লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
গল্প/কবিতা: ৩৫টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftসরলতা (অক্টোবর ২০১২)

সাতটি তারার ওই তিমির
সরলতা

সংখ্যা

আহমেদ সাবের

comment ৫৩  favorite ২  import_contacts ১,৩৮৭
অনেকদিন পর রত্নার কাছ থেকে একটা মেইল পেলাম। শুভ বেঁচে থাকতে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই ই-মেইলে ওদের সাথে যোগাযোগ হতো। ও মারা যাবার পর সংসারের হাল ধরতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছে ওর স্ত্রী রত্না। তাই যোগাযোগের সুতোটাও হয়ে গেছে নড়বড়ে। বেশীর ভাগ সময় আমিই মেইল পাঠাই; রত্না সময় পেলে উত্তর দেয়। মাঝখানে প্রায় দু মাস ওর কোন খোঁজ খবর নেই।

শুভাশীষ পট্টনায়ক সিডনী ইউনি’তে আমার সহপাঠী ছিল। ওকে আমরা শুভ বলে ডাকতাম। সে ছিল উড়িষ্যার ছেলে। এক আধটু বাংলা বলতে পারতো বলে আমার সাথে ওর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিল। সে অষ্ট্রেলিয়া ছেড়ে ওয়াশিংটন ডি সি তে বিশ্ব ব্যাঙ্কের কম্পিউটার বিভাগে চাকুরী নিয়ে চলে যায়। তার স্ত্রী রত্নাকর্ন থাইল্যান্ডের মেয়ে, যাকে আমরা রত্না বলে ডাকি।

আমরা সিডনী ইউনি’র সহপাঠীরা এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়লেও, টেলিফোন আর কম্পিউটারের কল্যাণে আমাদের যোগাযোগটা থেকেই যায়। গত জুলাই মাসে শুভ ফোন করে জানাল, নভেম্বরে একটা সেমিনারে যোগ দিতে সে সিডনী আসছে। দীর্ঘ এগার বছর পর আমাদের আবার দেখা হবার আনন্দের আভাষ ওর কণ্ঠে পরিষ্কার পাওয়া যাচ্ছিল। নভেম্বরে আমার বাংলাদেশ যাবার কথা থাকলেও শুভ আসবে বলে যাওয়াটা স্থগিত রাখি।

কিন্তু শুভর আশা আর পূর্ণ হলো না। অক্টোবরের এক কালো রাতে সুদূর আমেরিকা থেকে আমাদের আরেক বন্ধুর ফোনে খবর পেলাম, আমাদের শুভ আর নেই। ষ্ট্রোকে হঠাৎ করে ইহকালের মায়া ছেড়ে সে পাড়ি জমিয়েছে অজানা গন্তব্যে। নভেম্বর এসে গেল কালের অমোঘ নিয়মে। শুভ আসবে বলে আমি অফিস থেকে ছুটি নিয়ে রেখেছিলাম। ছুটিটা কাটলো বাসায় বসে বসে শুভর মৃত্যুজনিত বিষাদের কালো মেঘের আস্তরণে। তারপর কেটে গেছে একটা বছর। আমাদের সহপাঠী, বন্ধু-বান্ধব বা রত্নার ই-মেইল এবং টেলিফোন আলাপচারিতায় শুভ এসে যায় নিজেদের অগোচরেই।

রত্নার সংক্ষিপ্ত মেইলের বিষয়বস্তু হল - ''শুভর নামে আকাশের একটা তারার নামকরণ করা হয়েছে। তারার অবস্থান মেইলের সাথে জুড়ে দেয়া হলো। সে চলে গেলেও, সান্ত্বনা এই যে, সে উপর থেকে সব সময় আমাদের উপর নজর রাখছে''। রত্নার মেইলটা আবার পড়লাম। বুঝা গেল,আমাদের প্রিয় বন্ধু শুভর নামে আকাশে একটা তারার নামকরণ করা হয়েছে। মানুষের সাথে তারার সম্পর্ক সেই আদিকাল থেকে। তারায় আমরা প্রিয় জনের মুখ দেখি। তারার কাছে অনুরাগ বিরাগের কথা বলি। আকাশের তারার দিকে চেয়ে স্মরণ করি প্রিয়জনদের। কল্পকথার মৃতরা ঠাঁই করে নেন আকাশের বুকে – তারা হয়ে। এটা তো তারার দিকে চেয়ে শুভকে স্মরণ নয়; রীতিমত তারার নামকরণ করা হয়েছে ওর নামে। জানতাম, শুভ বিশ্ব ব্যাঙ্কের বেশ বড়সড় কর্মকর্তা ছিল। ওর মৃত্যুর পর ওর সহকারীরা আমাদের সহযোগিতায় ওর নামে একটা ফাউন্ডেশন স্থাপন করেছে। কিন্তু ওর নামে তারার নামকরণ – ব্যাপারটা চাট্টিখানা কথা নয়!

