মাঝে মাঝে নিজের পরিচয় খুঁজতে গিয়ে আমি বেশ ভাবুক হয়ে পড়ি, কে আমি, পরিচয়টা ঠিক কিভাবে দেয়া উচিৎ? আমি পিতার চোখে ধরণীর শ্রেষ্ঠ দুহিতা; সহজ, সরল, অমায়িক। মায়ের দৃষ্টিতে আমি বোধহয় ঝর্ণার জলের মতন স্বচ্ছ! প্রেমিকা হিসেবে হয়ত প্রেমিকার কাছে আমি বেশ রহস্যময়, অজানায় ভরপুর এক জটিল উপন্যাস। নিজের পরিচয় নিয়ে আমি নিজেই গুলিয়ে যাই ভেবে ভেবে, আমি আসলে কেমন? আমার বৈশিষ্ট্যই বা কি! সমাজের দৃষ্টিতে আমি একজন বাঙালি মেয়ে বা নারী, যে প্রতিনিয়ত ডিঙিয়ে পার হয় ছোট বড় সামাজিক বাঁধাগুলো। অথচ আমি তো সেই মানুষ হতে চেয়েছি, নির্ভয়ে প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলা যার প্রাপ্য অধিকার। খুব ভেবে আমি আবিষ্কার করি আমার নিজেকে, আমি বোধহয় একজন সাধারণ বাঙালি রমণী। আভিধান অনুসারে একজন সুন্দরী নারী কিংবা পত্নী, বেঁচে থাকা অর্থে যে সুখ দুঃখ আর একরাশ স্বপ্নের মিলিত গল্প। আমি কখনো স্বচ্ছ, কখনো জটিল, কখনোবা বেশ হিংসুটে, আমি নারী, আমি রমণী, আমিই শক্তি ধরে রাখি হাতের মুঠে। আমাকে আবিষ্কার করতে গিয়ে বারংবার থেমে যায় মহাকাল, আমি রাত্রির মতন আঁধার, আমিই রৌদ্রজ্জ্বল নতুন সকাল।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
ম নি র মো হা ম্ম দ
অথচ আমি তো সেই মানুষ হতে চেয়েছি,
নির্ভয়ে প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলা যার প্রাপ্য অধিকার। ।।খুব ভালো লেগেছে ।শুভকামনা রইল...আসবেন আমার পাতায়,মন্তব্য জানালে অনেক খুশি হবো
মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া
তেপান্তরের মাঠে বসে যখন কবিতাটি পড়ছি তখন আকাশে বহু কাঙিখত সুপার মুন। কবিতাটি পড়তে গিয়ে কেবলি মনে হয়েছে-কে বেশী রহস্যময়ী-সুপার মুন নাকি রমণী? ভেবে পাই না; তবুও কেউ একজন বলে ‘আমি রাত্রির মতন আঁধার, আমিই রৌদ্রজ্জ্বল নতুন সকাল...’ আসলে রমণীরা ঐ দূর আকাশের সুপার মুন-মায়াবী জোছনার আলো.... ভালো লাগল কবিতাটি। পছন্দ, ভোট ও শুভকামনা রইল।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
প্রতি মাসেই পুরস্কার
বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।
বিজ্ঞপ্তি
“ফেব্রুয়ারী ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।