদর্শ গেঁথে দিতে কতনা তপস্যা কত শস্য ফলাল শিক্ষার মাঠে।
বলেছিল প্রিয় সন্তান সম শিক্ষা যাত্রী ,
এই দেশ তোমার আমার সকলের প্রাণ প্রিয় অতি।
তোমরা তৈরি হও গড়ে তুলবে নতুন স্বপ্ন আশা, বুকে নিয়ে সুদিনের।

আজ সারা বাংলার এপ্রান্ত থেকে সে প্রান্তে সেই সব শিক্ষার্থী,
বড় হুকুম দাতা,নেতা,আমলা, বড় অফিসের বস কেউবা মন্ত্রী।
তাঁর দেয়া শিক্ষার জ্ঞান উল্টো পথে করছে প্রয়োগ,
নিজের স্বার্থে জলাঞ্জলি দেশ মাতৃকা, করছে অন্যায় ভাবে দখল ভোগ।


অন্ধত্ব ভাল ছিল, দুই কান বধির হলে ক্ষতি কি ছিল?
জরাক্রান্তে যত না ক্লান্ত তার চেয়ে ক্লান্ত বেশি
তাঁর গড়ে তোলা দুর্বৃত্তের কাজ কর্মে ।
সমাজের অন্যায় বলাৎকার স্বৈরাচার ভূখণ্ড-দখলদার
সব সবই তাঁর তৈরি শিক্ষার্থী
করছে নির্দ্বিধায়।
এই অরাজকতার দিনক্রান্তিতে সে নিজেকেও করে দায়ী!
হয়ত ভুল ছিল জ্ঞানদানে, ভুল ছিল শিক্ষার পরিধি ।