মেইলের সাথে সংযুক্ত সনদপত্রটা কয়েকবার পড়লাম। একেবারে আন্তর্জাতিক তারকা পরিষদ - ইন্টারন্যাশনাল ষ্টার কাউন্সিল (আই,এস,সি) 'র সীলমোহরাঙ্কিত সনদপত্র। দেখে গর্বে আমার বুকটা ফুলে উঠলো। ক্লাসিক্যাল ইংরেজীতে লেখা সনদপত্রে শুভর নামে নামাঙ্কিত তারকার অবস্থান দেয়া হয়েছে। আরও বলা হয়েছে,শুভর নামকরণের সনদ স্থায়ীভাবে সুইজারল্যান্ডের বিশেষ ভল্টে রাখা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে কপিরাইট করা একটা পুস্তকে লিপিবদ্ধ করা হবে।

আমার জানা মতে, আকাশের লক্ষ লক্ষ তারার মাঝে কেবল সামান্য কিছু তারার নামকরণ করা হয়েছে। কি সৌভাগ্য, আমাদের শুভর নাম তাদের মাঝে ঠাঁই করে নিলো। আগে জানতাম, সুইজারল্যান্ডের ব্যাঙ্কের ভল্টে মানুষের টাকা আর মহা মূল্যবান সম্পদ গচ্ছিত থাকে। আন্তর্জাতিক তারকা পরিষদ (আই,এস,সি) এর সনদ অবশ্যই মহা মূল্যবান সম্পদ; তাই হয়তো বিশেষ ভল্টে রাখার ব্যবস্থা।

শুভর নামে নাম করা তারাটার অবস্থান হল – উরশা মেজর আর,এ ১৭ এইচ ৫৯ এম ডি ৬৫’৭”। তারকামন্ডল সম্পর্কে আমার জ্ঞান শূন্যের কাছাকাছি। ইন্টারনেটের বদৌলতে জানলাম, উরশা মেজর এর মানে হল, বিশাল ভাল্লুক। আমাদের অতি পরিচিত সপ্তর্ষি মণ্ডল, উরশা মেজর তারকাপুঞ্জের অংশ। বুঝলাম, উরশা মেজর মানে কি। কিন্তু সেখানেই আটকে গেলাম। উরশা মেজর হয়তো আকাশে খুঁজে বের করতে পারবো; কিন্তু তার পরের সাঙ্কেতিক অক্ষর গুলোর মানে কি? আমার এক সহকর্মী, রজারের জ্যোতির্বিজ্ঞানে কিছুটা আগ্রহ আছে। ওকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম, সাঙ্কেতিক অক্ষর গুলোর মানে হল, উরশা মেজর তারকা পুঞ্জের হাজার হাজার দৃশ্য-অদৃশ্য তারকার মাঝে শুভর নামে নামাঙ্কিত তারাটার ভৌগলিক অবস্থান। রজার আরও বললো, তবে, দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে উরশা মেজর দেখা যায় না। সুতরাং সিডনী থেকে তা দেখার চেষ্টা করে লাভ নেই।

শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল। কয়েক দিন পর এক সকালে অফিসে আসতেই রজার ছুটে এলো আমার ডেস্কে।
তুমি না বলেছিলে, তোমার কোন বন্ধুর নামে একটা তারার নাম দেয়া হয়েছ?

হ্যাঁ, বলেছিলাম তো। আমার উত্তর।

কারা নাম দিয়েছে? রজারের প্রশ্ন।

কে আর দেবে? আন্তর্জাতিক তারকা পরিষদ দিয়েছে।

আমি তাই আশঙ্কা করছিলাম। রজার মাথা চুলকে বলল।

মানে? আমার অবাক হবার পালা।

আই,এস,সি নামে কানাডার একটা ব্যক্তিগত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তথাকথিত তারকা নামকরণের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বহুদিন ধরে। কাল সারারাত ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে আমি ব্যাপারটা জানতে পেরেছি। আকাশের তারা হল বিশ্বের সকলের সম্পদ। আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সংস্থা ছাড়া, কোন তারার নামকরণের আইনগত অধিকার সারা পৃথিবীতে আর কারো নেই। মন্তব্য করে রজার।



