বন্ধুগণ, তোমাদের সেই সংক্ষিপ্ত ওহীটি পুনরায় শোনাতে চাই।
এবার কিন্তু ব্যক্তিগত বিধাতার অলক্ষে,নিতান্তই সময়ের সংকী‍র্ণ তাড়নায়।
প্রবল হাততালি কিংবা পিঠচাপড়ের অনূজ্জ্বল প্রত্যাশায় নয়
বরং উত্তর প্রজন্মের দুয়ারে বিকিরিত হবে এই আকাঙ্খায়।
এ দৈববাণীর বিপথগামীতার পথ দুর্বোধ্যতা নেই
এ কুড়িয়ে পাওয়া স্বর্ণলতাসমই আদরণীয়।
সেই বিস্মৃত আদম হাওয়ার কাছ থেকে এ বাণী ইথারস্রোতে পাওয়
আশ্চর্য বিবর্তনে যে বাণীর ঘর্মাক্ত ত্বকে, লজ্জার ধুলো পড়েছে
যত সংশয় শুধু এর বেলাতেই
আমিও ব্যতিক্রম নই
ঈষৎ সংশয় আর হতাশার পেশায় যা বলিনি অনেক বছর
তাই আজ নাযিল করব তোমাদের অঞ্চলে।
মাইকিং করে নয়, ত্রিপিটক পাঠের মত অনাড়ম্ববর সুরে নয়,
কবিতার ছন্দ ধরে চুপিচুপি।
বহুকাঙ্খিত যা এসিডদগ্ধ কিশোরীর চাতক লালায়,
লুকায়িত যা প্রিয়ার নির্লজ্জতায়,
স্কুলবালকের এক তোড়া গোলাপ কেনার ব্যর্থতায়
যে বাণী তার প্রকাশক্ষেত্র হারায়...
ঝিম ধরা দুপুরের একটু আগে, কাব্যের ক্লান্তি মুছে
ঘুলঘুলির আলোয় দৃশ্যমান প্রতিটি উড়ন্ত কণার ভরে
যে বাণীকে পৌছে দেয়ার প্রয়াস জাগে পরাজিত প্রেমিকের।
কালের স্রোত যে বাণীকে ইঙ্গিত করে হাজার আঙ্গুল দেখায়
সেই বাণী-মূল্যহীন কিন্তু অপরিশোধনীয় এবং শর্তনিরপেক্ষ।
আমি জানি এই বাণী সময়ের পিপাসায় নিশ্চুপ, প্রত্যেক দেহে বহুরূপ
তবু বলতে চাই, বলে যেতে চাই সেই অমোঘ শাশ্বত বাণী।
“আমি তোমাকে ভালবাসি”
একান্তই যা আজ দূর্লভ
মরফিয়াসেরও চোখের তারায়।