তা হলে আই,এস,সি তারকা নামকরণের সনদপত্র দিল কি করে? আমি অবাক হয়ে প্রশ্ন করি।

এ হল মালিক না হয়ে অন্য কারুর জিনিষ বিক্রি করার মত ঘটনা। তুমি যদি সারা আকাশটাই কারু কাছে বিক্রি করে একটা সনদপত্র দিয়ে দাও, তোমাকে ঠেকাবে কে? তবে যে কিনল, সে আকাশটা পাবে কি পাবে না, সেটা ওর ব্যাপার।

বল কি! এতো রীতিমত জালিয়াতি। ওরা যদি অন্যায় করে লোক ঠকাচ্ছে, আমেরিকা বা কানাডা সরকার ওদের ধরছে না কেন?

সেখানেই তো ফাইন প্রিন্টের কেরামতি। ওদের সাইটে গিয়ে দেখো, ওরা পরিষ্কার ভাবেই বলেছে, ওরা যে তারার নামকরণ করে, সেগুলো খালি চোখে দেখা যায় না। ওরা তোমার নামে যদি কোন তারার নামকরণ করে, তুমি তারাটার মালিক হয়ে যাবে না। ওদের ছাপানো একটা বইতে তোমার নামটা উঠবে। ইত্যাদি ইত্যাদি।

এসব জেনেও মানুষ ওদের কাছ থেকে তারা কিনছে কেন?

ভুল বললে। তারা কিনছে না; ওদের বইতে অদেখা তারার নামে নিজেদের নাম লেখাচ্ছে। তোমার প্রশ্ন – মানুষ তা করছে কেন? আবেগ, আবেগ। মানুষের সরল আবেগকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে তারা বিক্রির কোম্পানিগুলো। সারা আমেরিকার, বিশেষ করে গ্রাম্য এলাকার রেডিও ষ্টেশনগুলোতে তারা রাতদিন প্রচারণা চালাচ্ছে, প্রিয়জনের নামে তারার নামকরণ করুন; আপনার ভালবাসাকে অমরত্ব দিন। কিছু ডলারের বিনিময়ে ভালবাসাকে অমরত্ব দিতে কে না চায়? এ সব প্রচারণার খপ্পরে পড়ছে গ্রাম্য এলাকার সরল মানুষ গুলো।

সেদিন রাতের বেলা আমি নিজেই ইন্টারনেট ঘাটতে বসে গেলাম। দেখলাম, শুধু আই,এস,সি নয়, এ ধরনের আরও সাত আটটা কোম্পানী তারকা বিক্রির ব্যবসায় নিয়োজিত। আই,এস,সি গর্ব করে বলেছে, উনিশ শ ঊনআশি সালে স্থাপিত হবার পর থেকে, গত একত্রিশ বছরে তারা এক মিলিয়নের উপর তারকা কারো না কারো নামে নামকরণ করেছে। নামের লিস্টে অন্দ্রে আগাসি, জন বোল্টন, বিল ক্লিন্টন, ক্যাথি ফ্রি-ম্যান সহ অনেক দামী নামী ব্যক্তির স্থান আছে। ওদের বিজ্ঞাপনে লিখেছে – “Put their name in the sky and give them a piece of immortality ( পুট দেয়ার নেম ইন দা স্কাই এন্ড গিভ দেম এ পিস অফ ইম্মোর্টালিটি )। মহাশূন্যে তাদের নাম লিখে তাদের নামকে অমরত্ব দিন। কি মধুর আশ্বাস!

বিশ্বের নানা দেশে আই,এস,সি’র প্রতিনিধি রয়েছে। অষ্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধি হিসেবে সিডনীর কুজি বীচের একটা পোস্টঅফিস বক্সের ঠিকানা, একটা টেলিফোন নাম্বার, ফ্যাক্স নাম্বার আর একটা ই-মেইলের ঠিকানা দেয়া আছে। মূল্য তালিকায়, বেসিক, ডিলাক্স আর আল্টিমেট তারকা নামকরণের প্যাকেজের দাম যথাক্রমে দুইশত পঞ্চাশ, তিনশত পঞ্চাশ এবং চারশত পঞ্চাশ ডলার মাত্র।

আই,এস,সি’র বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। তবে তারা কথার মার প্যাচে প্রতিবারই সঙ্কট কেটে উঠেছে। ইন্টারনেটের বিভিন্ন ব্লগে তাদের এই প্রতারণামূলক ব্যবসা সম্পর্কে অনেক লেখা হয়েছে। কিন্তু হৃদয়ের কাছে মস্তিষ্ক চিরদিনই হার মেনেছে। মাঝখানে কিছু প্রতারকের ব্যাঙ্ক একাউন্ট ফুলে ফুঁসে উঠেছে মাত্র।

আই,এস,সি আর তার সমগোত্রীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর কীর্তি কাহিনী পড়তে পড়তে অনেক রাত হয়ে গেল। ঘুম আর আসলো না। ভাবলাম, রত্নাকে ফোন করি। ওর কাছে প্রতারকদের ভণ্ডামির মুখোসটা উন্মোচন করে দেই। ওকে জানিয়ে দেই, কি করে ভণ্ডরা ওর সরলতার সুযোগ নিয়ে শুভর নামে তারকার নামকরণের প্রহসন করেছে। উঠে ঘড়ি দেখলাম – রাত তিনটা বাজে। ওয়াশিংটন ডি সি তে এখন দুপুর। রত্নাকে কি এখন বাসায় পাওয়া যাবে? অবশ্য শুভ মারা যাবার পর রত্না কাজকর্ম অনেক কমিয়ে দিয়েছে। যে কনসাল্টিং ফার্মে সে কাজ করে, ওরা ওকে বাসা থেকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে। মিটিং বা জরুরী কোন কাজ না থাকলে বেশীর ভাগ সময়ই ওকে বাসায় পাওয়া যায়। আমি ওর নাম্বার ডায়াল করলাম। রিং হচ্ছে; রত্না হ্যালো বলল। আমি ওর গলা শুনলাম এবং ধীরে ধীরে ফোনটা রেখে দিলাম।

কি করে ওর হৃদয়ের গভীরে গড়া বিশ্বাসকে ভেঙ্গে দেই? হোক না মেকী; হোক না শুভর নামে তারার নামকরণের সনদটা এক খণ্ড কাগজ মাত্র। কিন্তু ওর কাছে তো সেটাই সত্য, সেটাই হীরার চেয়ে দামী। বিশ্বাসের বর্মে পরিবেষ্টিত হয়ে, ওর ভালবাসা বেঁচে থাকুক অনন্তকাল ধরে।

আমি বাইরে বেরিয়ে এলাম। নির্মেঘ রাতের আকাশে তারার মেলা। ছোট বেলার কথা মনে পড়লো। সপ্তর্ষি মণ্ডলকে আমরা চিনতাম লাঙ্গল বলে। রাতের আকাশে কতদিন খুঁজে বের করেছি সপ্তর্ষি মণ্ডলকে। রজার বলেছে, দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে উরশা মেজর দেখা যায় না। তবু আমি পাগলের মতো উত্তর আকাশের দিকে চেয়ে সপ্তর্ষি মণ্ডলকে খুঁজতে লাগলাম, যার গণ্ডীতে হাজার হাজার দৃশ্য অদৃশ্য তারার মাঝে একটা তারার নাম শুভ।

ওই তো দেখা যাচ্ছে। ওই যে বিশাল ভাল্লুক। তার মাঝ খান থেকে সাত টা ফিকে রঙের তারা ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হতে হতে একটা লাঙ্গল হয়ে গেলো। লাঙ্গলের জমিন থেকে একটা তারা হঠাৎ করে হেসে উঠে অদৃশ্য হয়ে গেল সাতটা তারার ওই তিমিরের গভীর শূন্যতায়। সেটাই কি শুভ?

লং লিভ শুভ। নিজের অজান্তেই বিড় বিড় করে উঠলাম আমি।

পাদটীকা - সত্য ঘটনা অবলম্বনে লিখিত। সঙ্গত কারণেই গল্পের পাত্র-পাত্রী ও প্রতিষ্ঠানের নাম বদলে দেয়া হয়েছে।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • suvojit1
    suvojit1 সাবের ভাই , আপনি সত্যি আমাদের সাহিত্যাকাশে এক জ্বলজ্বলে নক্ষত্র .....
    প্রত্যুত্তর . ১০ অক্টোবর, ২০১২
  • রোদেলা শিশির (লাইজু মনি )
    রোদেলা শিশির (লাইজু মনি ) প্রথম অংশটা পড়েই বুঝতে পেরেছিলাম ... এটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে ... দারুণ ......।
    প্রত্যুত্তর . ১১ অক্টোবর, ২০১২
  • প্রিয়ম
    প্রিয়ম অনেক অনেক সুন্দর হয়েছে সাবের চাচা , অনেক ভালো লাগলো , কোনো ক্লান্তি লাগেনি |
    প্রত্যুত্তর . ১১ অক্টোবর, ২০১২
  • মনির  মুকুল
    মনির মুকুল জানা-শোনার বাইরের একটা প্রতরণার কথা জানা হলো। গল্পের আদলে গুরুত্বপুর্ণ একটা মেসেজ দিলেন আমাদের। অনেক অনেক শুভকামনা।
    প্রত্যুত্তর . ১৩ অক্টোবর, ২০১২
    • আহমেদ সাবের ধন্যবাদ মনির মুকুল। বিপুলা এই পৃথিবীর কতটুকুই আমরা জানি? আপনার জন্যেও শুভকামনা।
      প্রত্যুত্তর . ১৩ অক্টোবর, ২০১২
  • Sisir kumar gain
    Sisir kumar gain মনমুগ্ধকর গল্প।বেশ ভালো লাগলো।
    প্রত্যুত্তর . ১৬ অক্টোবর, ২০১২
  • জালাল উদ্দিন  মুহম্মদ
    জালাল উদ্দিন মুহম্মদ আমরা তাবিজ আর পানিপড়ার ব্যবসা করি, ওরা তারার ব্যবসা করে । আমরা নেই পাঁচ সিকে, ওরা নেয় আবেগের মূল্য । তা না হলে পৃথিবীগ্রাম ! এ তিমিরে কখন আসবে সুবেহ সাদিকের আলো! অনেক অনেক ভাল লাগলো সাবের ভাই।
    প্রত্যুত্তর . ১৭ অক্টোবর, ২০১২
    • আহমেদ সাবের ধন্যবাদ জালাল ভাই। আমরা গরীব বলে আমাদের দৌড় পাঁচ সিকে পর্যন্ত। ওরা ধনী বলে ওদের লোভ সীমাহীন। ভাল থাকবেন।
      প্রত্যুত্তর . ১৭ অক্টোবর, ২০১২
  • মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন
    মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন সবাই সব পারে না, পারা উচিতও নয়। তাহলে আর অসাধারণ থাকে না। অনবদ্য একটি লেখায় নতুন এক প্রতারনা জানা গেল।
    প্রত্যুত্তর . ২০ অক্টোবর, ২০১২
  • এফ, আই , জুয়েল
    এফ, আই , জুয়েল # অন্য ধারার একটা অসাধারন গল্প । সত্য ঘটনার আলোকে এই গল্পটার তাৎপর্য ও শিক্ষনীয় দিকটা একেবারে ফেলনা নয় । == ধন্যবাদ ।
    প্রত্যুত্তর . ২৩ অক্টোবর, ২০১২
  • শেখ একেএম জাকারিয়া
    শেখ একেএম জাকারিয়া ধন্যবাদ সাবের ভাই। তথ্যবহুল অসাধারণ গল্প উপস্থাপন করার জন্য । শিক্ষণীয় কিছু লেখা পেলেই আমাকে বারবার টেনে নেয় সেখানে। তাই তিন-তিনবার পড়লাম আপনার এ গল্পটি। আত্মা তৃপ্ত হলে মানুষ অনেক কিছুই করে। আমি এই গল্প কাবতায় বসে আপনার জন্য তেমন কিছু করতে পারলাম না । ভ...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ২৪ অক্টোবর, ২০১২
    • আহমেদ সাবের ধন্যবাদ শেখ এ কে এম জাকারিয়া । আপনি যে গল্পটা পড়লেন, মন্তব্য করলেন - এটাই চাওয়ার চেয়ে বেশী পাওয়া। শুভকামনা থাকলো।
      প্রত্যুত্তর . ২৪ অক্টোবর, ২০১২
  • কনিকা রহমান
    কনিকা রহমান আমার গল্প পড়ার ধৈর্য কম তারপরও পড়লাম - ভালো লাগলো ...
    প্রত্যুত্তর . ২৪ অক্টোবর, ২০১২
    • আহমেদ সাবের ধন্যবাদ konica rahman । গল্প পড়তে সময় বেশী লাগে বলে অনেকেই গল্প পড়তে চান না। তার পরেও গল্পটা পড়েছেন বলে কৃতজ্ঞতা। ভাল থাকবেন।
      প্রত্যুত্তর . ২৪ অক্টোবর, ২০১২

advertisement